ISSN 1563-8685




লেখক ও শিল্পী পরিচিতি





অতনু দে পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। জন্মসূত্রে কলকাতার, কর্মসূত্রে প্রায় পনেরো বছর কলকাতার বাইরে। কিন্তু অবসর সময় মন ঘুরে বেড়ায় সাহিত্যের খোলা আলো-ঝলমল বারান্দায়। নানান সময় নানান লেখালেখি করেছেন – কবিতা, প্রবন্ধ, কিন্তু গল্প লেখা এই প্রথম। সাহিত্য ছাড়া চলচ্চিত্র নিয়ে লেখালেখি করেছেন একসময়।



অমিতাভ সেন পরবাস-এর শুরু থেকেই নানা কার্টুন, স্কেচ ও লেখা (ইংরেজিতে, যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে) দিয়ে আসছেন। শিকাগোর 'Spinor Capital LLC' নামের আর্থিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে অনেকদিন ধরে একটি সুইস ব্যাংকে কাজ করেছেন। তারও আগে, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদের উপরে তাঁর গবেষণা কোয়ান্টাম মহাকর্ষের এক মৌলিক তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে।



অরণি বসুর জন্ম ১৯৫১ সালে। সত্তর দশকের বিশিষ্ট কবি। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ -- শুভেচ্ছা সফর, লঘু মুহূর্ত। প্রকাশিতব্য গ্রন্থ : ভাঙা অক্ষরের রামধনু।



অরিজিৎ চক্রবর্তী কোলকাতায় থাকেন। তরুণ কবি।



পেনসিলভানিয়া থেকে অনন্যা দাশ। প্রকাশিত বই Lingering Twilight (with photographs by Arunangshu Das), রামধনুর রূপকথা, পিকনিকে আতঙ্ক, হিরের থেকে দামী, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান, মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ, ইন্দ্রজালের নেপথ্যে, Bantul the Great (translation of Narayan Debnath's famous comic series)



অঞ্জলি দাশের জন্ম বাংলাদেশে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজি-তে মাস্টার্সের পরে কলকাতায় চলে আসেন ১৯৭৮ সালে। কিশোর বয়েস থেলে লেখালিখি করলেও এ-পারে আসার পরে সিরিয়াসলি কবিতা লেখা শুরু করেন, ছোটো বড়ো নানা পত্রিকায়, পাশাপাশি গত কয়েক বছর গল্প-উপন্যাসও। 'বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার' ও 'পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার' পেয়েছেন। ৫-টি কবিতা বই; দে'জ থেকে 'শ্রেষ্ঠ কবিতা'ও আছে তার মধ্যে।



অনিন্দিতা চক্রবর্তীর জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা বাংলাদেশে। আই. সি. সি. আর স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসেন ২০০৩ সালে। সেই থেকে যাদবপুরে কেটেছে অনেকটা সময়। স্নাতক থেকে স্নাতকোত্তর, এবং গবেষণার জন্য পরবর্তী সময়গুলোতে কলকাতাই হয়ে উঠেছিল তাঁর দ্বিতীয় উপনিবেশ। কিছুদিন বস্টন-এ থাকার পর সম্প্রতি ডেনভার শহরে।



অংকুর সাহা: কবিতা শ্রমিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। গ্রন্থের সংখ্যা সাত।



অনুষ্টুপ শেঠ--কলকাতায় বড় হওয়া, কর্মসূত্রে বহুকাল মুম্বাই প্রবাসী। বই, বাংলা সাহিত্য হল ভালবাসা। মূলত কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে।



অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্ধমানে। পড়াশোনা বর্ধমান, নরেন্দ্রপুর, ও শিবপুর বি,ই কলেজে। কবিতা ছাড়াও বিশেষ ভালোবাসার বিষয় হলো গানঃ রবীন্দ্রসঙ্গীত, হিন্দুস্থানী ও কর্নাটকী ক্লাসিকাল। প্রকাশিত কবিতার বই আপাত সুখের দৃশ্য




ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত আমেরিকায় থাকেন।



কুমকুম চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৮-২০১২), দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসের বিশিষ্ট গবেষক। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপনাকালীন ক্যান্সারে মৃত্যুর ফলে Dhrupad and Bishnupur সমেত আরো কয়েকটি গবেষণাপত্র অপ্রকাশিত থেকে যায়।



কৃষ্ণা বসু এই যুগের একজন প্রধান কবি। তাঁর প্রকাশিত কবিতার বই এর সংখ্যা অনেক। তার মধ্যে সাহসিনী কে রয়েছ, সাজো অন্যতম। সম্প্রতি তাঁর কবিতা সমগ্র বেরিয়েছে।



ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা জন্ম থেকেই প্রবাসী। দিল্লীতে বড়ো হওয়া, এখন ওমাহা নেব্রাস্কাতে প্যাথোলজির চিকিৎসক এবং অধ্যাপক। বই ও ম্যাগাজিন পড়ার নেশা, আরো এক বড়ো নেশা হলো দূর দূর দেশে ভ্রমণ। গ্যালাপাগোস, আমাজনের জঙ্গল, ম্যাডাগাস্কার, পাপুয়া-নিউগিনি, ঘানা, ইসতান্‌বুল, প্রভৃতির পরে এখন স্বপ্ন আউটার মঙ্গোলিয়া। তাছাড়া, এবারে ঘাড়ে চেপেছে পাখি দেখার নেশা।



তৃষা চক্রবর্তী কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করে, এখন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর প্রথম বর্ষের ছাত্রী।



ব্রতী ভট্টাচার্যের কবিতা লেখবার হাতেখড়ি স্কুল ম্যাগাজিনে লেখার মধ্যে দিয়ে,পরবর্তীকালে ইংরিজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করে কলকাতার একটি স্কুলে কয়েক বছর শিক্ষকতা এবং কিছুদিন একটি ই-বাণিজ্যিক সংস্থায় 'content writing' করবার পর বিবাহ সূত্রে আমেরিকা প্রবাসী। সিয়াটেল আর ক্লিভল্যান্ড এর বাৎসরিক ম্যাগাজিনে কবিতা প্রকাশিত হয়েছে কয়েকবার। নেশা কবিতা,গান,রান্না আর চলচ্চিত্র।



বনানী দাস -- বর্তমানে কাটোয়ার বাসিন্দা। পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর। সমবায় দপ্তরের আধিকারিক। কবিতা লিখতে ভালোবাসেন। গল্প-ও বেশ কিছু লিখেছেন। প্রকাশিত কবিতার বই -- 'গুল্মকথা', 'গর্ভঋণ' (২০০১)। নাটকের বই -- 'আকা দাশরথি কথা'। উপন্যাস-- 'আড়ালপর্ব' (২০১২)। গান গাইতে ভালোবাসেন। নিজের লেখা গান বহু অনুষ্ঠানে পরিবেশন করেন।



ভবভূতি ভট্টাচার্যের জন্ম হুগলি জেলার এক গ্রামে। পড়াশুনো কলকাতায়। এক আধা-সরকারী সংস্থায় চাকুরিসূত্রে বহু বৎসর ছিলেন উত্তরভারতের গোরক্ষপুর, পাটনা প্রভৃতি স্থানে, এখন কলিকাতায়। নানান বিষয়ে পড়তে ভালোবাসেন, ও তা পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। গল্প, প্রবন্ধ, রম্যরচনা লিখে থাকেন, ভূতের গল্প লিখতে ভালোবাসেন খুব, যদিও সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছোটোদের গল্প। ইতিহাসের তন্নিষ্ঠ ছাত্র। আর ভক্ত 'পাক্কা গানা'-র।



দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য-এর জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা - উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে। স্ট্যাটিসটিকস-এর ছাত্র। এখন কেন্দ্রীয় সরকারে চাকরি করেন। প্রকাশিত বই - ইলাটিন বিলাটিন (ছড়া), বনপাহাড়ি গল্পকথা, কল্পলোকের গল্পকথা, দোর্দোবুরুর বাক্স, ঈশ্বরী। জয়ঢাক নামে ছোটোদের জন্য একটি পত্রিকা (ত্রৈমাসিক) চালান বন্ধুদের সঙ্গে মিলে। চাকরিসূত্রে ভূপাল, মধ্যপ্রদেশে কয়েক বছর কাটিয়ে এখন কলকাতায়।



দিবাকর ভট্টাচার্য - জন্ম ১৯২৮, ২২ নভেম্বর। ২৪ পরগণার জয়নগর-মজিলপুরে। আসল নাম হরেরাম ভট্টাচার্য হলেও দিবাকর ভট্টাচার্য নামেই সমধিক পরিচিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ.। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। স্নাতক স্তরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন যথাক্রমে রানাঘাট কলেজ, খড়গপুর কলেজ ও পরে দমদম মতিঝিল কলেজে। আজীবন মানবতাবাদী দিবাকর ভট্টাচার্য পরিণত বয়সে গান্ধীবাদী দর্শনে স্থিত হন। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত, জনপ্রিয় এই মানুষটির অনায়াস বিচরণ ছিল ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান সহ বিবিধ বিষয়ে। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করেছেন দিবাকর। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। অথচ তাঁরই স্পষ্ট নির্দেশানুসারে জীবৎকালে তাঁর একটিও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রে গভীর প্রত্যয়ী এই মানুষটি বিরোধী ছিলেন সমস্ত গতানুগতিকতার। এই প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব আজীবন সমস্তরকম হিংসার বিরোধিতা করে এসেছেন অনমনীয় দৃঢ়তায়। নিঃসঙ্গ, প্রতিবাদী এই মানুষটি প্রয়াত হন ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি।



হাসান জাহিদের গল্প এবং বাংলা/ইংরেজিতে অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রপত্রিকায়, সাপ্তাহিক পত্রিকা/সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা, কোলকাতা ও টরোন্টোর পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে কয়েকটি গ্রন্থের প্রণেতা তিনি। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‌`প্রত্নপ্রাচীন ‌দেবী’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে।

জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫, ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে সম্মানসহ এমএ। বর্তমানে কানাডার টরোন্টো শহরে স্থায়িভাবে বাস করছেন। তিনি বাংলাদেশ ও কানাডার নাগরিক। সাংবাদিকতার পেশায় কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি সরকারের পরিবেশ দপ্তরে যোগ দেন, ও পৃথিবীর নানা দেশে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন।

হাসান জাহিদ টরোন্টো-ভিত্তিক ওয়েব ম্যাগাজিন 'উত্তরাধুনিক'-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৪ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'জাদুবাস্তবের পদাবলি' ব্যাপক প্রসংশা লাভ করে। হাসান জাহিদ কথাসাহিত্যে (গল্পগ্রন্থঃ বোরোফেগাস ও আধুনিক আদম মানব) দেশ-প্রকাশনী পুরস্কার-২০১৪ লাভ করেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে আশির দশকের গল্পকার হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।




কালীকৃষ্ণ গুহ-র জন্ম ১৯৪৩ সাল। পূর্ববঙ্গের (এখন বাংলাদেশ) রাজবাড়ি জেলার ছাইবাড়িয়া গ্রাম। ১৯৫৭ সালে, ছাত্রাবস্থা থেকে, কলকাতা শহরে। সাহিত্য ও আইনে স্নাতক। ১৯৬৫ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চাকরি। ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ। বাল্যকাল থেকেই সাহিত্যপাঠে উৎসাহী ও কবিতা লেখা শুরু। প্রথম কবিতার বই 'রক্তাক্ত বেদীর পাশে' ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত। তারপর থেকে বহু বই নিজের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকটি: হস্টেল থেকে লেখা কবিতা ...., পথনাটকের আসরে স্তব্ধতা। তিনটি প্রবন্ধের বই: পাঠবৃত্তে কালযাপন (২০১৩), নির্বাচিত গদ্য ও মলিন পাঠগ্রহণ। উল্লেখযোগ্য কোনো বলার মতো ঘটনা নেই, বিশেষ কোনো গৌরব নেই। ভালোবাসেন শুয়ে থেকে জীবন কাটাতে। শুয়ে শুয়েই বইপড়া, (সামান্য) লেখার চেষ্টা করা, গান শোনা - উচ্চাঙ্গ সংগীত, রবীন্দ্রসংগীত।



কোয়েল দত্তর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায়। পেশায় কেমিকাল এঞ্জিনিয়র--ডিজাইন ও ডেভেলাপমেন্ট-এ মুম্বাইয়ের একটি অ্যাগ্রো-কেমিকাল কোম্পানিতে কাজ করেন। নেশা--বেড়ানো, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়া, লেখা-লেখি।



কৌশিক দত্ত স্নায়ুরোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কলকাতার AMRI-হাসপাতালে। পড়াশোনা নরেন্দ্রপুর মিশন, কলকাতা মেডিকাল কলেজ ও তারপরে বিভিন্ন জায়গায়। প্রথমে লেখা শুরু কবিতা দিয়ে, এখন মূলত গদ্য। শখ--থিয়েটারে অভিনয় ও সিনেমা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা।



কৌশিক সেন পেশায় কর্কট-রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেও নেশা কবিতা, ছড়া, বই পড়া। নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।



মহুয়া সেন মুখোপাধ্যায় দুই-দশকের বেশি আমেরিকার ম্যাসাচুসেট্‌স-এ আছেন। পেশাঃ স্কুলে পড়ানো, নেশাঃ অবশ্যই পড়া।



মহাশ্বেতা মুখোপাধ্যায়--"একেবারে 'মেড ইন কলকাতা' ছাপ মারা বাঙালি।" ভাগ্যের ফেরে বিগত ১৫ বছর ধরে উত্তর আমেরিকার নর্থ ক্যারলাইনার কেরি শহরের বাসিন্দা। পেশায় গায়িকা এবং সংগীত শিক্ষিকা। নেশা একান্ত পাঠ, রান্না এবং রবীন্দ্রনাথ।



অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মচারী মলয় সরকার থাকেন সোদপুর, উত্তর ২৪ পরগণাতে। খড়গপুর আই আই টি থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর। 'জ্ঞান ও বিজ্ঞান', ই-ম্যাগাজিন 'অন্য নিষাদ' ও অন্যান্য পত্রিকাতে লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে লেখালেখি ও সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত।



মীরাতুন নাহার কলকাতার ভিক্টোরিয়া কলেজের দর্শন বিভাগের প্রধানপদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৯-সালে। 'যুগজননী রোকেয়াঃ একটি জীবনী' (১৯৯৭), 'দেশকন্যার কলমে' (২০১২), প্রভৃতি ৫-টি বইএর লেখক এবং সম্পাদনা করেছেন 'Others Minds: Analogical Argument Revisited' (২০০২), 'অন্তঃস্বর--মেয়েদের কথায় মেয়েরা' (২০০৭) ইত্যাদি প্রায় ৬টি গ্রন্থ। বিভিন্ন পত্রিকা, টিভি ও জনহিতকর সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।



মুরাদুল ইসলাম এর জন্ম বাংলাদেশে। সিলেট বিভাগের জগন্নাথপুর উপজেলায়। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবম্যাগে লিখেই তার লেখালেখির শুরু। প্রকাশিত একমাত্র গল্প সংকলন “মার্চ করে চলে যাওয়া একদল কাঠবিড়ালী” সৃষ্টিসুখ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। তার আরো কিছু বই - উপন্যাস ‘রাধারমন এবং কিছু বিভ্রান্তি’ ‘কাফকা ক্লাব’ ইত্যাদি।



নিরুপম চক্রবর্তী ভারতবর্ষে বসবাস করেন, সম্প্রতি প্রবাসে দুবছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন সমাপ্ত করে আপাতত তিনি স্বস্থানে স্থিত। জনশ্রুতি এইরকম যে তিনি স্বদেশে ও বিদেশে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক ও সাম্মানিক অধ্যাপক পদে আসীন। প্রথাগত অশিক্ষার শুরু ভারতবর্ষে ও সমাপ্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ও ইংরিজী ভাষায় বর্ণপরিচয় ও ফার্স্টবুক পাঠ সমাপ্ত করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ--'নিজস্ব বাতাস বয়ে যায়!' ও কিছু নির্বাচিত কবিতার ইংরিজি ও ফিনিশ ভাষায় অনুবাদ: Enchantress.



পিউ দাশের প্রিয় জিনিস--ভালো গল্প, বাংলায় এবং ইংরেজিতে।




রবিন পাল (জন্ম ১৯৪২) চল্লিশ বছর নানা বিদ্যায়তনে অধ্যাপনার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ থেকে প্রফেসর পদে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৪-এ। বাংলা ও ইংরাজি ভাষায় বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যার কিছু অনূদিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ভারতবর্ষের নানা প্রদেশে এবং জার্মানীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। রচিত গ্রন্থাদি — কবিতার দেশ-বিদেশ, কল্লোলিত ছোটগল্প, র‍্যালফ্‌ ফক্স: রাজনীতি সংস্কৃতি ভারতনীতি, পাবলো নেরুদা: বঙ্গীয় বাতায়ন ও বিক্ষুব্ধ নীলিমা, কথাসাহিত্যে চিত্রকল্প, পাঠসারণিতে মতি নন্দী, উপন্যাসের উজানে, বাংলা ছোটগল্প: কৃতী ও রীতি, অচিন্ত্য সেনগুপ্ত (সাহিত্য আকাদেমি), যুগলবন্দী: স্পেনীয় ও ভারতীয় সাহিত্য, বিষয়: রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের পথে পথে, উপন্যাসের বর্ণময় ভূবন, উপন্যাস: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বিদেশীদের চোখে রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের বিন্দু বিশ্ব ও উপন্যাস চিন্তা : পাঁচজন আধুনিক কবি । সম্পাদনা করেছেন - লাল সালু বিষয়ক নানা নিবন্ধ, উইস্‌ লাওয়া জিমবোর্স্কার কবিতা। অনূদিত বই — ব্রাজিলের কবিতা, নিক্সন নিধন নিয়ে জেহাদ এবং চিলির বিপ্লব বন্দনা (পাবলো নেরুদা)।



রাহুল মজুমদার - জন্ম ১৯৫৩ সালে। গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেছেন। লেখালিখির শুরু ৭৮ সাল থেকে। মূলতঃ সন্দেশ পত্রিকা দিয়েই শুরু। পরে আরও অনেক ছোটদের পত্রিকায় লেখালিখি ও অলংকরণের কাজ করেন। লেখালিখি ও আঁকা ছাড়াও পাহাড় চড়ার শখ। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে: হাঁউ-মাঁউ-খাঁউ, পেটুক খরগোশ, ক্ষুদে রাজপুত্তুর, হিমালয় পায়ে পায়ে, এবং পাহাড় যখন প্রতিপক্ষ



রঞ্জন রায় (১৯৫০); এম এ (অর্থনীতি); এল এল বি ও সিএআই আইবি (মুম্বাই)। জন্ম--কোলকাতা। তিনটি স্কুল পেরিয়ে হায়ার সেকন্ডারি পাশ। কলেজ কোলকাতার দুটো ও ছত্তিশগড়ের তিনটে। গ্রামীণ ব্যাংকে ৩৪ বছর চাকরির সুবাদে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে-গঞ্জের আনাচে কানাচে ঘোরাঘুরি। বর্তমানে কোলকাতায়। বুড়ো বয়সে বাংলালেখা শুরু ওয়েব ম্যাগাজিনে। বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালি ও অবশেষে পরবাসে। এই বছর প্রথম প্রকাশিত বই "বাঙাল জীবনের চালচিত্র" (গাঙচিল)। নকশাল আন্দোলনের নারীবাদী দৃষ্টিকোণের উপন্যাস "বেঁচে আছি, প্রেমে -অপ্রেমে" (পান্ডুলিপি)। হিন্দি থেকে অনুবাদঃ কুরু কুরু স্বাহা (পাণ্ডুলিপি); রাগ দরবারী (পাণ্ডুলিপি)।



রঞ্জন ভট্টাচার্য -- পেশায় ডাক্তার রঞ্জন ভট্টাচার্যের বসবাস কলকাতায়। ডাক্তারি ব্যস্ততার ফাঁকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। মহাভারতের একজন নিবিষ্ট পাঠক। ।



সাবর্ণি চক্রবর্তী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের NABARD বিভাগ থেকে বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন মুম্বই প্রবাসী। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ - পালান ফিরিওয়ালার বিক্রির বৃত্তান্ত, বনের ভিতর বাড়ি, দৃষ্টিকোণ ও অন্যান্য, Moonstruck and Other Short Stories



সুমিত নাগের নিবাস - শ্রীরামপুর, জেলা - হুগলী; শখ - সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান; বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত, প্রেসিডেন্সী কলেজের প্রাক্তনী।



সমীর ভট্টাচার্যের জন্ম, স্কুল, কলেজ পশ্চিমবঙ্গে। তার পরের পড়াশোনা দিল্লী ও আমেরিকায়। বর্তমানে নিউজার্সি-বাসী।



সন্দীপ মিত্র (জন্মঃ ১৯৫৯) একটি হাই-স্কুলে ইংরেজির শিক্ষক।



শম্পা ভট্টাচার্য থাকেন নিউ জার্সিতে। নেশা-- বই-পড়া।



শম্পা ভট্টাচার্য -- জন্ম ১৯৬৩ খ্রীঃ কলকাতায়। অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা কলকাতায়। নাট্য বিষয়ে ডক্টরেট ও নাট্য শোধ ও সংস্থানের পূর্বতন রিসার্চ ফেলো। কলকাতা ও অন্যান্য জায়গার পত্রপত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে নাট্য ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ লিখছেন। লেখিকার প্রথম গ্রন্থ 'শচীন সেনগুপ্তের নাট্যভাবনা ও সমাজ চিন্তা'। ব্রাত্য বসু : নাটক থেকে নাট্যে / নতুন শতাব্দীর অন্তর্ঘাত নামে একটি বই ২০১৫ বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে।



শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ, গদ্য লিখে থাকেন। কোমলগান্ধার পত্রিকার সম্পাদক। মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের ভ্রমণসমগ্র বইটি সম্পাদনা করেছেন।



শ্রেয়সী চক্রবর্তী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি স্তরে গবেষণা করছেন। নেশাঃ বই, বই, এবং আরো বই।



সঞ্চারী মুখার্জী সিটি সাউথ কলেজ থেকে বি. কম. (একাউন্‌টেন্সি) করে এখন কোম্পানি সেক্রেটারিশিপ পড়ছেন। ফাইন আর্টস-এ ডিপ্লোমা করেছেন। সম্প্রতি তাঁর আঁকা ছবি 'শ্রী' গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে।



অত্যন্ত দুঃখের কথা সন্ধ্যা ভট্টাচার্য আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তাঁর ছেলে দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়ঃ "মা একেবারে পরিণত বয়সে, যখন আমি শিলং-এ পোস্টিং পেলাম ১৯৯৪ সালে, সেই তখন আমার কাছে থাকতে এসে যখন সংসারের সব কাজ থেকে নিস্তার পেলেন তখন এ ডায়েরিগুলো লিখতে শুরু করেন। তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে সুদীর্ঘ কয়েক দশকের ইতিকথা লিখেছেন ব্যক্তি-সমাজ ও চেতনার বিবর্তনের ছবি দিয়ে চারটি ডায়েরিতে।"



সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ প্রযুক্তিবিদ্যার প্রাক্তন ছাত্র ও বর্তমানে চলচ্চিত্রবিদ্যার অধ্যাপক। প্রকাশিত গ্রন্থঃ স্থানাঙ্ক নির্ণয়, অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন, অন্যান্য ও ঋত্বিকতন্ত্র, ইত্যাদি। ইদানীং আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর ব্লগ 'বকম্‌ বকম্‌'।




সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। শিবপুরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বম্বে আই আই টি থেকে এম টেক এবং পরে হোমি ভাবা থেকে পি এইচ ডি। গবেষণার বিষয় সিগ্ন্যাল/ সিস্টেম মডেলিং। ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। লেখালেখি মোটামুটি নিজস্ব তাড়নায়। কেউ ভাল বললে ভাল লাগে, না বল্লেও ক্ষতি নেই। অহংকার, দীপন, অববাহিকা, “কফিহাউস”, “এ মাসের কবিতা” ইত্যাদি নানা পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করেছেন।



সুবীর বোস পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইটি ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। দেশ-এ একাধিকবার, এবং কবিসম্মেলন ও বিভিন্ন ওয়েবজিন-এ তাঁর কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইঃ আঙুলের সংলাপ (সপ্তর্ষি প্রকাশনা), ভাঙা কলমের আন্তরিকে (গল্প; সৃষ্টি)।




সুনন্দন চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৫৭। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। আচার্য গিরিশ চন্দ্র বসু কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। লেখালিখি বিক্ষিপ্তভাবে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে।



স্বপন রায়-এর জন্ম ১৯৬৭; উঃ ২৪ পরগণার নবপল্লীতে থাকেন। ফিশারিজ-এ মাস্টার্স, পেশায় ক্ষুদ্র-ব্যবসায়ী। প্রকাশিত কবিতার বইয়ের মধ্যে আছে--বঞ্চিত ভালোবাসা, সে এসেছিল নীরবে, এবং পরবাসী। এছাড়াও কিন্ডারগার্টেন ক্লাসের বাংলা পাঠ্যপুস্তকে এঁর লেখা ছড়া আছে।



(পরবাস-৬৫, ডিসেম্বর ২০১৬)





এই লেখা আপনাদের কেমন লাগল?

Subscribe for updates to Parabaas: