ISSN 1563-8685




লেখক ও শিল্পী পরিচিতি





অমিতাভ সেন পরবাস-এর শুরু থেকেই নানা কার্টুন, স্কেচ ও লেখা (ইংরেজিতে, যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে) দিয়ে আসছেন। শিকাগোর 'Spinor Capital LLC' নামের আর্থিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে অনেকদিন ধরে একটি সুইস ব্যাংকে কাজ করেছেন। তারও আগে, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদের উপরে তাঁর গবেষণা কোয়ান্টাম মহাকর্ষের এক মৌলিক তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে।



পেনসিলভানিয়া থেকে অনন্যা দাশ। প্রকাশিত বই Lingering Twilight (with photographs by Arunangshu Das), রামধনুর রূপকথা, পিকনিকে আতঙ্ক, হিরের থেকে দামী, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান, মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ, ইন্দ্রজালের নেপথ্যে, Bantul the Great (translation of Narayan Debnath's famous comic series)



অংকুর সাহা: কবিতা শ্রমিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। গ্রন্থের সংখ্যা সাত।



আদিত্য পাল একজন পর্বতপ্রেমী, এবং শৈশব থেকেই ট্রেকিং-এর সঙ্গে যুক্ত। নানান অ্যাডভেঞ্চার তাকে টেনেছে বারবার। কর্মসূত্রে কলিকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে যুক্ত হলেও মন পড়ে থাকে ভ্রমণের নেশায়। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেইসব অভিজ্ঞতা। লেখকের প্রকাশিত একটি বই Unforgettable Footsteps-এ গাড়োয়াল এবং কুমায়ূন এর ১৪টি ট্রেক পথের নির্দেশিকা রয়েছে।



আইভি চট্টপাধ্যায়--জন্মকর্ম সবই জামশেদপুরে। সৃষ্টিশীল কাজ করতে ও নানা ধরনের বই পড়তে ভালোবাসেন। আকাশবাণী জামশেদপুরের নানা ধরনের অনুষ্ঠানে ও আলোচনায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। প্রকাশিত বই রাতপাখি (গল্প), অনির্বাণ এবং (গল্প), নিরবলম্ব (উপন্যাস) ও অপারেশন স্বর্গদ্বার (উপন্যাস)।



ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় থাকেন পুরুলিয়া জেলায়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করেছেন। পছন্দের জিনিশ--কবিতা, গান, আবৃত্তি, আর একা একা থাকা। ওঁর কবিতার বই বৃষ্টিভোরের পাখি পরবাসে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে।



ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত আমেরিকায় থাকেন।



উদয় চট্টোপাধ্যায় খড়গপুর আই. আই. টি. থেকে মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর স্নাতক এবং ডক্টরেট, এবং সেখানেই বিগত চারদশক অধ্যাপনার পর সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন। ছাত্র এবং কর্মজীবনে তাঁর সাহিত্যচর্চা চলেছে সমান্তরালভাবে। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা তিন, এবং একটি রম্যরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। পেশাগত বিষয়ে তাঁর লেখা বই 'Environmental Degradation of Metals' (Marcel Dekker Inc, 2001) এবং সম্প্রতি প্রকাশিত 'ধাতুর কথা'।



কৃষ্ণা বসু এই যুগের একজন প্রধান কবি। তাঁর প্রকাশিত কবিতার বই এর সংখ্যা অনেক। তার মধ্যে সাহসিনী কে রয়েছ, সাজো অন্যতম। সম্প্রতি তাঁর কবিতা সমগ্র বেরিয়েছে।



৭৪ বছর বয়সের চম্পক সৌরভ হুগলীর পাণ্ডুয়াতে থাকেন। 'সন্দেশ' -এর আড্ডায় 'আড্ডা' মারতে আসার মাধ্যমে লেখায় হাতেখড়ি। ছদ্মনামে লেখেন এবং ছদ্মনামের আড়ালেই থাকতে চান। ইণ্ডিয়ান অয়েলের উচ্চ পদে আসীন ছিলেন।



ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা জন্ম থেকেই প্রবাসী। দিল্লীতে বড়ো হওয়া, এখন ওমাহা নেব্রাস্কাতে প্যাথোলজির চিকিৎসক এবং অধ্যাপক। বই ও ম্যাগাজিন পড়ার নেশা, আরো এক বড়ো নেশা হলো দূর দূর দেশে ভ্রমণ। গ্যালাপাগোস, আমাজনের জঙ্গল, ম্যাডাগাস্কার, পাপুয়া-নিউগিনি, ঘানা, ইসতান্‌বুল, প্রভৃতির পরে এখন স্বপ্ন আউটার মঙ্গোলিয়া। তাছাড়া, এবারে ঘাড়ে চেপেছে পাখি দেখার নেশা।



ভবভূতি ভট্টাচার্যের জন্ম হুগলি জেলার এক গ্রামে। বাল্যশিক্ষা কলকাতায়। এক দৈনিক-এর সাংবাদিকতায় কর্মপ্রবেশ করলেও অনেকদিন হলো আপাতত পাটনায় এক আধা-সরকারি সংস্থায় কর্মরত। লেখার শখ আবাল্য -- গল্প, কবিতা, ফীচার, নাটক লিখলেও সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছোটোদের গল্প। ইতিহাসের তন্নিষ্ঠ ছাত্র -- এছাড়াও 'পাক্‌কা গানা' শোনা ও জাপানি ভাষার অধ্যয়ন করে থাকেন।



তাপস চক্রবর্তী পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্টটেন্ট। তবে কলেজ জীবন থেকেই দেশী বিদেশী ছবি দেখার প্রবল ঝোঁক ছিল। পরবর্তীকালে সিনে ইনিস্টিটিউটের সঙ্গে শুরু থেকেই একজন ছিলেন। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্র উৎসবে নিয়মিত ছবি দেখতেন। পৃথিবীর সিনেমা নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করেছেন। লেখালেখি শুরু ১৯৭২-৭৩ থেকে। মুভি মনতাজ, সিনে টেকনিক, ঘরোয়া, আনন্দলোক, প্রসাদ, আজকাল ইত্যাদি পত্রিকায় লিখেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর সিনেমা বিষয়ক বই 'অভিনয়ের সন্ধানে একটি চরিত্র'।



দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য-এর জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা - উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে। স্ট্যাটিসটিকস-এর ছাত্র। এখন কেন্দ্রীয় সরকারে চাকরি করেন। প্রকাশিত বই - ইলাটিন বিলাটিন (ছড়া), বনপাহাড়ি গল্পকথা, কল্পলোকের গল্পকথা, দোর্দোবুরুর বাক্স, ঈশ্বরী। জয়ঢাক নামে ছোটোদের জন্য একটি পত্রিকা (ত্রৈমাসিক) চালান বন্ধুদের সঙ্গে মিলে। চাকরিসূত্রে ভূপাল, মধ্যপ্রদেশে কয়েক বছর কাটিয়ে এখন কলকাতায়।



দিবাকর ভট্টাচার্য - জন্ম ১৯২৮, ২২ নভেম্বর। ২৪ পরগণার জয়নগর-মজিলপুরে। আসল নাম হরেরাম ভট্টাচার্য হলেও দিবাকর ভট্টাচার্য নামেই সমধিক পরিচিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ.। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। স্নাতক স্তরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন যথাক্রমে রানাঘাট কলেজ, খড়গপুর কলেজ ও পরে দমদম মতিঝিল কলেজে। আজীবন মানবতাবাদী দিবাকর ভট্টাচার্য পরিণত বয়সে গান্ধীবাদী দর্শনে স্থিত হন। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত, জনপ্রিয় এই মানুষটির অনায়াস বিচরণ ছিল ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান সহ বিবিধ বিষয়ে। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করেছেন দিবাকর। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। অথচ তাঁরই স্পষ্ট নির্দেশানুসারে জীবৎকালে তাঁর একটিও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রে গভীর প্রত্যয়ী এই মানুষটি বিরোধী ছিলেন সমস্ত গতানুগতিকতার। এই প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব আজীবন সমস্তরকম হিংসার বিরোধিতা করে এসেছেন অনমনীয় দৃঢ়তায়। নিঃসঙ্গ, প্রতিবাদী এই মানুষটি প্রয়াত হন ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি।



এমদাদ উল বারী টেলিকম্যুনিকেশন শিল্পে এঞ্জিনিয়র হিসেবে কর্মরত।



হাসান জাহিদের গল্প এবং বাংলা/ইংরেজিতে অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রপত্রিকায়, সাপ্তাহিক পত্রিকা/সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা, কোলকাতা ও টরোন্টোর পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে কয়েকটি গ্রন্থের প্রণেতা তিনি। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‌`প্রত্নপ্রাচীন ‌দেবী’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে।

জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫, ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে সম্মানসহ এমএ। বর্তমানে কানাডার টরোন্টো শহরে স্থায়িভাবে বাস করছেন। তিনি বাংলাদেশ ও কানাডার নাগরিক। সাংবাদিকতার পেশায় কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি সরকারের পরিবেশ দপ্তরে যোগ দেন, ও পৃথিবীর নানা দেশে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন।

হাসান জাহিদ টরোন্টো-ভিত্তিক ওয়েব ম্যাগাজিন 'উত্তরাধুনিক'-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৪ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'জাদুবাস্তবের পদাবলি' ব্যাপক প্রসংশা লাভ করে। হাসান জাহিদ কথাসাহিত্যে (গল্পগ্রন্থঃ বোরোফেগাস ও আধুনিক আদম মানব) দেশ-প্রকাশনী পুরস্কার-২০১৪ লাভ করেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে আশির দশকের গল্পকার হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।




কৌশিক সেন পেশায় কর্কট-রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেও নেশা কবিতা, ছড়া, বই পড়া। নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।



মফিজুল ইসলাম খান-এর জন্ম ১৯৫৪ সালে, কুমিল্লায়। বর্তমানে ঢাকায় একটি ব্যাঙ্কে কর্মরত। প্রকাশিত বইঃ আন্দোলিত প্রান্তরে আহত চিৎকার (কবিতা), জোস্নার ফুল (কবিতা), যন্ত্রণার অনুলিপি (কবিতা), তাক ডুমাডুম ঢোল বাজে (ছড়া), মিসকল মফিজ (উপন্যাস)।



নক্ষত্র চক্রবর্তী আপাতত দ্বাদশশ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষার শেষে মুক্তবিহঙ্গ-অবতার। বাবা-মায়ের সাথে শারজা-প্রবাসী, কিন্তু পরীক্ষার ফলপ্রকাশের পর উচ্চশিক্ষার জন্য দ্বিতীয়বার দেশত্যাগী হবার অপেক্ষায়।বিজ্ঞান-বিভাগের ছাত্র হলেও চতুর্থ বিষয় ফাইন-আর্টস। পরবাসের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে গর্বিত।



নন্দন দত্ত লিখছেন ছোটোবেলা থেকেই; 'সন্দেশ' পত্রিকার 'হাত-পাকাবার আসরে' হাতেখড়ি ছ'বছর বয়সে। একসময়ে কলকাতার 'দ্য স্টেটস্‌ম্যান' ও 'দ্য এসিয়ান এজ' কাগজে নিয়মিত লিখেছেন। সখের মধ্যে বই পড়া, গান শোনা, বেড়ানো ইত্যাদি।



নীলাঞ্জনা বসু ওরফে নীলুর বাড়ি কলকাতা। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পি এইচডি করে এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত।



নিরুপম চক্রবর্তী ভারতবর্ষে বসবাস করেন, সম্প্রতি প্রবাসে দুবছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন সমাপ্ত করে আপাতত তিনি স্বস্থানে স্থিত। জনশ্রুতি এইরকম যে তিনি স্বদেশে ও বিদেশে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক ও সাম্মানিক অধ্যাপক পদে আসীন। প্রথাগত অশিক্ষার শুরু ভারতবর্ষে ও সমাপ্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ও ইংরিজী ভাষায় বর্ণপরিচয় ও ফার্স্টবুক পাঠ সমাপ্ত করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ--নিজস্ব বাতাস বয়ে যায়



নিবেদিতা দত্তঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম,এ,। লেখালিখি, সেতার বাজানো এবং ছবি আঁকায় শখ। আই,আই,টি, খড়গপুরে থাকেন।



পল্লববরন পাল--শিবপুর বি.ই. কলেজের স্নাতক স্থপতি। গান, আবৃত্তি, ছবি-আঁকা, লেখালেখি আকৈশোর। সঙ্গীত ও নাটকে বহুপুরস্কারে সম্মানিত। লিখিত উপন্যাস (২টি), অন্যধারার নাটকও (২টি), এবং কবিতা। 'তিন নম্বর চোখ' পত্রিকার ধুন্ধুমার সম্পাদক। অজস্র বই ও পত্রিকার মলাট ও অলংকরণশিল্পী। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দশটি।




রবিন পাল (জন্ম ১৯৪২) চল্লিশ বছর নানা বিদ্যায়তনে অধ্যাপনার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ থেকে প্রফেসর পদে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৪-এ। বাংলা ও ইংরাজি ভাষায় বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যার কিছু অনূদিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ভারতবর্ষের নানা প্রদেশে এবং জার্মানীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। রচিত গ্রন্থাদি - কল্লোলিত ছোটগল্প, র‍্যালফ্‌ ফক্স: রাজনীতি সংস্কৃতি ভারতনীতি, পাবলো নেরুদা: বঙ্গীয় বাতায়ন ও বিক্ষুব্ধ নীলিমা, কথাসাহিত্যে চিত্রকল্প, পাঠসারণিতে মতি নন্দী, উপন্যাসের উজানে, বাংলা ছোটগল্প: কৃতী ও রীতি, অচিন্ত্য সেনগুপ্ত (সাহিত্য আকাদেমি), যুগলবন্দী: স্পেনীয় ও ভারতীয় সাহিত্য, বিষয়: রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের পথে পথে, উপন্যাসের বর্ণময় ভূবন, উপন্যাস: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বিদেশীদের চোখে রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের বিন্দু বিশ্ব ও উপন্যাস চিন্তা : পাঁচজন আধুনিক কবি । সম্পাদনা করেছেন - লাল সালু বিষয়ক নানা নিবন্ধ, উইস্‌ লাওয়া জিমবোর্স্কার কবিতা। অনূদিত বই - ব্রাজিলের কবিতা, নিক্সন নিধন নিয়ে জেহাদ এবং চিলির বিপ্লব বন্দনা (পাবলো নেরুদা)।



রাজীব চক্রবর্তী 'পরবাস'-এর একজন অন্যতম সদস্য।



রাহুল মজুমদার - জন্ম ১৯৫৩ সালে। গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেছেন। লেখালিখির শুরু ৭৮ সাল থেকে। মূলতঃ সন্দেশ পত্রিকা দিয়েই শুরু। পরে আরও অনেক ছোটদের পত্রিকায় লেখালিখি ও অলংকরণের কাজ করেন। লেখালিখি ও আঁকা ছাড়াও পাহাড় চড়ার শখ। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে: হাঁউ-মাঁউ-খাঁউ, পেটুক খরগোশ, ক্ষুদে রাজপুত্তুর, হিমালয় পায়ে পায়ে, এবং পাহাড় যখন প্রতিপক্ষ



প্রধানত কবিতা ও ছোটো গল্প ছাড়াও রাহুল রায় ঐতিহাসিক কথন, ভ্রমণকাহিনি লেখায় উৎসাহী। লেখা প্রকাশিত হয়েছে দেশ, নবকল্লোল, কৃত্তিবাস, পরবাস, সংবাদ বিচিত্রা, প্রতীচী ইত্যাদি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। প্রকাশিত বই তিনটিঃ ফলেন কমরেড (গল্প; ২০১০), নেমসেক এবং অন্যান্য গল্প (২০১৪), এবং স্ত্রী স্বপ্না রায়ের সঙ্গে লেখা কবিতারা যখন ঝাঁকে-ঝাঁকে আসে (কবিতা; ২০১২) । পেশায় অধ্যাপক ও কর্কট রোগের ওপর গবেষক (বস্টন ইউনিভার্সিটি)। নেশা গান গাওয়া (রবীন্দ্রসঙ্গীত, রাগপ্রধান), বেহালা বাজানো ও ছবি আঁকা।



রঞ্জন রায় (১৯৫০); এম এ (অর্থনীতি); এল এল বি ও সিএআই আইবি (মুম্বাই)। জন্ম--কোলকাতা। তিনটি স্কুল পেরিয়ে হায়ার সেকন্ডারি পাশ। কলেজ কোলকাতার দুটো ও ছত্তিশগড়ের তিনটে। গ্রামীণ ব্যাংকে ৩৪ বছর চাকরির সুবাদে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে-গঞ্জের আনাচে কানাচে ঘোরাঘুরি। বর্তমানে কোলকাতায়। বুড়ো বয়সে বাংলালেখা শুরু ওয়েব ম্যাগাজিনে। বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালি ও অবশেষে পরবাসে। এই বছর প্রথম প্রকাশিত বই "বাঙাল জীবনের চালচিত্র" (গাঙচিল)। নকশাল আন্দোলনের নারীবাদী দৃষ্টিকোণের উপন্যাস "বেঁচে আছি, প্রেমে -অপ্রেমে" (পান্ডুলিপি)। হিন্দি থেকে অনুবাদঃ কুরু কুরু স্বাহা (পাণ্ডুলিপি); রাগ দরবারী (পাণ্ডুলিপি)।



সাবর্ণি চক্রবর্তী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের NABARD বিভাগ থেকে বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন মুম্বই প্রবাসী। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ - পালান ফিরিওয়ালার বিক্রির বৃত্তান্ত, বনের ভিতর বাড়ি, দৃষ্টিকোণ ও অন্যান্য, Moonstruck and Other Short Stories



সমীর ভট্টাচার্যের জন্ম, স্কুল, কলেজ পশ্চিমবঙ্গে। তার পরের পড়াশোনা দিল্লী ও আমেরিকায়। বর্তমানে নিউজার্সি-বাসী।



শান্তনু চ্যাটার্জি, কলকাতা শহরে জন্ম ও বসবাস। পেশায় কস্ট একাউন্ট্যান্ট। গবেষণার কাজে যুক্ত। সাহিত্য পাঠ ও চর্চা জীবন যাপনের একটা অঙ্গ।



শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ, গদ্য লিখে থাকেন। কোমলগান্ধার পত্রিকার সম্পাদক।



সক্রিয় থিয়েটার কর্মী, নাট্য গবেষক, নাট্য পত্রিকা সম্পাদক শোভন গুপ্তের জন্ম ১৯৬১ সালের ৬ই জুন। সরকারী কর্মী শোভনের নিয়মিত সাহিত্যচর্চা বহুরূপী, জলার্ক, পরম্পরা, সোনালী দুঃখ, আলাপ পর্ব, ব্রাত্যজন নাট্যপত্র প্রভৃতি পত্রিকায়। রচিত গ্রন্থ— ভারতবর্ষের থিয়েটার : একটি সন্দর্ভ, ব্রডওয়ে থিয়েটার, আন্দোলনের থিয়েটার, নতুন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ থিয়েটার, পাকিস্তানের থিয়েটার, অন্ধকারের অন্তরালে, অন্য আলোয় শম্ভু মিত্র প্রভৃতি। সম্পাদিত গ্রন্থ—অভিনয়ের গল্প, নেশার গল্প, ব্রাত্য।



শ্রেয়সী চক্রবর্তী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি স্তরে গবেষণা করছেন। নেশাঃ বই, বই, এবং আরো বই।



সঞ্চারী মুখার্জী সবে বাটানগর থেকে ভালোভাবে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেছেন। এখন অ্যাকাউন্‌টিং নিয়ে স্নাতক-স্তরে পড়ছেন। নাচতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসেন।



সংহিতার লেখালেখি ছিলো নিজের খাতায়। প্রথম প্রকাশ "জয়ঢাক"--২০০৩'র পূজা সংখ্যায়। মাস্টারমশাই শ্রীদেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের প্রেরণায় ও প্রশ্রয়ে।



শ্রী শাম্ব ওরফে অতনু দেবঃ ছেলেবেলা কেটেছে উত্তরবঙ্গে। আঁকার স্কুলে ভর্তি হবার এক মাসের মাথায় সব ছেড়েছুড়ে মায়ের কাছে তালিম নেওয়া শুরু। অভিযোগ ছিল, ‘যা ইচ্ছে তাই’ আঁকার স্বাধীনতা নেই। ‘যা ইচ্ছে তাই’ আঁকতে গিয়ে মাঝেমাঝেই যাচ্ছেতাই কাণ্ড ঘটানো সেই থেকে শুরু। ছবি আঁকার ক্ষেত্রে প্রকৃত অর্থে অশিক্ষিত। ‘ধ্রুব’ পত্রিকা সম্পাদনার সাথে যুক্ত। সাথে চলছিল ছোট কাগজে লেখালেখি। পথ নাটকের প্রতি আকর্ষণ জন্মাতেই লেখালেখি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গোটা পাঁচেক শর্ট ফিল্ম আর তথ্যচিত্র বানিয়ে আবার বিরতি। এর মাঝেই একটি বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের কাগজে কার্টুন আঁকা শুরু। হঠাৎ খেয়াল হ’ল কমিকস বানালে কেমন হয়? এরপর ‘জয়ঢাক’-এর জন্য কমিকস আঁকা শুরু হয়। এর সাথেই অনিয়মিতভাবে কয়েকটি ওয়েব ম্যাগাজিনে ট্রাভেলগ স্কেচবুক আর প্রবন্ধ লেখার কাজ চলছে। তবে বই পড়া, গান শোনা আর সিনেমা দেখার বাইরেও একটা নেশা আছে--গ্রামে গ্রামে ঘোরাঘুরি।



সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। শিবপুরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বম্বে আই আই টি থেকে এম টেক এবং পরে হোমি ভাবা থেকে পি এইচ ডি। গবেষণার বিষয় সিগ্ন্যাল/ সিস্টেম মডেলিং। ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। লেখালেখি মোটামুটি নিজস্ব তাড়নায়। কেউ ভাল বললে ভাল লাগে, না বল্লেও ক্ষতি নেই। অহংকার, দীপন, অববাহিকা, “কফিহাউস”, “এ মাসের কবিতা” ইত্যাদি নানা পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করেছেন।



সিক্তা দাস--জন্ম, বর্তমান বাস এবং শিক্ষা কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে সাম্মানিক স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতকোত্তর এবং ব্যাচেলর অফ লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্সে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। পূর্বে শিক্ষকতায় যুক্ত ছিলেন। গান শুনতে, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে, এবং লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। কিছু লেখা ছাপা পত্রিকা ও ওয়েবজিনে প্রকাশিত হয়েছে।



শ্রাবণী দাশগুপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস-এ এম,এ। জন্ম, স্কুল-কলেজ-পড়াশোনা সব কোলকাতায়। এখন রাঁচিতে একটি স্কুলে পড়ান। গল্প লিখতে ভালোবাসেন। আনন্দবাজার (২০০৬) ও দেশ (২০১১)-এ তার দুটি গল্প প্রকাশিত হয়েছিল। এ ছাড়াও কয়েকটি ই-ম্যাগাজিনে কয়েকবার বের হয়েছে লেখা।




সুবীর বোস পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইটি ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। দেশ-এ একাধিকবার, এবং কবিসম্মেলন ও বিভিন্ন ওয়েবজিন-এ তাঁর কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইঃ আঙুলের সংলাপ (সপ্তর্ষি প্রকাশনা)।




সুনন্দন চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৫৭। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। আচার্য গিরিশ চন্দ্র বসু কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। লেখালিখি বিক্ষিপ্তভাবে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে।



সুরমা ঘটক ছোটোবেলা থেকেই সংগ্রাম করেছেন। সামাজিক ও রাজনৈতিক আদর্শে চলেছেন। শিলং জেলের ডায়েরি, পদ্মা থেকে তিতাস ইত্যাদি গ্রন্থের প্রণেতা। ঋত্বিক ঘটকের সহধর্মিণী। বিবাহপূর্ব জীবন থেকে আইপিটিএ'র সদস্যা, এবং রাজনৈতিক কারণে প্রায় আঠারো মাস কারাবরণ করতে হয়েছিল।




স্বপ্না মিত্র একজন প্রবাসী বাঙালি। বিজ্ঞানের ছাত্রী। প্রযুক্তি বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ কিছুদিন দেশী এবং বহুজাতিক সংস্থায় কর্মজীবন। প্রযুক্তি বিজ্ঞানের পাশাপাশি অনেক সময় তিনি কলম ধরেছেন। কখনও সমাজের বিভিন্ন সম্পর্কের গতিবিধিতে আকৃষ্ট হয়ে, কখনও আবার ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিতে। স্বপ্নার রচনাশৈলীতে বারবার ফুটে ওঠে আজকের সমাজের প্রতিফলন। লেখিকার প্রকাশিত ছোট গল্প সংকলনের নাম “একালের গল্প" ও “বিকেল হলেই গল্প" (পরিবেশক – দে’জ পাবলিশিং)



(পরবাস-৬১, ডিসেম্বর ২০১৫)





এই লেখা আপনাদের কেমন লাগল?

Subscribe for updates to Parabaas: