ISSN 1563-8685




চিঠিপত্র

Click below to read comments on other sections:

Translation Section
Rabindranath section
Buddhadeva Bose section
Satyajit section
Shakti section
Jibanananda section


Feedbacks on Shoili Pal's translation of Bibhutibhushan Bandyopadhyay's story: The Giver's Paradise (দাতার স্বর্গ)


ভাস্কর বসু-র প্রবন্ধ ‘অশনি সংকেত’ — সত্যজিতের ‘অন্য’ বিভূতিভূষণ

ছবিটি আমার অত্যন্ত ভালো লাগার, আর আমার মতে সত্যজিতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। চলচ্চিত্র পন্ডিতরা অন্য মত পোষণ করতে পারেন। অনেকে বলেন, দুর্ভিক্ষের কাহিনী হিসেবে বড্ড বেশি কাব্যিক, romantic। ঋত্বিকের মত passionate, on your face চিত্রায়ন নয়, যা হওয়া স্বাভাবিক বা হয়তো উচিতও ছিল। না হলে বার বার ফুলের ওপর প্রজাপতি উড়বে কেন? কিন্তু আমার বিবেচনায় এইটাই সত্যজিতের অনুকরণীয় স্টাইল, তাঁর স্বতন্ত্রতা, নিরপেক্ষতার পরিচায়ক। দুর্ভিক্ষ মহামারীকে নিষ্ঠুরভাবে উপস্থাপন করা বোধহয় অনেক সহজ, তার মধ্যেও আশাকে চিত্রায়িত করা কঠিন কাজ। অথচ দর্শককে ভুলতে না দেওয়া সেই শেষ লাইন। অনবদ্য ভাবনা। লেখাটি খুব ভালো লাগলো।

অনিরুদ্ধ গঙ্গোপাধ্যায় (জানুয়ারি ২০২০; aniruddha...@gmail...)


দেবাশিস দাস-এর গল্প ফোঁস

যা হতেই পারতো একটা গতানুগতিক থিম, লেখক শেষ পর্বে এসে এক ঝটকায় তার শিল্পে উত্তরণ ঘটালেন। ভালো লাগলো।

নিরুপম চক্রবর্তী (জানুয়ারি ২০২০; nchak...@gmail...)


নিরুপম চক্রবর্তী-র কবিতা তমার গানগুলি: ফিনদেশি কবি সিরক্কা সেলিয়ার একটি দীর্ঘ কবিতা

সিরক্কা সেলিয়ার তমা সিরিজ একেবারেই অন্যরকম! আশ্চর্য লিরিক, অদ্ভুত রহস্যময়। পৃথিবী, প্রকৃতি, ধাত্রী—তমা এর যেকোন একটি বা সবগুলোই হতে পারে। এক উদ্দেশ্যহীন লীলাময়ী। খ্রীষ্টধর্মের আবহে এর কোনো প্রতিরূপ আছে কি না জানি না। কিন্তু, বৈষ্ণব কবির হাতে হলে, একে রাধার বাল্যলীলা বলা যেত। কিন্তু নর্ডিক আবহের কারণে, একটা আলো-আঁধারির ভাবও কি রয়েছে, না কি সেটা আমারই ফিগমেন্ট অফ ইমাজিনেশন?

এবং এগুলোর লিরিক গুণ নিরুপমবাবুর অনুবাদে অক্ষুণ্ণ বলেই মনে হল। এক জায়গায় “তবু মনে রেখো”-র প্রয়োগও অব্যর্থ।

শৌভ চট্টোপাধ্যায় (জানুয়ারি ২০২০; souva...@gmail...)


"সমুদ্রে গড়িয়ে পড়া রক্ত এখন সূর্য হয়ে উঠেছে
কেউ জানেনা তমা এখন কোথায়
শুধু সমুদ্র শুনেছে তমার বিদায়বাণী:
‘তবু মনে রেখো’।"

অসাধারণ! সম্পূর্ণ অনুবাদটিও অসম্ভব ভালো।

মণিশংকর বিশ্বাস (জানুয়ারি ২০২০; mani...@gmai...)


তমার রহস্যময় বড়হত মন ছুঁয়ে গেল।

তৃণাঞ্জন চক্রবর্তী (জানুয়ারি ২০২০; trinanjan...@gmail...)


পল্লববরন পাল-এর কবিতা আমার নামেরা

ভাবতে সাহায্য করলো।

সুদীপ সেনগুপ্ত (জানুয়ারি ২০২০; sudip...@hotmail...)


যুগ উপযোগী কলমের ধার। হৃদয় স্পর্শ করেছে।

মেঘনা বসু (জানুয়ারি ২০২০; meghb...@gmail...)


সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়-এর গল্প লাল পরি নীল পরি

পর্যাবরন সুরক্ষা নিয়ে ছোটগল্পটি হয়েছে খুব ভালো। সিদ্ধার্থ-র মতো লেখকই পারে এই বিষয় নিয়ে এমন উচ্চমানের ছোট গল্প লিখতে। লেখককে ধন্যবাদ।

গোরা চক্রবর্তী (জানুয়ারি ২০২০; gchakra...@yahoo...)


অপূর্ব। সিদ্ধার্থ র পরিবেশ নিয়ে চিন্তা র ফসল সরস ভাবে এই ছোট গল্পের পরিসরে তুলে ধরা অসামান্য।

অভীক মুখার্জ্জী (জানুয়ারি ২০২০; abhik...@gmail...)


জয়দীপ মুখোপাধ্যায়-এর স্মৃতিকথা সব কিছু সিনেমায়

অসাধারণ, খুবই ভালো লাগলো। দারুণ।

জ্যোতি পারেক (জানুয়ারি ২০২০; jparr...@gmail...)


ভবভূতি ভট্টাচার্য-এর গ্রন্থ সমালোচনা

শ্রদ্ধেয় ভবভূতিবাবু,
আমার অত্যন্ত প্রিয় “প্রফেট”-এর মতো গ্রন্থের সঙ্গে “চিরসখা হে”-র আলোচনা দেখে অভিভূত হয়ে গেলাম। সব্যসাচী সম্বোধনের প্রথমায় অবশ্যই “সব্যসাচি” হবে, কিন্তু ভুলটা ইচ্ছাকৃত করেছিলাম, কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্মর কাছে – সংস্কৃত এবং সংস্কৃত ব্যাকরণ একান্তই দুর্বোধ্য, কারণ স্কুলে কোনদিনই সংস্কৃত তাদের পাঠ্য ছিল না। তাদের কাছে “সব্যসাচী” কোন সময় “সব্যসাচি” হয়ে ওঠে সেটা বোঝার কথা নয়। সে কারণেই ঝুঁকি নিইনি। কে জানে তারা হয়তো “ডহরবাবু”-র মতো ধরে নেবে – সব্যসাচী এবং সব্যসাচি দুটো বানানই ঠিক – যে কোন একটা লিখলেই হয়। যে উদ্দেশ্য নিয়ে গীতার বাংলা অনুবাদের স্পর্ধা করেছিলাম, সেই উদ্দেশ্যটি আপনার প্রাজ্ঞ দৃষ্টিতে অধরা থাকেনি, তার জন্যে আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।

বিনীত
কিশোর ঘোষাল (জানুয়ারি ২০২০; kishore...@yahoo...)


অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়-এর গল্প ভুবনডাঙার মানুষজন

বড় মায়াময়, বড় মায়াময়, বড় মায়াময় এই লেখা! মন ভরে গেল।

নিরুপম চক্রবর্তী (জানুয়ারি ২০২০; nchak...@gmail...)


নিরুপম চক্রবর্তী-র কবিতা হাসপাতালে

এই লেখা হয়তো সুধীন দত্ত পড়লে খুব আনন্দ পেতেন। এটা প্রশংসা হিসেবেই বললুম। আপনাকে প্রাচীনপন্থী বলে গাল পেড়ে নয়।

এক তো কবিতায় সাধুভাষার প্রয়োগ আপনি মোক্ষম করেন। দুই, বুদ্ধি ও বিশ্লেষণের বদলে জোলো আবেগের প্রবাহ বাংলা কবিতায় বড় বেশি। সেখানে, আপনার লেখা মূর্তিমান ব্যতিক্রম। এখানে, দুটি খ্রীষ্টান মহিলার (খ্রীষ্টান নান বলেই মনে হল আমার) প্রার্থনার অনুষঙ্গে গ্যাদগেদে ভাববাদী আবেগ বা মানবতাবাদী অতিরেকের ফাঁদ পাতাই ছিল। অথচ, সেসব এড়িয়ে, একটি অজ্ঞেয়বাদী স্থৈর্যে উপনীত হলেন আপনি। এটা অত্যন্ত সংযমের ব্যাপার।

সামান্য একটা অনুষঙ্গ, একটা দৃশ্য, তা থেকে একটা এতবড় ক্যানভাসে পৌঁছনো (যে মহাজাগতিক ক্যানভাসের বিপুলতা ধরা পড়ে নক্ষত্রের চিত্রকল্পের অবতারণায়), বাচালতা পরিহার করে, এবং কাব্যগুণ বজায় রেখে, খুব একটা সহজ কাজ নয়। কমলকুমারের কথা মনে পড়ে। একটি বালক, যক্ষ্মা হাসপাতালের বাইরে, গাড়ির ফুটবোর্ডে বসে সাবানের বুদবুদ ওড়াচ্ছে, এই দৃশ্যকে কী অমোঘ প্রতীকেই না পরিবর্তিত করলেন গোলাপ সুন্দরীর শুরুয়াতে।

মজা দেখুন, আপনার কবিতার পটভূমিও হাসপাতাল। সেই জন্যেই মনে পড়ল বোধহয়।

শৌভ চট্টোপাধ্যায় (জানুয়ারি ২০২০; souva...@gmail...)


নিরুপম চক্রবর্তীর কবিতায় সবচেয়ে আকর্ষক তাদের ভাষা। সেই শ্লেষপূর্ণ ভাষা বর্তমান কবিতায় কিছুটা অনুপস্থিত, যদিও জায়গায় জায়গায় তা পাওয়া যায়, যেমন - 'তসবী আমার নেই/ফেলে দিয়েছি জপের মালা হেলাভরে'। একটা প্এরশ্ইন (??) থেকে যায় বিষয় সম্বন্ধে - দুটি নারীর ধর্মীয় নির্মোকের সঙ্গে 'অরগান দানের' কঠিন নিরলিপ্তির সাযুজ্য বোঝানো হয়েছে? এই কবিতা কিছুটা রাবীন্দ্রিক ঢংয়ে। সেটা ভাল, কারণ তাতে বোঝা যাচ্ছে তিনি সব জায়গায়ই সমান ভাবে বিচরণ করেন জলচরের মতো।

রাহুল রায় (জানুয়ারি ২০২০; ba...@bu...)


এক কথায় এইসব ধ্রুপদী লেখাই একটা ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখে।

মণিশংকর বিশ্বাস (জানুয়ারি ২০২০; mani...@gmai...)


বিবিধ কিসিমের শব্দের ঐকতান, কবিতার আকর্ষ।

তৃণাঞ্জন চক্রবর্তী (জানুয়ারি ২০২০; trinanjan...@gmail...)


চৈতালি সরকার-এর দু'টি কবিতা

অনবদ্য কবিতা দু'টি! 'চশমা' কবিতায় কবি চৈতালী সরকার পড়ন্ত বিকেলের নিঃসঙ্গতাকে তুলে ধরেছেন আর কিছু স্মৃতি কবিতায় কবি পুরানো স্মৃতিকে নতুন করে ফিরে পেতে চাওয়ার মধ্যে যে বিপত্তি তা গভীর ভাবে অনুধাবন করেছেন। অনেক ধন্যবাদ কবি চৈতালী সরকার এবং পরবাসকে।

স্বরূপ মণ্ডল (ডিসেম্বর ২০১৯; bivar...@gmail...)


সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়-এর পাঁচালি মধুপুরের পাঁচালি

হঠাৎ করে ব্রাউজ করতে করতে পেলাম। মধুপুরের পাঁচালি সিরিজের প্রতিটা লেখাই বেশ ভালো। ধন্যবাদ লেখককে ও সম্পাদকদের।

মধুশ্রী (নভেম্বর ২০১৯; pupau.madhu...@gmail...)


দেবতোষ ভট্টাচার্যর গল্প বরাহমিহির ও ম্যাজিক স্ক্যোয়ার

গল্পটা পড়ে ভীষণ আনন্দ পেলাম। পারলে আরও একবার পড়বো। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ।

সঞ্জয় ভাওয়াল (নভেম্বর ২০১৯; sbhaw...@fsm...)


অরণি বসুর কবিতা বর্ডার

অরণি বসুর কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হলাম। সত্যি, একজন কবির এমনটা মনে হওয়া স্বাভাবিক। দুই দেশের মাঝখানে কাঁটাতারের বেড়া--এ যে কতটা দৃষ্টিকটু তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ধন্যবাদ জানাই কবি এবং পরবাসকে।

স্বরূপ মণ্ডল (নভেম্বর ২০১৯; bivar...@gmail...)


সুদীপ্ত বিশ্বাসের ছোটোদের জন্য কবিতা খুশির সকাল

কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে শিশু মনে একটা সূক্ষ্ম অনুভূতি তৈরির কাজটি সুনিপুণভাবে কবি সুদীপ্ত বিশ্বাস করেছেন। কবির এই প্রচেষ্টা সার্থক হোক এই কামনা করি এবং সেই সঙ্গে পরবাসকে ধন্যবাদ জানাই।

স্বরূপ মণ্ডল (নভেম্বর ২০১৯; bivar...@gmail...)


ঐশী রায়ের ঐতিহাসিক গল্প বিজয়া

God bless Aishi Roy for writing this heart wrenching true story. My eyes filled with tears after reading the story. Kudos to Aishi Roy for unveiling the unknown history of our independence struggle. And I thank Parabaas for publishing it. Jai Hind.

Rajat Bose (November 2019; Rajatb...@gmail...)


শান্তনু চক্রবর্তীর ভ্রমণ পুস্তক-সমালোচনা - “সুবর্ণরেণু সুবর্ণরেখা"

শিল্পসাহিত্যের অন্য শাখাগুলির তুলনায় পুস্তক সমালোচনার একটি মৌলিক তফাৎ হল এই যে সেটি নিজ গুণেই স্বতন্ত্র সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হবার দাবী রাখতে পারে। পাঠ নিবিড় হলেও পাঠানুভূতির অনুনাদটিকে সবাই লেখায় ধরতে পারেন না। শান্তনু চক্রবর্তীর লেখায় সেই বিরল উপাদানটি আছে যা লেখক আর পাঠকের মধ্যে একটি প্রণোদনার সেতু গড়ে দেয়। পুস্তক সমালোচনায় এর চেয়ে বেশি আর কী চাইতে পারি আমরা?

স্বপন ভট্টাচার্য (নভেম্বর ২০১৯; swapan...c@gmai...)


(আগের চিঠিপত্র)



(পরবাস-৭৭, ১০ জানুয়ারি ২০২০)