Current Articles


Six more poems of Shakti Chattopadhyay, translated by Nandini Gupta

Sorrowing for leaves (পাতার শোকে),

I could go. But why would I? (যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো?),

Slowly, steadily (ধীরে ধীরে যেভাবেই হোক),


Say, you love (বলো, ভালোবাসো),

Rain on Kolkata's chest (কলকাতার বুক পেতে বৃষ্টি), and

Kolkata, at dawn (কলকাতায়, ভোরে)



No time for cheer, not a happy time this (সে বড়ো সুখের সময় নয়, সে বড়ো আনন্দের সময় নয়),

Come cyclone (হোক ঝড়-বৃষ্টি), and

Come and be with him (দাঁড়াও)







Thirty-Eight Years with Shakti (শক্তির সঙ্গে আটত্রিশ বছর)Bhaswati Ghosh translates from Samir Sengupta's book 'My friend, Shakti' (আমার বন্ধু শক্তি).




বুকের ভিতরে বুক, আর কিছু নয় শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায় "চব্বিশ পরগনার প্রত্যন্তের গ্রাম বহড়ু থেকে এক কাঙাল ঢুকে পড়েছিলেন কলকাতায়। সে গত শতকের কথা। বহড়ুর পানাপুকুর আর কলমির গন্ধের সঙ্গে নগর কলিকাতার দূরত্ব কোনোকালেই কমেনি। দু-শতকের ঔপনিবেশিক ললাটলিখন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আমাদের আধুনিকতাকে তিনি ..."




Who is Abani, at whose house, and why is he even there? (কে অবনী, কার বাড়ি, কেনই বা আছে)— A very special reading of Shakti Chattopadhay's iconic poem 'Abani Bari achho' by an unsuspecting reader. Bhaswati Ghosh translates from Bangla a fascinating account, as told by Brajendranath Mandal, from Samir Sengupta's book 'My friend, Shakti' (আমার বন্ধু শক্তি). Includes Bhaswati's translation of the iconic poem 'অবনী বাড়ি আছো'/'Abani, are you home?'


Four poems of Shakti Chattopadhyay translated by Sutapa Chaudhuri

Jarasandha (জরাসন্ধ),

Fate (নিয়তি),

The Returned (প্রত্যাবর্তিত), and

Abani Are You Home? (অবনী বাড়ি আছো?)



শক্তিসঙ্গ অরণি বসু "...ছড়ানো গল্পের বাইরে শক্তিদা আমার কাছে এক অন্য মানুষ, পারিবারিক ও স্নেহশীল। অনেক শীত গ্রীষ্ম বর্ষা পেরিয়ে এসেও শক্তিদার এই সামান্য সঙ্গ ভুলে যাওয়া সহজ কাজ নয়।..."




পাগল ও ভবঘুরের ভাইরাস যশোধরা রায়চৌধুরী "তিনি পাগল আর ভবঘুরে থেকেই চলে গেছেন। আমি স্বেচ্ছাচারী। সেইসব স্বেচ্ছাচারের স্বপ্ন দেখে যাব আমরা, তাঁর পঙ্গু উত্তরাধিকারীরা।"




খোলা-বুকে স্বেচ্ছাচারী ভাষা পিনাকী ঠাকুর "একটা কথা এখানে উল্লেখ করা উচিত, শুধু 'পেত্রার্ক, মিলটন আর শেক্সপিয়র' নন — যাঁকে উৎসর্গ করেছিলেন এই বই, সেই মধুসূদনকেও নিজের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন কবি। শুধু 'মধুসূদনে' বা 'তোমারে'-র প্রয়োগ নয় — মধুসূদনের কাব্যের প্রবল প্রাণশক্তি যেন সঞ্চারিত হয়েছিল চতুর্দশপদীর শক্তির রচনায়। "



Two poems of Shakti Chattopadhyay translated by Bhismadev Chakrabarti
postman in the autumn woods (হেমন্তের অরণ্যে আমি পোস্টম্যান), and

Poem 15, from Chhinno-bichchhinno (কবিতা ১৫, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন)


Shakti's Singing — by Samir Sengupta; translated from the original Bengali by Bhaswati Ghosh. "Late one evening during the searing summer of 1961-62, sitting on the broken steps of Ganga next to the Nimtala crematorium, Shakti had sung this song—bare chested, stubble on his face, a rag-wrapped marijuana chillum in one hand, and the other hand splayed, like a beggar king, towards the darkening river. "
Included are four audio recordings of Rabindrasangeets sung by Shakti Chattopadhyay.



শক্তি চট্টোপাধ্যায়-এর গ্রন্থপঞ্জীসমীর সেনগুপ্ত (সংকলক) ও রাজীব চক্রবর্তী (আন্তর্জাল সংস্করণের বিন্যাস ও পরিবর্ধন)। অনেক বইয়ের প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদের ছবি দেখতে পাওয়া যাবে। এতে নতুন তথ্য মাঝে মাঝেই যোগ করা হবে। পাঠকদের আহ্বান জানাই সহযোগিতার জন্যে।



শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের একটি অপ্রকাশিত কবিতা"দুঃখের সমুদ্র থেকে দুঃখের সমস্ত হলো পার..."





অনন্ত কুয়ার জলে চাঁদ পড়ে আছে, এবং

জরাসন্ধশক্তি চট্টোপাধ্যায়; কবির স্বকন্ঠে আবৃত্তি



At Ramkinkar’s House with Shakti — by Samir Sengupta; translated from the original Bengali by Bhaswati Ghosh. "...After my death, if God asks me what I saw in the world of dust and clay, I will be able to say, 'I saw your contender, immersed in his art of creation.'"




এক উন্মত্ত দরবেশের কথা কালীকৃষ্ণ গুহ; কবি শক্তি এবং আমার বন্ধু শক্তি, শক্তির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও জীবনীকার সমীর সেনগুপ্ত্র দুটি বই-এর মনোজ্ঞ সমালোচনা




শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতারবিন পাল; "...বিয়েতে আমার এক সহপাঠী বন্ধু 'পাড়ের কাঁথা মাটির বাড়ি' (১৯৭১) উপহার দিয়েছিল। অবশ্য তার আগে 'যে প্রেম হে নৈঃশব্দ্য' (১৩৬৭) সেই কালো, মাঝে মাঝে লালের ঝিলিক কিনেছি। 'ধর্মে আছো জিরাফেও আছো' (১৩৭২) যখন সংগৃহীত হয় তখন নিতান্ত গদ্যমনস্ক আমাকে শক্তি জয় করে নিয়েছে..."



প্রভু, নষ্ট হয়ে যাই বিভাস রায়চৌধুরী; "...সে এক ঘাতক বসন্ত। দোলপূর্ণিমার আগের রাতে শান্তিনিকেতনি চাঁদ খোয়াইয়ের ভাঙনে সর্বনাশ ডেকে আনছে। আমরা তাকে মায়াবী ভেবেছি। বন্ধুরা। দলবেঁধে। ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত রবি ঠাকুরের গান উড়ে যাচ্ছে আদিবাসীপাড়ার দিকে। রক্তধারা সুরায় চঞ্চল। আত্মহারা সবাই চোখের জলে ভেসে যাচ্ছি। আর আত্মা ঠেলে উঠে আসছে আর এক কবি। শক্তি..."



বর্ণচোরা শিশু অরিত্র সান্যাল; "... এর প্রকৃত উত্তর বা উত্তরে আদলে কোনো ইঙ্গিত লুকিইয়ে আছে শক্তির আড়াই হাজার কবিতায়। আড়াই হাজার কবিতা! যে-কবি একবার বলেন 'কী হবে জীবনে লিখে? এই কাব্য, এই হাতছানি...' সে-ই কবিই বিপুল কাব্যভাণ্ডারে সারা জীবন তা হলে কী লিখে গেছেন? ..."



অনন্ত বাঁকের টানে ছিন্নবিছিন্ন সব্যসাচী মজুমদার; "- এখানে একটা শব্দকে লক্ষ্য করুন, 'কাছের কাছে'। বস্তুত এই শব্দ ব্যবহারের জন্য পাঠক প্রস্তুত থাকেন না কখনোই। অথচ পাঠকের অশ্রু, মায়া, প্রেম, সমস্তকে শুষে এই শব্দটিই ফুটে ওঠে অন্ধকারে দেখে ফেলা আঁচলের মতো। ..."



শাক্ত কবির শক্তিবিচার উজ্জ্বল সিংহ; "... কিন্তু 'হে প্রেম হে নৈঃশব্দ্য' গ্রন্থে গ্রথিত প্রতিটি কবিতাই যেমন কোন-না-কোনোভাবে কবিতার চৌকাঠ মাড়িয়েছে, অন্যান্য কাব্যগ্রন্থে তা না-হলেও বহু অবিস্মরণীয় কবিতা শক্তিকে চিহ্নিত করে রেখেছে; কীভাবে? সেই যে তিনি লিখেছিলেনঃ 'অবসাদ আর নামে না আমার সন্ধে থেকে,' তাই দিয়ে। ..."



লোকটি ছিলো কাতরঃ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের গদ্যইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত; "...'লোকটা ছিলো লম্পট আর মেয়েটি ছিলো পুণ্য। কিংবা মেয়েটা ছিলো নংরা আর ছেলেটা ছিলো কাতর। কিন্নর-কিন্নরী। হয়তো দুজনের একজনও খারাপ নয়। ওরা দুজন সুজনই তাহলে, ধরা যাক।'—এইভাবে শুরু শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'কিন্নর-কিন্নরী' ..."



সাক্ষাৎকারঃ মীনাক্ষী চট্টোপাধ্যায় পারমিতা দাস; "... সেই কবি শক্তিকে, ব্যক্তি শক্তিকে, সন্ন্যাসী শক্তিকে ও গৃহী শক্তিকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেছিলেন যিনি, দীর্ঘ সাতাশ বছর ধরে সর্ব অর্থেই আগলে রেখে, শরৎ কুমার মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় 'বাড়িয়ে দিয়েছিলেন দশ বছর আয়ু,' সেই কবিপত্নী মীনাক্ষীর স্মৃতিচারণ এখানে রইলো। ..."



একাকী ছেড়েছো শক্তি চট্টোপাধ্যায়; 'পরবাস'-এ প্রকাশিত হওয়ার সময়ে অগ্রন্থিত কবিতা।