ISSN 1563-8685




লেখক ও শিল্পী পরিচিতি





ঐশী রায় এখনও ছাত্রী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পাঠরতা। হাওড়ার বাসিন্দা, বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের কিছু পর্যায় নিয়ে আগ্রহ আছে। শখ লেখালিখি আর গান। ব্লগ - https://hiraethquest.wordpress.com/



অমিতাভ সেন পরবাস-এর শুরু থেকেই নানা কার্টুন, স্কেচ ও লেখা (ইংরেজিতে, যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে) দিয়ে আসছেন। শিকাগোর 'Spinor Capital LLC' নামের আর্থিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে অনেকদিন ধরে একটি সুইস ব্যাংকে কাজ করেছেন। তারও আগে, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদের উপরে তাঁর গবেষণা কোয়ান্টাম মহাকর্ষের এক মৌলিক তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে।



অতনু দে পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। জন্মসূত্রে কলকাতার, কর্মসূত্রে প্রায় পনেরো বছর কলকাতার বাইরে। কিন্তু অবসর সময় মন ঘুরে বেড়ায় সাহিত্যের খোলা আলো-ঝলমল বারান্দায়। নানান সময় নানান লেখালেখি করেছেন – কবিতা, প্রবন্ধ, কিন্তু গল্প লেখা এই প্রথম। সাহিত্য ছাড়া চলচ্চিত্র নিয়ে লেখালেখি করেছেন একসময়।



অমিতাভ প্রামাণিক বেঙ্গালুরুতে থাকেন।



পেনসিলভানিয়া থেকে অনন্যা দাশ। প্রকাশিত বই Lingering Twilight (with photographs by Arunangshu Das), রামধনুর রূপকথা, পিকনিকে আতঙ্ক, হিরের থেকে দামী, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান, মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ, ইন্দ্রজালের নেপথ্যে, Bantul the Great (translation of Narayan Debnath's famous comic series)



অঞ্জলি দাশের জন্ম বাংলাদেশে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজি-তে মাস্টার্সের পরে কলকাতায় চলে আসেন ১৯৭৮ সালে। কিশোর বয়েস থেলে লেখালিখি করলেও এ-পারে আসার পরে সিরিয়াসলি কবিতা লেখা শুরু করেন, ছোটো বড়ো নানা পত্রিকায়, পাশাপাশি গত কয়েক বছর গল্প-উপন্যাসও। 'বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার' ও 'পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার' পেয়েছেন। ৫-টি কবিতা বই; দে'জ থেকে 'শ্রেষ্ঠ কবিতা'ও আছে তার মধ্যে।



অংকুর সাহা: কবিতা শ্রমিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। গ্রন্থের সংখ্যা সাত।



আনন্দ সেন মিশিগানের অ্যান আরবার শহরের বাসিন্দা এবং পেশায় ইউনিভার্সিটি অফ্ মিশিগানে বায়োস্ট্যাটিস্টিক্সের অধ্যাপক। কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্‌স্টিটিউটের স্নাতক আনন্দ পি এইচ ডি করতে আমেরিকাতে আসেন তিরিশ বছরেরও বেশী আগে। ছাত্র পড়ানো এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণার সাথে সাথে শখ লেখালেখি আর অভিনয়। মূলতঃ কবিতা লেখেন। পেশাগত কাজ এবং প্রাত্যহিকতায় নুয়ে যেতে যেতেও হঠাৎ করেই দ্বারস্থ হন অভ্র কিবোর্ডের। দর্শক এবং পাঠকের মন ভরাতে পারুক বা না পারুক, নাটক এবং লেখা তাঁকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। প্রতিদিন।



অনন্যা দত্ত আই,আই, টি খড়্গপুর ক্যাম্পাসে থাকেন। মানসিক বিকাশ কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় স্কুলের পড়া হয়নি। ছবি আঁকতে ও গান গাইতে ভালবাসেন।



অনিন্দ্য বসু - কলোরাডো নিবাসী। পেশায় প্রযুক্তিবিদ। ভাল গান শুনতে, বিশেষতঃ দুষ্প্রাপ্য শাস্ত্রীয় সংগীতের খোঁজে যে-কোন সময় কয়েক মাইল হাঁটতে রাজী। ভাল বইয়ের খোঁজেও তাই। তেমন তেমন সঙ্গী পেলে আড্ডায় বহু রাত কাবার করার অভিজ্ঞতা সেই ছেলেবেলা থেকে। মাঝে মধ্যে এই আড্ডা গপ্পের হাত ধরেই কিছু কিছু লেখা অসাবধানতা বশতঃ ছাপা কাগজের মুখ দেখেছে।



অনিরুদ্ধ চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৭৬ সালে হুগলি জেলার ছোটচৌঘরায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পেশায় তিনি একজন চাকুরিজীবি। লিটিল ম্যাগে লিখে লেখালিখির শুরু। প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়, পুরুলিয়া থেকে প্রকাশিত টুকলু পত্রিকায়। তারপর থেকে অজস্র গল্প নানা পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে মিশতে, মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়াতে তাঁর ভাল লাগে। সেই সব মানুষজন—যাদের আমরা দেখেও দেখি না, যাদের জীবনযাপন নেতান্তই অকিঞ্চিতকর বলে হেলাফেলা করি—তাদেরই গল্প বলেন অনিরুদ্ধ। এখনও পর্যন্ত একটিই গল্পগ্রন্থ তাঁর প্রকাশিত হয়েছে। সেটির নাম –মশাট ইস্টিশনের মার্টিন রেল। প্রকাশক, পরশপাথর।



অনুষ্টুপ শেঠ--কলকাতায় বড় হওয়া, কর্মসূত্রে বহুকাল মুম্বাই প্রবাসী। বই, বাংলা সাহিত্য হল ভালবাসা। মূলত কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে। প্রকাশিত ছেলেদের ছড়ার বইঃ 'ভূতোর বই' (ঋতবাক্‌, ২০১৭)



অপরাজিতা ভট্টাচার্য: : জন্ম : ১৯৭৬, কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং বি.এড.। ছাত্র জীবন থেকেই লেখালিখির শুরু। ‘দেশ’ সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত। প্রকাশিত গল্প সংকলন একটি। ভারতের বিভিন্ন শহরে থেকে বর্তমানে পুণের বাসিন্দা।



অপরাজিতার মণ্ডলের জন্ম শান্তিনিকেতনে। রবীন্দ্রসঙ্গীত, সাথে ধ্রুপদী শিক্ষার হাতেখড়িও সেখানে। রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষার পরবর্তী অধ্যায় কলকাতায় মিনু গুহের কাছে । মুম্বাই শহরে আসার পর 'প্রাঙ্গণ' স্কুল থেকে ডিপ্লোমায় প্রথম স্থান অর্জন করেন, পরীক্ষিকা সুচিত্রা মিত্রের হাতে। গত দুই দশকের ওপর রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষিকা ও গায়িকা। সম্প্রতি ভাবনা রেকর্ডস ওঁর গানের সিডি প্রকাশ করেছে, 'অনন্ততৃষ্ণা'।



অরণি বসুর জন্ম ১৯৫১ সালে। সত্তর দশকের বিশিষ্ট কবি। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ -- শুভেচ্ছা সফর, লঘু মুহূর্ত এবং ভাঙা অক্ষরের রামধনু।



অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্ধমানে। পড়াশোনা বর্ধমান, নরেন্দ্রপুর, ও শিবপুর বি,ই কলেজে। কবিতা ছাড়াও বিশেষ ভালোবাসার বিষয় হলো গানঃ রবীন্দ্রসঙ্গীত, হিন্দুস্থানী ও কর্নাটকী ক্লাসিকাল। প্রকাশিত কবিতার বই আপাত সুখের দৃশ্য




চৈতালি সরকার বর্ধমান জেলার বিল্বেশ্বর বিনোদলাল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স করেছেন।



ইন্দ্রনীল বক্সীর জন্ম -পড়াশুনা - বড় হওয়া - দুর্গাপুরে, বর্তমান বাস - বর্ধমান। পেশা - ব্যবসা। লেখালিখির অভ্যাস ১৭-১৮ বছর বয়স থেকে। কবিতা, গল্প, গদ্য লিখে থাকেন। প্রকাশিত কবিতা সংকলন - 'নজরমিনার', 'পিয়ানোঘুম', প্রকাশক - সৃষ্টিসুখ। পুরস্কার - 'বহুস্বর' আয়োজিত গল্প প্রতিযোগিতায় অনন্ত কুমার সরকার স্মৃতি পুরস্কার (প্রথম পুরস্কার)।



ভাস্কর বসুর জন্ম কলকাতায়, বেড়ে ওঠা দক্ষিণ চব্বিশ-পরগনার রাজপুর-সোনারপুর অঞ্চলে। ১৯৮৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনীয়ারিং পাস করে কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে। শখের মধ্যে অল্প-বিস্তর বাংলাতে লেখা - অল্প কিছু লেখা রবিবাসরীয় আনন্দবাজার, উনিশ-কুড়ি, নির্ণয়, দেশ, ইত্যাদি পত্রিকায় এবং বিভিন্ন ওয়েব ম্যাগাজিন (সৃষ্টি, অবসর, অন্যদেশ, ইত্যাদিতে) প্রকাশিত। সম্প্রতি একটি ব্লগ শুরু করেছেন, ভাবনা আমার পথ খুঁজে চলে



ডঃ বিশ্বেশ্বর কুণ্ডু অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। গবেষণার বিষয় ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাবিজ্ঞান। সাঁওতালী ভাষাচর্চায় বিশেষ আগ্রহী।



ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত আমেরিকায় থাকেন।



উদয় চট্টোপাধ্যায় খড়গপুর আই. আই. টি. থেকে মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর স্নাতক এবং ডক্টরেট, এবং সেখানেই বিগত চারদশক অধ্যাপনার পর সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন। ছাত্র এবং কর্মজীবনে তাঁর সাহিত্যচর্চা চলেছে সমান্তরালভাবে। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা তিন, এবং একটি রম্যরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। পেশাগত বিষয়ে তাঁর লেখা বই 'Environmental Degradation of Metals' (Marcel Dekker Inc, 2001) এবং সম্প্রতি প্রকাশিত 'ধাতুর কথা'।



কালীকৃষ্ণ গুহর জন্ম ১৯৪৩ সাল। পূর্ববঙ্গের (এখন বাংলাদেশ) রাজবাড়ি জেলার ছাইবাড়িয়া গ্রাম। ১৯৫৭ সালে, ছাত্রাবস্থা থেকে, কলকাতা শহরে। সাহিত্য ও আইনে স্নাতক। ১৯৬৫ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চাকরি। ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ। বাল্যকাল থেকেই সাহিত্যপাঠে উৎসাহী ও কবিতা লেখা শুরু। প্রথম কবিতার বই 'রক্তাক্ত বেদীর পাশে' ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত। তারপর থেকে বহু বই নিজের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকটি: হস্টেল থেকে লেখা কবিতা ...., পথনাটকের আসরে স্তব্ধতা। তিনটি প্রবন্ধের বই: পাঠবৃত্তে কালযাপন (২০১৩), নির্বাচিত গদ্য ও মলিন পাঠগ্রহণ। উল্লেখযোগ্য কোনো বলার মতো ঘটনা নেই, বিশেষ কোনো গৌরব নেই। ভালোবাসেন শুয়ে থেকে জীবন কাটাতে। শুয়ে শুয়েই বইপড়া, (সামান্য) লেখার চেষ্টা করা, গান শোনা - উচ্চাঙ্গ সংগীত, রবীন্দ্রসংগীত।



কিশোর ঘোষাল--পেশায় সিভিল ইঞ্জিনীয়ার, সেই সূত্রে ব্যাপ্ত এই দেশের আনাচে কানাচে বিচিত্র জীবন দর্শন। নেশা একটু আধটু লেখা। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে, রম্যরচনা সংকলন "বিনি সুতোর মালা", গীতার সরল অনুবাদ "চিরসখা হে", ছোটোদের জন্য "তিন এক্কে তিন হেমকান্ত মীন" পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ বাড়িয়েছে। এ ছাড়া "পাঁচকথা", "আলোকতরু", "রুলপুই" সংকলনেও তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। "দেশ", "আনন্দমেলা", "কিশোর ভারতী", "দুর্বাসা", "আত্মজা" প্রভৃতি পত্রিকাতেও তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশ পেয়ে চলেছে।



কোয়েল দত্তর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায়। পেশায় কেমিকাল এঞ্জিনিয়র--ডিজাইন ও ডেভেলাপমেন্ট-এ মুম্বাইয়ের একটি অ্যাগ্রো-কেমিকাল কোম্পানিতে কাজ করেন। নেশা--বেড়ানো, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়া, লেখা-লেখি।



কৌশিক ভট্টাচার্য আই এস আই কলকাতা-র ছাত্র। একসময়ে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে আই আই এম লখনৌ-য়ে অর্থনীতির অধ্যাপক। কবিতা লেখা এবং ইংরেজি কবিতার বাংলা অনুবাদ করা কৌশিকের শখ।



কৌশিক সেন--কর্কট রোগ বিশেষজ্ঞ; সহ অধ্যাপক, চিকিৎসাবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়, চ্যাপেল হিল। নাটকের দল--ক্যারোলিনা লিটল থিয়েটার ওয়ার্কশপ, উদ্দেশ্য--অভিবাসী অভিজ্ঞতার ওপর মৌলিক নাটক রচনা ও অভিনয়।
নিয়মিত লেখক--দেশ, আনন্দবাজার, সানন্দা, পরবাস, নতুন কৃত্তিবাস এবং বিভিন্ন অণুপত্রিকা ও পূজাবার্ষিকী।
প্রকাশিত বই: ১) চোর ও অন্যান্য নাটিকা (প্রতিভাস), ২) তালপাতার দ্বীপ (উপন্যাস, আনন্দ), ৩) মাঝবয়েস (কবিতা সংকলন, প্রতিভাস), ৪) কবরখানার চাবি (গল্প সংকলন, প্রতিভাস), ৫) মনের বাগান (উপন্যাস, আনন্দ), ৬) আয়নার ভেতরে (উপন্যাস, প্রতিভাস), ৭) ক্যানসার একটি রোগের নাম নয় (প্রবন্ধ সংকলন, প্রতিভাস), ৮) তৃণা ফিরে এসো (উপন্যাস, আনন্দ)।



কুমকুম সরকার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রবন্ধ লেখেন।



আমি নাহার তৃণা। জন্ম ঢাকায়। বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় বসবাস করছি। নানান ধরনের বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসি। সামান্য লেখালেখির চেষ্টা করি। খুব ইচ্ছে করে যে জীবন আমার নয়, কিন্তু হতেও তো পারতো, এমন মানুষের পাশে নিজেকে দাঁড় করিয়ে সে জীবনটা দেখি।



নিশা ভকত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে হেরিটেজ ইনস্টিটিউটে, অন্তিম বর্ষের ছাত্রী। পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে চায়, পাহাড়-বন-পাখি নিয়ে। সেইসব অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখে, তবে মাঝে মধ্যে, কলেজ যাওয়ার মত।



মহুয়া সেন মুখোপাধ্যায় দুই-দশকের বেশি আমেরিকার ম্যাসাচুসেট্‌স-এ আছেন। পড়তে ভালোবাসেন। তার লেখা পরবাস, আনন্দবাজার, বর্তমান,সংবাদ প্রতিদিনের রোববার ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।ছোট গল্পের পোকা; পরবাসের পুরোনো পাঠক।




প্রীতি সান্যাল ফ্রান্সে থাকেন। প্রবন্ধ, কবিতা লিখতে ভালোবাসেন। প্রকাশিত বই ফরাসি দেশ অন্য চোখে



চম্পাকলি আইয়ুবের (জন্ম ১৯৫৭) পড়াশুনো প্রধানত কলকাতায়; তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস.সি. ও সাহা ইন্সটিট্যুট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স থেকে এম. ফিল. করেন। চম্পাকলি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববিজ্ঞানে পি.এইচ.ডি. করেন ও সেই বিষয় নিয়েই ১৯৮৩ সাল থেকে মুম্বাইয়ের টাটা ইন্সটিট্যুট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে গবেষণারত। চম্পাকলির নানারকম শখের মধ্যে উল্লেখ্য নৃত্য-চর্চা, গানশোনা, ভ্রমণ, সাহিত্যচর্চা ও রান্নাকরা।



ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা জন্ম থেকেই প্রবাসী। দিল্লীতে বড়ো হওয়া, এখন ওমাহা নেব্রাস্কাতে প্যাথোলজির চিকিৎসক এবং অধ্যাপক। বই ও ম্যাগাজিন পড়ার নেশা, আরো এক বড়ো নেশা হলো দূর দূর দেশে ভ্রমণ। গ্যালাপাগোস, আমাজনের জঙ্গল, ম্যাডাগাস্কার, পাপুয়া-নিউগিনি, ঘানা, ইসতান্‌বুল, প্রভৃতির পরে এখন স্বপ্ন আউটার মঙ্গোলিয়া। তাছাড়া, এবারে ঘাড়ে চেপেছে পাখি দেখার নেশা।



ভবভূতি ভট্টাচার্যের জন্ম হুগলি জেলার এক গ্রামে। পড়াশুনো কলকাতায়। এক আধা-সরকারী সংস্থায় চাকুরিসূত্রে বহু বৎসর ছিলেন উত্তরভারতের গোরক্ষপুর, পাটনা প্রভৃতি স্থানে, এখন কলিকাতায়। নানান বিষয়ে পড়তে ভালোবাসেন, ও তা পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। গল্প, প্রবন্ধ, রম্যরচনা লিখে থাকেন, ভূতের গল্প লিখতে ভালোবাসেন খুব, যদিও সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছোটোদের গল্প। ইতিহাসের তন্নিষ্ঠ ছাত্র। আর ভক্ত 'পাক্কা গানা'-র।



দিবাকর ভট্টাচার্য - জন্ম ১৯২৮, ২২ নভেম্বর। ২৪ পরগণার জয়নগর-মজিলপুরে। আসল নাম হরেরাম ভট্টাচার্য হলেও দিবাকর ভট্টাচার্য নামেই সমধিক পরিচিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ.। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। স্নাতক স্তরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন যথাক্রমে রানাঘাট কলেজ, খড়গপুর কলেজ ও পরে দমদম মতিঝিল কলেজে। আজীবন মানবতাবাদী দিবাকর ভট্টাচার্য পরিণত বয়সে গান্ধীবাদী দর্শনে স্থিত হন। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত, জনপ্রিয় এই মানুষটির অনায়াস বিচরণ ছিল ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান সহ বিবিধ বিষয়ে। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করেছেন দিবাকর। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। অথচ তাঁরই স্পষ্ট নির্দেশানুসারে জীবৎকালে তাঁর একটিও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রে গভীর প্রত্যয়ী এই মানুষটি বিরোধী ছিলেন সমস্ত গতানুগতিকতার। এই প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব আজীবন সমস্তরকম হিংসার বিরোধিতা করে এসেছেন অনমনীয় দৃঢ়তায়। নিঃসঙ্গ, প্রতিবাদী এই মানুষটি প্রয়াত হন ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি।



দীপঙ্কর ঘোষ কোনদিন ছবি আঁকা শেখেননি গুরুর পাঠশালায় । ছবি লেখেন মনের আনন্দে। ছোটবেলা থেকে।

স্ট্যাটিসটিক্স, ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার নিয়ে পড়াশুনা করে জীবিকা জগতের গুরু দায়িত্বে থেমে যায় সেই শখ!

অবসর জীবনে আবার ধরেছেন পেন্সিল তুলি। পোর্ট্রেট বানান চারকোল পেন্সিলে। কখনো বা ছবিতে ব্যবহার করেন নানা ধরনের রং, এমনকি কাপের তলানিতে পড়ে থাকা কফি।

ওনার নিজের কথায়:

ইচ্ছে পূরণ হয়না কোন লেখায়,
শব্দগুলো খেই হারিয়ে মনের মাঝে কাঁদে।
কলম ছোটে ব্যর্থ সরল রেখায়,
ছন্দকে তাই বন্দি করি তুলির টানের ফাঁদে।

সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের Memories of Madhupur / Mid-Century Vignettes from East of India বইটির প্রচ্ছদ ও অলংকরণ তাঁর।




দেবাশিস দাস পেশায় ভূতত্ত্ববিদ। পড়াশুনো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও খড়গপুর আই আই টি থেকে। কর্মসূত্রে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বর্তমানে দেরাদুনের বাসিন্দা। একটি ‘তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান’ সংস্থায় কর্মরত। দেরাদুনের বঙ্গসংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। নেশা অবশ্যই সাহিত্যচর্চা। বিশেষত: একনিষ্ঠ পাঠক হিসেবে। বিভিন্ন সময় বিক্ষিপ্তভাবে লেখালেখি করেছেন নানান পত্রিকায়। কিন্তু নিয়মিত-ভাবে পাঠকের দরবারে আসা হয়ে ওঠে নি। ‘পরবাস’ ওয়েবজিনের জন্য গল্প লেখা এই প্রথম। সুধী পাঠকগণের ভাল লাগলে নিয়মিত লেখালেখির বাসনা আছে।



ধ্রুব চক্রবর্তীর জন্ম -- ১৯৬৩, পেশাজীবী। লেখালেখি – কবিতা ও প্রবন্ধ (ইংরাজীতে ও বাংলায়)।



দেবায়ন চৌধুরী দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি কলেজে বাংলার অধ্যাপক। কলকাতায় থাকেন। প্রকাশিত গ্রন্থ -- কোচবিহার ইতিহাস ও সাহিত্য মধুরিমা চৌধুরীর সঙ্গে যৌথভাবে।



গৌরী দত্ত'র জন্ম বেনারসে, বড়ো হওয়া বিহারে। স্কুল পাটনায়, কলেজ দারভাঙ্গায়। পেশায় মনঃস্তাত্ত্বিক। এখন বাস বস্টনে। কাজের ফাঁকে লেখা। শখের লেখা শুরু দশ বছর বয়স থেকে। বস্টনে বাড়িতে মাসে একবার বাংলা লেখক গোষ্ঠীর অধিবেশন বসে, গোষ্ঠীর নাম 'লেখনী'। 'রোজালি রোড গ্রুপ' নামে ইংরেজি লেখার অধিবেশন বসে মাসে আর এক দিন। প্রকাশিত বইঃ 'লোভ, পাপ ও তৃষ্ণা' (কবিতা, সমতট প্রকাশনী), 'মৈত্রী' (ছোটো গল্প, সমতট), 'বৈদেহী' (ছোটো গল্প, সমতট), এবং 'অফ আমারান্থ্‌স অ্যাণ্ড এল্‌স্‌' (ইংরেজি কবিতা সংকলন, ভিন্টেজ প্রেস, নিউ ইয়র্ক)।



হাসান জাহিদ আশির দশকের গল্পকার। জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ সম্মানসহ এমএ। ক্যানেডার টরোন্টো শহরের স্থায়ী বাসিন্দা ও সেই দেশের নাগরিক। ক্যানেডায় তিনি সাংবাদিকতা ও কালচার অ্যান্ড হেরিটেজ বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট। তিনি ইকো-ক্যানেডা স্বীকৃত পরিবেশ বিশেষজ্ঞ। আদিনিবাস কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলাধীন কালিকাপ্রসাদ গ্রাম। হাসান জাহিদ পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে কয়েকটি আলোচিত গ্রন্থের প্রণেতা। ঢাকা, কলকাতা ও টরোন্টোর পত্রপত্রিকায় লিখছেন। হাসান জাহিদের গল্প এবং বাংলা/ইংরেজিতে প্রবন্ধ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রপত্রিকায়, সাপ্তাহিক পত্রিকা/সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। কথাসাহিত্যে দেশ পুরস্কার এবং জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র থেকে সম্মাননা লাভ করেন তিনি। কন্ঠশিল্পী হিসেবেও তাঁর পরিচিতি আছে। ২০১৯ বইমেলায় হাসান জাহিদের অঞ্চলভিত্তিক গ্রন্থ ‘ভৈরব পুরাণ: শেকড়ের সন্ধানে’ ও গল্পগ্রন্থ ‘প্রেয়সী ও গোলাপের কাঁটা’ প্রকাশিত হয়েছে এবং ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: মলয় কৃষ্ণ ধর-এর ‘Train to India-Memories of Another Bengal’ (অনুবাদ); দি প্রোগ্রেস অব লাভ-অ্যালিস মানরো (অনুবাদ); জাগরীপর্ব-গল্পগ্রন্থ, ২০১৭; পরিবেশ বিষয়ে ইংরেজি গ্রন্থ: Knowing the Environment.



ঈশিতা চক্রবর্তী -- বিদ্যাসাগর কলেজে পড়ান। কলকাতায় থাকেন।



জয়দীপ মুখোপাধ্যায় (জন্ম: ১৯৬৩) দীর্ঘদিন যাবৎ তথ্যচিত্র নির্মাণ করছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য তথ্যচিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে 'গগনেন্দ্রনাথ' (ইন্ডিয়ান প্যানোরামা), 'পথের পাঁচালী - এ লিভিং রেসোনান্স', 'নবনীতা দেব সেন', স্ট্রিংস অব মেলোডি - ওস্তাদ আলি আকবর খান' প্রভৃতি। কিশোর বয়স থেকেই লেখালিখিতে ঝোঁক ছিল। তিনি আনন্দবাজার, যুগান্তর, আজকাল সহ বেশ কিছু পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। তাঁর ছবি নিয়ে লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল আর্ট গ্যালারী ও কলকাতার নন্দনে রেট্রোসপেকটিভ হয়েছে। গুয়াংঝাউ, এডিনবার্গ, সিনেমা পেনিশে (প্যারিস), ঢাকা প্রভৃতি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। তুর্কমেনিস্তানের আসগামাৎ চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর ছবিকে 'Merit Plague' দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে।



কমলিকা সান্যাল ফিল্ম স্টাডিজ-এ পিএইচডি করছেন। বছরকয়েক আগে ইংল্যান্ডে প্রযোজিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ফিল্মের সহপরিচালক হিসাবেও কাজ করেছেন। ফিল্মের সাথে সাথে বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের প্রতি চিরকালই অনুরক্ত। অনেক বছর আগে আনন্দমেলায় তাঁর লেখা গল্প প্রকাশিত হয়েছিল, অনেকদিন বাদে আবার ফিরে এসেছেন বাংলা লেখায়। অদূর ভবিষ্যতে তাঁর আরও লেখার এবং ফিল্ম সংক্রান্ত কাজ করার ইচ্ছে আছে। বর্তমানে ফ্রান্স নিবাসী।



কৌশিক সেন পেশায় কর্কট-রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেও নেশা কবিতা, ছড়া, বই পড়া। নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। প্রকাশিত বই 'তৃণা ফিরে এসো', 'মনের বাগান', 'আয়নার ভিতরে' প্রভৃতি।



মধুপর্ণা মুখোপাধ্যায় কলকাতার আচার্য গিরিশচন্দ্র বসু কলেজে বাংলা পড়ান। লেখেন খেয়ালখুশি মতো, গদ্যে-পদ্যে।



মানস জানা উত্তর দিনাজপুরের শ্রী অগ্রসেন মহাবিদ্যালয়ে বাংলা পড়ান। বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও নজরুল গবেষক। প্রকাশিত গ্রন্থ -- 'নবজাগরণ, মানবতাবাদ ও নজরুল; রাসেলের ভাবনায় শিক্ষা-সমাজ-স্বাধীনতা। সহযোগী সম্পাদকরূপে সম্পাদিত গ্রন্থ-- নারী জাগরণ, পথ ও দিশা, রোকেয়া রচনা সংগ্রহ, চির উন্নত শির (নজরুল জীবনীগ্রন্থ) প্রভৃতি।



মায়া সেনগুপ্ত: জন্ম ১৯৪০। বহুরকমের সামাজিক কাজে জড়িত থাকা সত্বেও লিখতে ভালোবাসেন বলে, তার মধ্যে থেকেই লেখার সময় বার করে নেন। গল্প ও কবিতা লেখেন, মাঝে মাঝে প্রবন্ধও লেখেন। সবচেয়ে ভালোবাসেন ছোটদের জন্য লিখতে। নানা পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়।



মুরাদুল ইসলাম এর জন্ম বাংলাদেশে। সিলেট বিভাগের জগন্নাথপুর উপজেলায়। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবম্যাগে লিখেই তার লেখালেখির শুরু। প্রকাশিত একমাত্র গল্প সংকলন “মার্চ করে চলে যাওয়া একদল কাঠবিড়ালী” সৃষ্টিসুখ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। তার আরো কিছু বই - উপন্যাস ‘রাধারমন এবং কিছু বিভ্রান্তি’ ‘কাফকা ক্লাব’ ইত্যাদি।



নন্দিতা মিশ্র চক্রবর্তী-র জন্ম উত্তর কলকাতায়। বড় হয়ে ওঠা উত্তর শহরতলীর এক সরকারি আবাসনে। ছোট থেকেই বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে ভালোবাসেন এবং সাহিত্যচর্চায় হাতেখড়িও তখন থেকেই।বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পরিবেশ বিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর। গল্প প্রথম ছাপা হয় উত্তরপাড়া থেকে প্রকাশিত "নিজস্ব" মাসিক পত্রিকায়। এরপর গল্প প্রকাশিত হয় দেশ পত্রিকা, আনন্দমেলা, তথ্যকেন্দ্র সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়। ভালোবাসেন গাছপালা ও বন জঙ্গল।



কবিতা, গল্প, উপন্যাস, মননশীল প্রবন্ধ ও অনুবাদ সব বিষয়েই নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের কলম সাবলীল। তিনি অবসরপ্রাপ্ত আই. এ. এস.। প্রায় ২৫টি উপন্যাস ও দেড়শ গল্প এখনো পর্যন্ত লিখেছেন। কলকাতা নিবাসী।



নিবেদিতা দত্তঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম,এ,। লেখালিখি, সেতার বাজানো এবং ছবি আঁকায় শখ। আই,আই,টি, খড়গপুরে থাকেন।



নীলাঞ্জনা বসু ওরফে নীলুর বাড়ি কলকাতা। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পি এইচডি করে এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত।



নিরুপম চক্রবর্তী ভারতবর্ষে বসবাস করেন, সম্প্রতি প্রবাসে দুবছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন সমাপ্ত করে আপাতত তিনি স্বস্থানে স্থিত। জনশ্রুতি এইরকম যে তিনি স্বদেশে ও বিদেশে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক ও সাম্মানিক অধ্যাপক পদে আসীন। প্রথাগত অশিক্ষার শুরু ভারতবর্ষে ও সমাপ্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ও ইংরিজী ভাষায় বর্ণপরিচয় ও ফার্স্টবুক পাঠ সমাপ্ত করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ--'নিজস্ব বাতাস বয়ে যায়!' ও কিছু নির্বাচিত কবিতার ইংরিজি ও ফিনিশ ভাষায় অনুবাদ: Enchantress.



প্রণব বসু রায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক-আধিকারিক। প্রথম মুদ্রিত কবিতা ১৯৬৪ সালে। সত্তর দশকের কবি হিসাবে পরিচিত। সম্পাদনা করেছেন "শ্রাবস্তী" পত্রিকার। যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন "শীর্ষবিন্দু" পত্রিকার, ১৯৬৮ থেকে। ঐ পত্রিকাই এ্কা সম্পাদনা করেছেন ২০০২ থেকে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'প্রণয়রাংতা', 'এ বাড়িতে রান্নাঘর নেই', 'ফ্রেডরিক নগরের বাসিন্দা'। ২০১৯ কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিতব্য 'মাইনাস ডেসিবল'। সম্পাদিত কাব্য-সংকলন "'শীর্ষবিন্দু--কবিতার ৫০ বছর"। বসবাস-- শ্রীরামপুর, জেলা-- হুগলী।




পৃথু হালদার রামকৃষ্ণ মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, নরেন্দ্রপুরের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র। এর আগে পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াকালীন 'বিদ্যাপীঠ' পত্রিকার সম্পাদক। দুবার প্রবন্ধে গভর্নর মেডেল বিজেতা (ক্লাস এইট ও টেন-এ), রাজ্যস্তরে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থানাধিকারী (প্রথম বর্ষে)। ভালোবাসেন--পড়াশোনা-লেখালেখি-নাটক আর যুক্তি-তক্কো-গপ্পো।



রবিন পাল (জন্ম ১৯৪২) চল্লিশ বছর নানা বিদ্যায়তনে অধ্যাপনার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ থেকে প্রফেসর পদে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৪-এ। বাংলা ও ইংরাজি ভাষায় বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যার কিছু অনূদিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ভারতবর্ষের নানা প্রদেশে এবং জার্মানীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। রচিত গ্রন্থাদি — কবিতার দেশ-বিদেশ, কল্লোলিত ছোটগল্প, র‍্যালফ্‌ ফক্স: রাজনীতি সংস্কৃতি ভারতনীতি, পাবলো নেরুদা: বঙ্গীয় বাতায়ন ও বিক্ষুব্ধ নীলিমা, কথাসাহিত্যে চিত্রকল্প, পাঠসারণিতে মতি নন্দী, উপন্যাসের উজানে, বাংলা ছোটগল্প: কৃতী ও রীতি, অচিন্ত্য সেনগুপ্ত (সাহিত্য আকাদেমি), যুগলবন্দী: স্পেনীয় ও ভারতীয় সাহিত্য, বিষয়: রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের পথে পথে, উপন্যাসের বর্ণময় ভূবন, উপন্যাস: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বিদেশীদের চোখে রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের বিন্দু বিশ্ব ও উপন্যাস চিন্তা : পাঁচজন আধুনিক কবি । সম্পাদনা করেছেন - লাল সালু বিষয়ক নানা নিবন্ধ, উইস্‌ লাওয়া জিমবোর্স্কার কবিতা। অনূদিত বই — ব্রাজিলের কবিতা, নিক্সন নিধন নিয়ে জেহাদ এবং চিলির বিপ্লব বন্দনা (পাবলো নেরুদা)।



রাজীব চক্রবর্তী 'পরবাস'-এর একজন অন্যতম সদস্য।



রাহুল মজুমদার - জন্ম ১৯৫৩ সালে। গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেছেন। লেখালিখির শুরু ৭৮ সাল থেকে। মূলতঃ সন্দেশ পত্রিকা দিয়েই শুরু। পরে আরও অনেক ছোটদের পত্রিকায় লেখালিখি ও অলংকরণের কাজ করেন। লেখালিখি ও আঁকা ছাড়াও পাহাড় চড়ার শখ। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে: হাঁউ-মাঁউ-খাঁউ, পেটুক খরগোশ, ক্ষুদে রাজপুত্তুর, হিমালয় পায়ে পায়ে, এবং পাহাড় যখন প্রতিপক্ষ



রঞ্জন রায় (১৯৫০); এম এ (অর্থনীতি); এল এল বি ও সিএআই আইবি (মুম্বাই)। জন্ম--কোলকাতা। তিনটি স্কুল পেরিয়ে হায়ার সেকন্ডারি পাশ। কলেজ কোলকাতার দুটো ও ছত্তিশগড়ের তিনটে। গ্রামীণ ব্যাংকে ৩৪ বছর চাকরির সুবাদে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে-গঞ্জের আনাচে কানাচে ঘোরাঘুরি। বর্তমানে কোলকাতায়। বুড়ো বয়সে বাংলালেখা শুরু ওয়েব ম্যাগাজিনে। বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালি ও অবশেষে পরবাসে। এই বছর প্রথম প্রকাশিত বই "বাঙাল জীবনের চালচিত্র" (গাঙচিল)। নকশাল আন্দোলনের নারীবাদী দৃষ্টিকোণের উপন্যাস "বেঁচে আছি, প্রেমে -অপ্রেমে" (পান্ডুলিপি)। হিন্দি থেকে অনুবাদঃ কুরু কুরু স্বাহা (পাণ্ডুলিপি); রাগ দরবারী (পাণ্ডুলিপি)।



রঞ্জন ভট্টাচার্য -- পেশায় ডাক্তার রঞ্জন ভট্টাচার্যের বসবাস কলকাতায়। ডাক্তারি ব্যস্ততার ফাঁকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। মহাভারতের একজন নিবিষ্ট পাঠক। ।



সম্বিত বসু মূলত গদ্যলিখিয়ে। প্রথম বই গদ্যের। গদ্যলেন। একটি বাংলা সংবাদপত্রে সংবাদকর্মী রূপে নিযুক্ত।



শান্তনুর জন্ম কলকাতায়, কিন্তু শিক্ষা ও কর্মসুত্রে যথাক্রমে ঘরছাড়া ও পরবাসী। পেশায় কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ এবং বর্তমানে অধ্যাপনায় রত। তার ফেলে আসা জীবনকে এক কথায় “Rolling stone without any moss” বলা চলে।



সাবর্ণি চক্রবর্তী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের NABARD বিভাগ থেকে বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। কলকাতায় থাকেন। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ - পালান ফিরিওয়ালার বিক্রির বৃত্তান্ত, বনের ভিতর বাড়ি, দৃষ্টিকোণ ও অন্যান্য, Moonstruck and Other Short Stories



সাগরিকা দাস। আজন্মকাল এই শহরের বাসিন্দা। ছোট থেকেই বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা। স্কুলে পড়ার সময় থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে লেখালেখি শুরু (কাউকে দেখানোর সাহস হয়নি)। গত দুবছর আগে হঠাৎই একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রথম প্রকাশিত লেখা। তারপর থেকে 'দেশ', 'আনন্দবাজার পত্রিকা' সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও লিটলম্যাগে টুকটাক লেখালেখি চলছে।



সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের বাল্যজীবন একেবারে অন্যরকম। মধুপুরে (এখনকার ঝাড়খণ্ডে) দাদুর (ব্রিটিশ আমলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে ইংরেজি, সংস্কৃত আর অঙ্ক শিখেছেন। বারো বছর বয়েস অবধি কোনো ইস্কুলে যাননি। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ, পুনের ফার্গুসন কলেজ, দিল্লীর আইআইটি, এবং আমেরিকার রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। ছেলেবেলার স্বাধীনতা ও বিচরণক্ষেত্র ছিল অবাধ -- মধুপুরের আদিবাসী ও সাধারণ লোকজনেদের সঙ্গে। সেইসব বিচিত্র অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর বই Memories of Madhupur / Mid-Century Vignettes from East of India ২০১৮-সালে প্রকাশিত হয়েছে।



সমীর ভট্টাচার্যের জন্ম, স্কুল, কলেজ পশ্চিমবঙ্গে। তার পরের পড়াশোনা দিল্লী ও আমেরিকায়। বর্তমানে নিউজার্সি-বাসী।



সঞ্চারী মুখার্জী সিটি সাউথ কলেজ থেকে বি. কম. (একাউন্‌টেন্সি) করে এখন কোম্পানি সেক্রেটারিশিপ পড়ছেন। ফাইন আর্টস-এ ডিপ্লোমা করেছেন। সম্প্রতি তাঁর আঁকা ছবি 'শ্রী' গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে।



অত্যন্ত দুঃখের কথা সন্ধ্যা ভট্টাচার্য আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তাঁর ছেলে দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়ঃ "মা একেবারে পরিণত বয়সে, যখন আমি শিলং-এ পোস্টিং পেলাম ১৯৯৪ সালে, সেই তখন আমার কাছে থাকতে এসে যখন সংসারের সব কাজ থেকে নিস্তার পেলেন তখন এ ডায়েরিগুলো লিখতে শুরু করেন। তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে সুদীর্ঘ কয়েক দশকের ইতিকথা লিখেছেন ব্যক্তি-সমাজ ও চেতনার বিবর্তনের ছবি দিয়ে চারটি ডায়েরিতে।"



সংহিতা মুখোপাধ্যায়ের জন্ম রামরাজাতলায়। বড় হওয়া চন্দননগরে। পড়াশোনার একটা পর্ব প্রেসিডেন্সি কলেজে। কাজকর্ম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনদপ্তরে ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে। স্কুল ম্যাগাজিনের পর লেখা প্রকাশ আকস্মিক জয়ঢাকে, মাস্টারমশাই শ্রী দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের প্রশ্রয়ে। তারপর যারা পরিযায়ী, কচিকাঁচা সংবাদ, বাংলালাইভ আই-পত্রিকা, পরবাস, সৃষ্টি এবং কর্ণিকা-তে। প্রকাশিত বই হাফসেঞ্চুরি, গুচ্ছ খোরাক, Managing Conflict in Projects, হাফসেঞ্চুরি প্লাস, অরণ্য সংহিতা।



সারোয়ার রাফি--অনার্স প্রথম বর্ষ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। বিশেষভাবে আগ্রহ সাহিত্য, দর্শন ও ইতিহাসে।



সৌম্যেন ভট্টাচার্য্য কলকাতায় থাকেন। জন্ম-কর্ম সবই কলকাতা ঘিরে। চাকুরীজীবী। ভালোবাসে্ন বই পড়তে, ঘুরে বেড়াতে। গান শোনা আর সিনেমা দেখার নেশাও আছে। লেখালেখির চেষ্টা করতে ভালো লাগে।



সুনন্দন চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৫৭। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। আচার্য গিরিশ চন্দ্র বসু কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। লেখালিখি বিক্ষিপ্তভাবে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে।



শাম্ভবী ঘোষ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'স্কুল অফ ইকোলজি এন্ড এনভায়রনমেণ্টাল স্টাডিস' বিভাগে স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি সঙ্গীতচর্চা এবং ডিজিটাল ও প্রিণ্ট উভয় মাধ্যমেই নিয়মিত লেখালেখি করেন। বেশ কিছুদিন যাবৎ অনুবাদের কাজ করছেন। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস। প্রকাশিত কবিতার বই 'A Stranger's Conversation' (Authorspress, 2014).



শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ, গদ্য লিখে থাকেন। কোমলগান্ধার পত্রিকার সম্পাদক। তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে নবনীতা দেব সেন রচনাবলী (১ম খণ্ড, মিহির সেনগুপ্তের 'কালচক্রযান', রংগন চক্রবর্তীর নাটক 'রাজার খোঁজে', মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের ভ্রমণসমগ্র, 'আশ্চর্যময়ী : ভিন্ন ঘরানার বাঙালি নারীর কথা'।



সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। শিবপুরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বম্বে আই আই টি থেকে এম টেক এবং পরে হোমি ভাবা থেকে পি এইচ ডি। গবেষণার বিষয় সিগ্ন্যাল/ সিস্টেম মডেলিং। ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। লেখালেখি মোটামুটি নিজস্ব তাড়নায়। কেউ ভাল বললে ভাল লাগে, না বল্লেও ক্ষতি নেই। অহংকার, দীপন, অববাহিকা, “কফিহাউস”, “এ মাসের কবিতা” ইত্যাদি নানা পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করেছেন।



সোনালী ব্যানার্জী কানপুরের বাসিন্দা। এলাহাবাদে জন্ম ও পড়ালেখা। এলাহাবাদ ইউনিভার্সিটি থেকে ইংলিশ এম এ।



সুবীর বোস পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইটি ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। দেশ-এ একাধিকবার, এবং কবিসম্মেলন ও বিভিন্ন ওয়েবজিন-এ তাঁর কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইঃ আঙুলের সংলাপ (সপ্তর্ষি প্রকাশনা), ভাঙা কলমের আন্তরিকে (গল্প; সৃষ্টি)।




সূর্যনাথ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৬০ সালে মধ্যপ্রদেশের রায়পুরে। কিন্তু বেড়ে ওঠা কলকাতায়। ছোটবেলা থেকে গল্প পড়তে ভাললাগাটা ছিল। তারপর বাংলার বাইরে পঁচিশ বছরের প্রবাসজীবন। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। যাদবপুরে বিদ্যুৎ প্রযুক্তির শিক্ষা, খড়গপুরে স্নাতকোত্তরণ। নেশা ছিল বই পড়া, সরকারী ঘানিযন্ত্রের পেশায় সব ভুলিয়ে দিয়েছে। বই-পড়া ছাড়া প্রিয় অবসর (যদিও বিশেষ নেই) বিনোদন ইতিহাস আর অঙ্কে। শারদীয়া আনন্দবাজারে একটা ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রথম বড় পদক্ষেপ। কিছুটা আকস্মিক ভাবেই। তবে ইতিহাস নিয়ে চর্চার ইচ্ছে আছে। প্রকাশিত বই 'ধ্রুবচন্দ্রিমা' (২০১৯)।



সুশ্রুত চক্রবর্তীর বাড়ি মেদিনীপুর। চিকিৎসাবিজ্ঞানে সদ্য স্নাতক, ছোটবেলা থেকেই ভালবাসেন বই পড়তে। শখের লেখালেখির অভ্যাসে লিখে ফেলেছেন বহু ছোটগল্প, রহস্য রোমাঞ্চ গল্প, কবিতা। কুইজপ্রেমী ও ভোজনরসিক।




স্বর্ভানু সান্যালের জন্ম হাওড়ার রামরাজাতলায়। ছাত্রজীবন কেটেছে খড়গপুর, পুরুলিয়া, হাওড়া ও দূর্গাপুরে। কর্মজীবন শুরু বেসরকারি সংস্থায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে। তারপর চাকরিসূত্রে কখনো মুম্বাই, বেঙ্গালুরু কখনো বা সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। গত সাত আট বছর ধরে আমেরিকার শিকাগোয় কর্মরত। পেশাদারি এবং পারিবারিক জীবন বাদ দিলে, তার অনেকটা সময় কাটে সাহিত্যচর্চা করে। সব রকমের লেখা পড়তে ভালোবাসেন। অনুগল্প, রম্যরচনা, কবিতা নিয়মিত লিখে থাকেন। "যযাতির ঝুলি"(http://jojatirjhuli.blogspot.com/search/label/bangla) নামে তার ব্যক্তিগত ব্লগ আছে এবং সেই ব্লগ এর মাধ্যমে তার লেখা নিয়মিত পাঠকদের সাথে ভাগ করে নেন। অন্য শখের মধ্যে আছে বেড়ানো, ফটোগ্রাফি, গান শোনা। ২০১৯ সালে পত্রভারতী প্রকাশনী থেকে মুদ্রিত মাধ্যমে এসেছে স্বর্ভানু সান্যালের প্রথম ছোট গল্প সংস্করণ "যযাতির ঝুলি - এক ডজন গপ্পো"।




তনুশ্রী চক্রবর্তী বর্তমানে ইউনাইটেড আরব এমিরেটস-এর শারজা-তে থাকেন। শিবপুর বি.ই. কলেজ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক। বিভিন্ন আন্তর্জাল পত্রিকায় লিখে থাকেন। লেখা ছাড়াও গান, হাতের কাজ করতে ভালোবাসেন।



(পরবাস-৭৫, ৩০ জুন ২০১৯)