ISSN 1563-8685




লেখক ও শিল্পী পরিচিতি





অতনু দে পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। জন্মসূত্রে কলকাতার, কর্মসূত্রে প্রায় পনেরো বছর কলকাতার বাইরে। কিন্তু অবসর সময় মন ঘুরে বেড়ায় সাহিত্যের খোলা আলো-ঝলমল বারান্দায়। নানান সময় নানান লেখালেখি করেছেন – কবিতা, প্রবন্ধ, কিন্তু গল্প লেখা এই প্রথম। সাহিত্য ছাড়া চলচ্চিত্র নিয়ে লেখালেখি করেছেন একসময়।



অমিতাভ প্রামাণিক বেঙ্গালুরুতে থাকেন।



পেনসিলভানিয়া থেকে অনন্যা দাশ। প্রকাশিত বই Lingering Twilight (with photographs by Arunangshu Das), রামধনুর রূপকথা, পিকনিকে আতঙ্ক, হিরের থেকে দামী, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান, মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ, ইন্দ্রজালের নেপথ্যে, Bantul the Great (translation of Narayan Debnath's famous comic series)



অঞ্জলি দাশের জন্ম বাংলাদেশে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজি-তে মাস্টার্সের পরে কলকাতায় চলে আসেন ১৯৭৮ সালে। কিশোর বয়েস থেলে লেখালিখি করলেও এ-পারে আসার পরে সিরিয়াসলি কবিতা লেখা শুরু করেন, ছোটো বড়ো নানা পত্রিকায়, পাশাপাশি গত কয়েক বছর গল্প-উপন্যাসও। 'বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার' ও 'পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার' পেয়েছেন। ৫-টি কবিতা বই; দে'জ থেকে 'শ্রেষ্ঠ কবিতা'ও আছে তার মধ্যে।



অংকুর সাহা: কবিতা শ্রমিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। গ্রন্থের সংখ্যা সাত।



অনুষ্টুপ শেঠ--কলকাতায় বড় হওয়া, কর্মসূত্রে বহুকাল মুম্বাই প্রবাসী। বই, বাংলা সাহিত্য হল ভালবাসা। মূলত কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে। প্রকাশিত ছেলেদের ছড়ার বইঃ 'ভূতোর বই' (ঋতবাক্‌, ২০১৭)



ভাস্কর বসুর জন্ম কলকাতায়, বেড়ে ওঠা দক্ষিণ চব্বিশ-পরগনার রাজপুর-সোনারপুর অঞ্চলে। ১৯৮৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনীয়ারিং পাস করে কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে। শখের মধ্যে অল্প-বিস্তর বাংলাতে লেখা - অল্প কিছু লেখা রবিবাসরীয় আনন্দবাজার, উনিশ-কুড়ি, নির্ণয়, দেশ, ইত্যাদি পত্রিকায় এবং বিভিন্ন ওয়েব ম্যাগাজিন (সৃষ্টি, অবসর, অন্যদেশ, ইত্যাদিতে) প্রকাশিত। সম্প্রতি একটি নিজস্ব ব্লগ শুরু হয়েছে।



বিশ্বদীপ চক্রবর্তী পেশায় ইঞ্জিনীয়ার, নেশায় লেখক। প্রধানত গল্পকার, কিছু নাটকও মঞ্চস্থ হয়েছে। গল্প প্রকাশিত হয়েছে দেশ, বর্তমান, সানন্দা, কথা সোপান, দূকুল, পরিচয়, বাতায়ন এবং আরও পত্রপত্রিকায়। নাটক 'রণাঙ্গন' এবং 'ঘুঘুডাঙ্গা' বেশ কয়েকবার মঞ্চস্থ হয়েছে। উত্তর অ্যামেরিকার কবি ও সাহিত্যিকদের সম্মেলন কথামালা পরিচালনা করেছেন ২০১৮-তে। থাকেন অ্যান আরবার, মিশিগান।



ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত আমেরিকায় থাকেন।



উদয় চট্টোপাধ্যায় খড়গপুর আই. আই. টি. থেকে মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর স্নাতক এবং ডক্টরেট, এবং সেখানেই বিগত চারদশক অধ্যাপনার পর সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন। ছাত্র এবং কর্মজীবনে তাঁর সাহিত্যচর্চা চলেছে সমান্তরালভাবে। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা তিন, এবং একটি রম্যরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। পেশাগত বিষয়ে তাঁর লেখা বই 'Environmental Degradation of Metals' (Marcel Dekker Inc, 2001) এবং সম্প্রতি প্রকাশিত 'ধাতুর কথা'।



কোয়েল দত্তর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায়। পেশায় কেমিকাল এঞ্জিনিয়র--ডিজাইন ও ডেভেলাপমেন্ট-এ মুম্বাইয়ের একটি অ্যাগ্রো-কেমিকাল কোম্পানিতে কাজ করেন। নেশা--বেড়ানো, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়া, লেখা-লেখি।



কৌশিক ভট্টাচার্য আই এস আই কলকাতা-র ছাত্র। একসময়ে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে আই আই এম লখনৌ-য়ে অর্থনীতির অধ্যাপক। কবিতা লেখা এবং ইংরেজি কবিতার বাংলা অনুবাদ করা কৌশিকের শখ।



কৌশিক সেন পেশায় কর্কট-রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেও নেশা কবিতা, ছড়া, বই পড়া। নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।



কুমকুম সরকার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রবন্ধ লেখেন।



বন্দনা মিত্র--পেশায় মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনীয়ার, শিবপুর বি ই কলেজ ও তারপর আই আই টি খড়গপুর। কাজ করেন রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম লিমিটেড, এক পাবলিক সেক্টর আনডারটেকিং-এ। বর্তমানে কলকাতায় পোস্টিং, তবে কাজের সূত্রে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরতে হয়েছে। লেখালিখি আমার শখ, লিটল ম্যাগাজিন, ওয়েব ম্যাগাজিন, আনন্দবাজার ওয়ান স্টপ এ কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। কবিতার একটি বই ও প্রকাশিত হয়েছে "কালপুরুষ কি জাগছে আজ"




বিশ্বজিৎ মণ্ডল থাকেন বহরমপুর, মুর্শিদাবাদে। সম্পাদনাঃ গদ্যের কাগজ 'গল্পনগর', পদ্যের কাগজ 'লাঙল'। প্রকাশিত বই ছ'টি--'শীতের মেয়েটি', 'অসমাপ্ত স্কেচ', 'জিবরাইলের ডানা' ইত্যাদি।



ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা জন্ম থেকেই প্রবাসী। দিল্লীতে বড়ো হওয়া, এখন ওমাহা নেব্রাস্কাতে প্যাথোলজির চিকিৎসক এবং অধ্যাপক। বই ও ম্যাগাজিন পড়ার নেশা, আরো এক বড়ো নেশা হলো দূর দূর দেশে ভ্রমণ। গ্যালাপাগোস, আমাজনের জঙ্গল, ম্যাডাগাস্কার, পাপুয়া-নিউগিনি, ঘানা, ইসতান্‌বুল, প্রভৃতির পরে এখন স্বপ্ন আউটার মঙ্গোলিয়া। তাছাড়া, এবারে ঘাড়ে চেপেছে পাখি দেখার নেশা।



ভবভূতি ভট্টাচার্যের জন্ম হুগলি জেলার এক গ্রামে। পড়াশুনো কলকাতায়। এক আধা-সরকারী সংস্থায় চাকুরিসূত্রে বহু বৎসর ছিলেন উত্তরভারতের গোরক্ষপুর, পাটনা প্রভৃতি স্থানে, এখন কলিকাতায়। নানান বিষয়ে পড়তে ভালোবাসেন, ও তা পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। গল্প, প্রবন্ধ, রম্যরচনা লিখে থাকেন, ভূতের গল্প লিখতে ভালোবাসেন খুব, যদিও সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছোটোদের গল্প। ইতিহাসের তন্নিষ্ঠ ছাত্র। আর ভক্ত 'পাক্কা গানা'-র।



ধূপছায়া মজুমদারের নিজের কথায়--"একসময় ছিলাম ইঞ্জিনিয়ার, কারখানা গড়ার কাজ করতাম। বছরতিনেক হলো সেকাজে স্বেচ্ছাবিরতি নিয়ে একটি ছোট্ট মানুষকে গড়ে তোলার কাজে মন দিয়েছি। পড়া আর লেখা হলো নেশা, সবচেয়ে ভালবাসি ছোট্ট বন্ধুদের জন্য লিখতে।"



দিবাকর ভট্টাচার্য - জন্ম ১৯২৮, ২২ নভেম্বর। ২৪ পরগণার জয়নগর-মজিলপুরে। আসল নাম হরেরাম ভট্টাচার্য হলেও দিবাকর ভট্টাচার্য নামেই সমধিক পরিচিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ.। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। স্নাতক স্তরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন যথাক্রমে রানাঘাট কলেজ, খড়গপুর কলেজ ও পরে দমদম মতিঝিল কলেজে। আজীবন মানবতাবাদী দিবাকর ভট্টাচার্য পরিণত বয়সে গান্ধীবাদী দর্শনে স্থিত হন। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত, জনপ্রিয় এই মানুষটির অনায়াস বিচরণ ছিল ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান সহ বিবিধ বিষয়ে। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করেছেন দিবাকর। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। অথচ তাঁরই স্পষ্ট নির্দেশানুসারে জীবৎকালে তাঁর একটিও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রে গভীর প্রত্যয়ী এই মানুষটি বিরোধী ছিলেন সমস্ত গতানুগতিকতার। এই প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব আজীবন সমস্তরকম হিংসার বিরোধিতা করে এসেছেন অনমনীয় দৃঢ়তায়। নিঃসঙ্গ, প্রতিবাদী এই মানুষটি প্রয়াত হন ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি।



দীপঙ্কর ঘোষ কোনদিন ছবি আঁকা শেখেননি। ছবি লেখেন মনের আনন্দে ছোটবেলা থেকে। স্ট্যাটিসটিক্স, ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার নিয়ে পড়াশুনা করে চাকুরি জগতের গুরু দায়িত্বে থেমে যায় সেই শখ! অবসর জীবনে আবার ধরেছেন পেন্সিল তুলি। পোর্ট্রেট বানান চারকোল পেন্সিলে। কখনো অন্য ছবিতে ব্যবহার করেন রং, এমনকী কাপের তলানিতে পড়ে থাকা কফি। সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের Memoirs of Madhupur বইটির প্রচ্ছদ অলংকরণ তাঁর।



দেবায়ন চৌধুরী দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি কলেজে বাংলার অধ্যাপক। কলকাতায় থাকেন।



হাসান জাহিদের গল্প এবং বাংলা/ইংরেজিতে অসংখ্য প্রবন্ধ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রপত্রিকায়, সাপ্তাহিক পত্রিকা/সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা, কোলকাতা ও টরোন্টোর পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে কয়েকটি গ্রন্থের প্রণেতা তিনি। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‌`প্রত্নপ্রাচীন ‌দেবী’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে।

জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫, ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে সম্মানসহ এমএ। বর্তমানে কানাডার টরোন্টো শহরে স্থায়িভাবে বাস করছেন। তিনি বাংলাদেশ ও কানাডার নাগরিক। সাংবাদিকতার পেশায় কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি সরকারের পরিবেশ দপ্তরে যোগ দেন, ও পৃথিবীর নানা দেশে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন।

হাসান জাহিদ টরোন্টো-ভিত্তিক ওয়েব ম্যাগাজিন 'উত্তরাধুনিক'-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৪ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'জাদুবাস্তবের পদাবলি' ব্যাপক প্রসংশা লাভ করে। হাসান জাহিদ কথাসাহিত্যে (গল্পগ্রন্থঃ বোরোফেগাস ও আধুনিক আদম মানব) দেশ-প্রকাশনী পুরস্কার-২০১৪ লাভ করেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে আশির দশকের গল্পকার হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।




মৈত্রেয়ী দেবনাথ জন্মসূত্রে খড়্গপুর নিবাসী, বর্তমানে সুভাষগ্রামে থাকেন। পেশা শিক্ষকতা, চাকরি, সংসার আর সন্তান সামলিয়ে অবসরে লেখালেখি করতে ভালোবাসেন।




অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মচারী মলয় সরকার থাকেন সোদপুর, উত্তর ২৪ পরগণাতে। খড়গপুর আই আই টি থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর। 'জ্ঞান ও বিজ্ঞান', ই-ম্যাগাজিন 'অন্য নিষাদ' ও অন্যান্য পত্রিকাতে লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে লেখালেখি ও সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত।




মৌসুমী দেবনাথ: বৈবাহিক কারণবশতঃ এখন মৌসুমী মণ্ডল দেবনাথ। ত্রিপুরার ছোট্ট সাবডিভিশনাল টাউন, সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র ধর্মনগরে স্কুলজীবন কেটেছে। ত্রিপুরায় স্কুল, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নিয়ে অনার্স /এম.এ., তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের School of Women's studies থেকে M.Phil. করেছি। এখন ফুলটাইম সংসার আর লেখালেখি নিয়ে যুদ্ধ; 'প্রবাহ' পত্রিকার সম্পাদক।




মুরাদুল ইসলাম এর জন্ম বাংলাদেশে। সিলেট বিভাগের জগন্নাথপুর উপজেলায়। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবম্যাগে লিখেই তার লেখালেখির শুরু। প্রকাশিত একমাত্র গল্প সংকলন “মার্চ করে চলে যাওয়া একদল কাঠবিড়ালী” সৃষ্টিসুখ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। তার আরো কিছু বই - উপন্যাস ‘রাধারমন এবং কিছু বিভ্রান্তি’ ‘কাফকা ক্লাব’ ইত্যাদি।



নিবেদিতা দত্তঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম,এ,। লেখালিখি, সেতার বাজানো এবং ছবি আঁকায় শখ। আই,আই,টি, খড়গপুরে থাকেন।



নীলাঞ্জনা বসু ওরফে নীলুর বাড়ি কলকাতা। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পি এইচডি করে এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত।



নিরুপম চক্রবর্তী ভারতবর্ষে বসবাস করেন, সম্প্রতি প্রবাসে দুবছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন সমাপ্ত করে আপাতত তিনি স্বস্থানে স্থিত। জনশ্রুতি এইরকম যে তিনি স্বদেশে ও বিদেশে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক ও সাম্মানিক অধ্যাপক পদে আসীন। প্রথাগত অশিক্ষার শুরু ভারতবর্ষে ও সমাপ্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ও ইংরিজী ভাষায় বর্ণপরিচয় ও ফার্স্টবুক পাঠ সমাপ্ত করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ--'নিজস্ব বাতাস বয়ে যায়!' ও কিছু নির্বাচিত কবিতার ইংরিজি ও ফিনিশ ভাষায় অনুবাদ: Enchantress.



পূর্বিতা পুরকায়স্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। দীর্ঘ পনের বছর পরে আবার কবিতা লেখা শুরু করেছেন। কলকাতা ও গুয়াহাটির কয়েকটি লিটল ম্যাগাজিনে সেগুলি প্রকাশিত হয়েছে।




বাসবী চক্রবর্তী রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগে অধ্যাপনা করেন। অ্যাকাডেমিক স্তরে সমাজতত্ত্বের বাইরে তাঁর আগ্রহের ক্ষেত্র হল মানবীবিদ্যা। এই দুটি বিষয়ের ওপর একাধিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন। এছাড়া, বিভিন্ন ছোট পত্রিকায় কবিতা-বিষয়ক প্রবন্ধ লিখেছেন। অনুবাদ করেছেন অন্য ভাষার কবিতা। সাহিত্য-অকাদেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে দুটি অনুবাদ-গ্রন্থ। সম্পাদনা করেছেন প্রয়াত কবি ভাস্কর চক্রবর্তীর 'গদ্যসমগ্র' (যুগ্মভাবে) এবং 'নির্বাচিত ভাস্কর চক্রবর্তী' (উর্বী প্রকাশন)।



রবিন পাল (জন্ম ১৯৪২) চল্লিশ বছর নানা বিদ্যায়তনে অধ্যাপনার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ থেকে প্রফেসর পদে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৪-এ। বাংলা ও ইংরাজি ভাষায় বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যার কিছু অনূদিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ভারতবর্ষের নানা প্রদেশে এবং জার্মানীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। রচিত গ্রন্থাদি — কবিতার দেশ-বিদেশ, কল্লোলিত ছোটগল্প, র‍্যালফ্‌ ফক্স: রাজনীতি সংস্কৃতি ভারতনীতি, পাবলো নেরুদা: বঙ্গীয় বাতায়ন ও বিক্ষুব্ধ নীলিমা, কথাসাহিত্যে চিত্রকল্প, পাঠসারণিতে মতি নন্দী, উপন্যাসের উজানে, বাংলা ছোটগল্প: কৃতী ও রীতি, অচিন্ত্য সেনগুপ্ত (সাহিত্য আকাদেমি), যুগলবন্দী: স্পেনীয় ও ভারতীয় সাহিত্য, বিষয়: রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের পথে পথে, উপন্যাসের বর্ণময় ভূবন, উপন্যাস: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বিদেশীদের চোখে রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের বিন্দু বিশ্ব ও উপন্যাস চিন্তা : পাঁচজন আধুনিক কবি । সম্পাদনা করেছেন - লাল সালু বিষয়ক নানা নিবন্ধ, উইস্‌ লাওয়া জিমবোর্স্কার কবিতা। অনূদিত বই — ব্রাজিলের কবিতা, নিক্সন নিধন নিয়ে জেহাদ এবং চিলির বিপ্লব বন্দনা (পাবলো নেরুদা)।



রাজীব চক্রবর্তী 'পরবাস'-এর একজন অন্যতম সদস্য।



রাহুল মজুমদার - জন্ম ১৯৫৩ সালে। গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেছেন। লেখালিখির শুরু ৭৮ সাল থেকে। মূলতঃ সন্দেশ পত্রিকা দিয়েই শুরু। পরে আরও অনেক ছোটদের পত্রিকায় লেখালিখি ও অলংকরণের কাজ করেন। লেখালিখি ও আঁকা ছাড়াও পাহাড় চড়ার শখ। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে: হাঁউ-মাঁউ-খাঁউ, পেটুক খরগোশ, ক্ষুদে রাজপুত্তুর, হিমালয় পায়ে পায়ে, এবং পাহাড় যখন প্রতিপক্ষ



রঞ্জন রায় (১৯৫০); এম এ (অর্থনীতি); এল এল বি ও সিএআই আইবি (মুম্বাই)। জন্ম--কোলকাতা। তিনটি স্কুল পেরিয়ে হায়ার সেকন্ডারি পাশ। কলেজ কোলকাতার দুটো ও ছত্তিশগড়ের তিনটে। গ্রামীণ ব্যাংকে ৩৪ বছর চাকরির সুবাদে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে-গঞ্জের আনাচে কানাচে ঘোরাঘুরি। বর্তমানে কোলকাতায়। বুড়ো বয়সে বাংলালেখা শুরু ওয়েব ম্যাগাজিনে। বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালি ও অবশেষে পরবাসে। এই বছর প্রথম প্রকাশিত বই "বাঙাল জীবনের চালচিত্র" (গাঙচিল)। নকশাল আন্দোলনের নারীবাদী দৃষ্টিকোণের উপন্যাস "বেঁচে আছি, প্রেমে -অপ্রেমে" (পান্ডুলিপি)। হিন্দি থেকে অনুবাদঃ কুরু কুরু স্বাহা (পাণ্ডুলিপি); রাগ দরবারী (পাণ্ডুলিপি)।



রঞ্জন ভট্টাচার্য -- পেশায় ডাক্তার রঞ্জন ভট্টাচার্যের বসবাস কলকাতায়। ডাক্তারি ব্যস্ততার ফাঁকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। মহাভারতের একজন নিবিষ্ট পাঠক। ।



সাবর্ণি চক্রবর্তী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের NABARD বিভাগ থেকে বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। কলকাতায় থাকেন। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ - পালান ফিরিওয়ালার বিক্রির বৃত্তান্ত, বনের ভিতর বাড়ি, দৃষ্টিকোণ ও অন্যান্য, Moonstruck and Other Short Stories



সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের বাল্যজীবন একেবারে অন্যরকম। মধুপুরে (এখনকার ঝাড়খণ্ডে) দাদুর (ব্রিটিশ আমলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে ইংরেজি, সংস্কৃত আর অঙ্ক শিখেছেন। বারো বছর বয়েস অবধি কোনো ইস্কুলে যাননি। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ, পুনের ফার্গুসন কলেজ, দিল্লীর আইআইটি, এবং আমেরিকার রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। ছেলেবেলার স্বাধীনতা ও বিচরণক্ষেত্র ছিল অবাধ -- মধুপুরের আদিবাসী ও সাধারণ লোকজনেদের সঙ্গে। সেইসব বিচিত্র অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর বই Memoirs of Madhupur / Mid-Century Vignettes from East of India ২০১৮-সালে প্রকাশিত হয়েছে।



সমীর ভট্টাচার্যের জন্ম, স্কুল, কলেজ পশ্চিমবঙ্গে। তার পরের পড়াশোনা দিল্লী ও আমেরিকায়। বর্তমানে নিউজার্সি-বাসী।



সঞ্চারী মুখার্জী সিটি সাউথ কলেজ থেকে বি. কম. (একাউন্‌টেন্সি) করে এখন কোম্পানি সেক্রেটারিশিপ পড়ছেন। ফাইন আর্টস-এ ডিপ্লোমা করেছেন। সম্প্রতি তাঁর আঁকা ছবি 'শ্রী' গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে।



অত্যন্ত দুঃখের কথা সন্ধ্যা ভট্টাচার্য আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তাঁর ছেলে দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়ঃ "মা একেবারে পরিণত বয়সে, যখন আমি শিলং-এ পোস্টিং পেলাম ১৯৯৪ সালে, সেই তখন আমার কাছে থাকতে এসে যখন সংসারের সব কাজ থেকে নিস্তার পেলেন তখন এ ডায়েরিগুলো লিখতে শুরু করেন। তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে সুদীর্ঘ কয়েক দশকের ইতিকথা লিখেছেন ব্যক্তি-সমাজ ও চেতনার বিবর্তনের ছবি দিয়ে চারটি ডায়েরিতে।"



সন্তু ঘোষ কলকাতা নিবাসী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। পেশা - ফেরিওয়ালা (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ)। কাজের সূত্রে দেশে এ-প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়তে দৌড়তেই লেখালিখি বা লেখালিখির চেষ্টা। তবে এটাও সত্যি যে কাজের চাপে লেখালিখির সময় বড্ড কম। তারই মধ্যে কখনও... তাঁর কবিতা ছাপা হয়েছে "সৃষ্টি পুজো সংখ্যা" আর "আদরের নৌকা"তে।



সন্দীপ মিত্র (জন্মঃ ১৯৫৯) একটি হাই-স্কুলে ইংরেজির শিক্ষক।



শান্তা মুখোপাধ্যায় বর্তমানে টাকি সরকারী কলেজে রসায়নের অধ্যাপিকা ও বিভাগীয় প্রধান। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স থেকে ডক্টরেট ডিগ্রীর পর উচ্চশিক্ষার্থে জাপান ও ইতালী যাবার সুযোগ হয়েছে। ভালোবাসেন বই পড়তে আর মনে মনে স্বপ্ন বুনতে। ২০১৮তে প্রকাশিত হয়েছে কবিতার বই, "কিছু কথা হয়ত বা কবিতা" এবং ছোটগল্পের বই, "সই"।



শ্যামশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বনামধন্যা রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভগ্নিকন্যা। তাঁর পিতা ছিলেন বিশ্বভারতী হাসপাতালের সম্মানিত চিকিৎসক। ফলে শান্তিনিকেতনেই তাঁর জন্ম, স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত শিক্ষাগ্রহণ, বেড়ে-ওঠা। তিনি সংগীতভবনেও রবীন্দ্রসংগীতে যথানির্দিষ্ট শিক্ষাগ্রহণ করেন। আশ্চর্য কণ্ঠের অধিকারিণী এই আশ্রমকন্যাকে তাঁর গায়নভঙ্গি, সুরের বিশুদ্ধতা ও স্বরপ্রয়োগের বিশিষ্টতার কারণে অনেকেই কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্থক উত্তরসূরি মনে করেন।



সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। শিবপুরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বম্বে আই আই টি থেকে এম টেক এবং পরে হোমি ভাবা থেকে পি এইচ ডি। গবেষণার বিষয় সিগ্ন্যাল/ সিস্টেম মডেলিং। ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। লেখালেখি মোটামুটি নিজস্ব তাড়নায়। কেউ ভাল বললে ভাল লাগে, না বল্লেও ক্ষতি নেই। অহংকার, দীপন, অববাহিকা, “কফিহাউস”, “এ মাসের কবিতা” ইত্যাদি নানা পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করেছেন।



সৌম্যেন ভট্টাচার্য্য কলকাতায় থাকেন।



সুবীর বোস পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইটি ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। দেশ-এ একাধিকবার, এবং কবিসম্মেলন ও বিভিন্ন ওয়েবজিন-এ তাঁর কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইঃ আঙুলের সংলাপ (সপ্তর্ষি প্রকাশনা), ভাঙা কলমের আন্তরিকে (গল্প; সৃষ্টি)।




সুব্রত সরকারের জন্ম ৮ই অক্টোবর, ১৯৬৩ খড়গপুর। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। বর্তমানে কর্মসূত্রে ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের অফিসার। লেখালেখির সূচনা সেই প্রথম যৌবনে। প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ আমার উত্তরপুরুষ এবং অন্যান্য গল্প, ১৯৯৭। এ যাবৎ প্রকাশিত তাঁর গল্পগ্রন্থের সংখ্যা ছয়। প্রিয় নেশা ভ্রমণ। প্রিয় সখ অচেনা-অজানা মানুষের সান্নিধ্য। নির্জনতাপ্রিয় এই লেখকের পরমবান্ধব বই গান থিয়েটার।



সুদীপ্ত বিশ্বাস, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, রাণাঘাট, নদিয়া। অনেকদিন ধরে কবিতা লিখছেন, বাণিজ্যিক পত্রিকাতে প্রকাশিতও হয়েছে। বই আছে সাতটি।



সুরজিৎ মণ্ডল: সাগরপাড়া, মুর্শিদাবাদ; পেশা: শিক্ষকতা; শখ: লেখালেখির চেষ্টা করা।



নাম: সুস্মিতা কুণ্ডু। পরিচিতি: "একটি আড়াই বছরের সন্তানের জননী। বর্তমানে আমেরিকায় থাকি, বাড়ি হাওড়াতে। বছর তিনেক আগে কলকাতার ‘সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’ থেকে পদার্থবিদ্যায় ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছিলাম। শিশু-কিশোর সাহিত্য পড়তে ও লিখতে ভালোবাসি।"



তাসনিম রিফাত। জন্ম ১৯৯৮ এর ১৪ অক্টোবর, বাংলাদেশের কুমিল্লায়। এখনো পড়াশুনা করছেন। মূলত কবিতা লিখলেও মাঝেমাঝে গল্পে হাত দেওয়া হয়। লেখালেখি করেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, লিটলম্যাগে, ওয়েবজিনে। ভালোবাসেন রুশ উপন্যাস, স্পেনিশ কবিতা আর গিটারের সুর। একমাত্র কবিতার বই 'দুঃখবোধের ঘড়ি' প্রকাশিত হয় ২০১৭ এর একুশে বইমেলায়।



যশোধরা রায়চৌধুরী আজন্ম কলকাতায় - উচ্চমাধ্যমিক লেডি বেবোর্ন-এ, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শন-এ প্রথম বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। ইণ্ডিয়ান অডিট অ্যাণ্ড অ্যাকাউন্ট সার্ভিসে সরকারি কাজের সঙ্গে বিরোধহীনভাবে লেখালেখি। প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। প্রকাশিত কবিতার বই: মাতৃভূমি বাম্পার (সপ্তর্ষি, ২০১৫),পণ্যসংহিতা (কবিতা পাক্ষিক, ১৯৯৬), পিশাচিনীকাব্য (কবিতা পাক্ষিক, ১৯৯৮), রেডিওবিতান (প্রমা, ১৯৯৯), চিরন্তন গল্পমালা (কবিকথা, ১৯৯৯), আবার প্রথম থেকে পড়ো (আনন্দ, ২০০১), মেয়েদের প্রজাতন্ত্র (সপ্তর্ষি প্রকাশন, ২০০৫), ভার্চ্যুয়ালের নবীন কিশোর (আনন্দ, ২০১০)। ১৯৯৮ সালে কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০০৬ সালে বাংলা আকাদেমির অনিতা-সুনীলকুমার বসু পুরস্কার। প্রকাশিত অন্যান্য বই, ছোটদের জন্য 'বুঞ্চিল্যাণ্ড'। 'মেয়েদের কিছু একটা হয়েছে' (গল্পসংকলন) এবং অনুবাদ করেছেন 'লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'। ২০১৪ সালে বেরিয়েছে সলিটেয়ার নামে গল্প সংকলন। বই পড়া ও লেখালেখি ছাড়া (যেটা আর শখ নেই, কাজ হয়ে গেছে) অন্য শখ রান্নাবান্না, সেলাই-ফোঁড়াই, ফরাসি ভাষা ও অন্যান্য লাতিন ভাষা চর্চা।



(পরবাস-৭১, ৩০ জুন ২০১৮)