• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ১০১ | জানুয়ারি ২০২৬ | প্রবন্ধ
    Share
  • বৃত্তছন্দ: বৃত্তের বাইরের স্বর : অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়

    বিরিয়ানি সময়মত পাতে পড়লে এই লেখা লিখতে হত না। নভি-মুম্বাইয়ের এক নেমন্তন্ন বাড়ি, বুফেতে কলকাতা বিরিয়ানি, বেকড রসগোল্লা আছে শুনে সপ্তাহের দিনে, শুক্কুরবার গেছি লৌকিকতা রক্ষা করতে। বুফের লাইনে দাঁড়িয়ে, আমাদের পালা আসতে আসতেই বিরিয়ানির ডেগ খালি। আমাদের মানে, আমার কবি-অগ্রজ দাদা, কবি-কঙ্কণ বলা হবে এখন থেকে, এবং এক জবরদস্ত তালিম-প্রাপ্ত গায়িকা, ছদমোনাম দিলুম কোকিলা, এবং আমি...গজভুক্তকপিত্থ, বিরিয়ানি বিহনে যার মাথা ও পেট উভয়েই আপাতত শূন্য।

    কবি-কঙ্কণ নামটা গোলমেলে, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একাধিক চণ্ডীদাসের মত একাধিক কবি-কঙ্কণ বিভিন্ন সময়ে আবির্ভূত হয়েছেন। তাও রাষ্ট্রকূটরাজ তৃতীয় গোবিন্দের মতই আমরা দাদাকে বড়জোর কঙ্কণ-৩ বলব, কিন্তু একই নামধারা বজায় রাখব। বিশেষ কারণে।

    বুফেতে আরো অনেক পদই ছিল। ছিল রুটি, নান, কুলচা। লোকে বুদ্ধি খাটিয়ে আপাতত রুটি দিয়ে মাটন সাঁটানোতে ফোকাস করছিল। দাদা উদাসস্বরে বলল, রুটি নিলেও হয়, পরে বিরিয়ানি এলে না'হয়... পরিবেশকরা শূন্য ডেগ ভরবার জন্য ছোটাছুটি করছে দেখতে দেখতে, ক্রৌঞ্চবধে বাল্মিকী মুনির শোক থেকে যেমন শ্লোক উদ্গত হয়েছিল, আমার মুখ থেকে তেমনি বেরিয়ে এল-

    রুটি কী? আটার রাবিশ, বিরিয়ানি আসলে খাবো।

    খেয়েদেয়ে মুখটি পুছে, দুভায়ে ঘরকে যাবো॥

    —বাঃ, বেড়ে বলেছিস তো! মনে হচ্ছে স্বরবৃত্ত। দাদা একবার রিপীট করলেন। ভাগ্যিস ধীরস্বরে, নইলে রুটিকে utter rubbish বললে এই আরবসাগরের তীরের লোকজন...

    শুধু কোকিলা মন দিয়ে শুনছিল, বলল- ঠিক আছে, দাদরা। এক একটা লাইন আড়ে। ৬ মাত্রা।

    মাত্রার নাম নেওয়া মাত্র কবি-কঙ্কণের কানখাড়া।

    —৬ মাত্রা? উঁহু, এ তো চারের চাল। স্বরবৃত্ত ওই একটি চালই... দাদা হাতে গুনে দেখিয়ে দিলেন...

    শুরুতে ৩ মাত্রা করে একটা ভাঙা পর্ব আছে।

    কোকিলা অত সহজে মেনে নেওয়ার পাত্রী নয়! বয়সে বালিকা হলে কী হয়, সে দস্তুরমত গুর্জর-প্রতিহার না মায়া-মালবগৌলাই, কী যেন এক ঘরানার তালিমপ্রাপ্ত গায়িকা। সাপের হাঁচির সঙ্গে বেদের মতই দাদরা তালের সঙ্গে তার বোঝাপড়া।

    তার হাতের মাত্রা নিরূপণে ব্যপারটা এরকম দাঁড়ালো...

    শুধু তাই না, একটি চেনা গানের সুর সহযোগে গেয়েও শুনিয়ে দিল...

    এবার তিনজনেই বিভ্রান্ত। পুরো হ য ব র ল ব্যাপার। ভগ্নাংশে যেটা ছয়, ত্রৈরাশিকে সেটাইচার হয়ে গেলে তো মহা মুশকিল।

    ঠিক তখনই জনৈকা খাবারের প্লেট হাতে আমাদের দিকে তাকিয়ে নড করলেন।পুরো "জানিনে কার উদ্দেশে" ব্যপার হল,কারণ আমি তাঁকে চিনতে পারলাম না। কবিকঙ্কণ বা কোকিলার পরিচিত হবেন হয়তো। কিন্তু তাঁর হাতের প্লেট থেকে চোখ সরাতে পারছিলাম না, স্তুপীকৃত মাটন রিবস সেখানে। তিনিও সেটা লক্ষ্য করেছিলেন মনে হয়, দু'মিনিটের মধ্যে তিনি ফিরে এসে কোকিলার সঙ্গে খেজুরে আলাপ জুড়লেন...

    -টুবলুটা কেবল খাবার নষ্ট করে, তাই ওকে আর আলাদা প্লেট নিতে দিইনি। আমার থেকেই খেয়ে নেবে'খন।

    -এক প্লেটে খেলেই কী একমাত্রা হয়! বিড়বিড় করছিলাম, কিন্তু বোধহয় বেশ জোরেই। মহিলা দৃষ্টিতে দুর্বাসাবৎ ভালবাসা জ্ঞাপন করে সরে পড়লেন। কোকিলা সঙ্গত কারণেই আমাকে কিঞ্চিৎ কড়কে দেবার উয্যুগ করছিল, তাড়াতাড়ি বললাম, আরে, আমি মাটন রিবস না, মাত্রার কথা বলছিলাম।

    —কী রকম?

    —ওই যে, স্বরবৃত্তের উদাহরণে আ আর টার্ দুটোই এক এক মাত্রা ধরা হচ্ছে! টা আর র্ একপাতে খেলেও আসলে ডবল খাচ্ছে তো। ওই টুবলু আর তার মায়ের মত। সেখানে আ খাচ্ছে একজনের মাপে। অবশ্য সবার খাওয়ার মাপ একই, এরকমটা ধরে নিয়ে তবেই এটা সম্ভব।

    কোকিলার উদাহরণটা পছন্দ মনে হল। বলল, বেশ তো, আজকাল তো সব অডিও রেকর্ডিং ডিজিটালি হয়। শব্দের ছবি দেখা যায়। এটাও হাতে কলমে করে দেখা যেতে পারে। দেখতে হবে আ বলতে যা সময় নিচ্ছে, টার্ বলতে ঠিক ততটা সময় লাগছে নাকি তার দ্বিগুণ।

    নাঃ, বিরিয়ানির এখনো দেখা নেই। হাতে সময় আছে। মানে আরো কিছু উদাহরণ কেটে-কুটে দেখা যেতে পারে।

    দাদা বললেন, কবি-কঙ্কণের দেওয়া উদাহরণগুলিই দেখা যাক। কবিতার ক্লাসে যা পড়িয়েছিলেন। আমরা বললুম, তথাস্তু।

    দুটোই কোকিলার তালের প্রিজ়মে ভেঙে দাঁড়ালো এরকম...

    দাদা বললেন, বেশ, এবার তা হলে কবিকঙ্কণের দেওয়া স্বরবৃত্তের খাপছাড়া উদাহরণগুলি তালের আলোয় দেখা হোক, নতুন জরীপে কতটা মানিয়ে গুছিয়ে নিতে পারা যায়...

    কবিতার ক্লাসের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ, অর্থাৎ দুটি মুক্ত, দুটি রুদ্ধ দলের পর্ব তালের নিক্তিতে ১ ২ ১ ২ অর্থাৎ ঠিক ৬ মাত্রার দাবিদার। কাজেই এ নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। যেমন প থের্ মদ্ ধে। ১ ২ ২ ১।

    দি নের্ আ লো – তিনটি মুক্ত, একটি রুদ্ধ... ১ ২ ১ ১ সর্বসাকুল্যে ৫ মাত্রা...কিন্তু লক্ষ্য করা যায় বলার সময় আলো না বলে বলা হচ্ছে আলো০...পদের শেষে লো, এই মুক্তদলের সময়সীমা বেড়ে যাচ্ছে। সে মাংস মিষ্টিতে মিশিয়ে ফেলবে না বলে, আরেকটা প্লেট তুলে নিচ্ছে... তাহলে ১ ২ ১ ১ ও আরো ১ মিলিয়ে ৬ মাত্রার পর্ব তৈরী।

    নি ভে এ লো-চারটি মুক্তদল, ৪ মাত্রা, কিন্তু এ ক্ষেএে ভে ও লো দুজনেই নতুন প্লেট তুলে নেওয়ায় আরো দুটি মাত্রা যোগ হয়ে দাঁড়াচ্ছে ৬। নি ভে ০ এ লো ০।

    এর চূড়ান্ত পরিণতি যমুনাবতী সরস্বতী-র ক্ষেত্রে, যমুনাবতী পাঁচটি মু্ক্তদলের সমাহার, চারের চালে ধরবার কথা নয়, কিন্তু যাত্রীগাড়ির এই কামরায় সীটগুলি আসলে ছয়ের মাপে...তাই যমুনাব-র চার আর তী এই শেষ দলের ছড়িয়ে বসার ১ + বাড়তি ১-এর দৌলতে ৬ মাত্রায় ঠিকঠাক ধরে যাচ্ছে। সাত হলে কিছুতেই তারা আঁটত না।

    শন শন শন বাতাস বইছে, তিনটি রুদ্ধদল... শন শন শন...২ ২ ২ করে পরিষ্কার ৬ মা্ত্রা। বা তা স ব ই ছে , সেও ৬ মাত্রা।

    শব্দের শেষে মুক্তদলের এই প্রসারণ ঘটে প্রয়োজনবোধে। কিন্তু রুদ্ধদলেরও যে প্রসারণ ঘটে তা তো কবিকঙ্কণ-২ বলেই দিয়েছেন। বাইরে কেবল জলের শব্দ ঝুউপ ঝুউপ ঝুউপ। ২ মাত্রার রুদ্ধদল উপায়ন্তর না দেখে মধ্যস্ফীতি স্বীকার করে নিচ্ছে।

    কিন্তু এইখানে একটা খটকা এই গজভুক্তকপিত্থর রয়েই গেল, কোথায় ২ মাত্রার শন হবে, আর কখন ৩ মাত্রার ঝুউপ হবে, তার সাধারণ সূত্র কী হবে? দাদার কাছে ভয়ে বচ হইলাম।

    কবি-কঙ্কণ-৩ বেশ খোশ-মেজাজে ছিলেন। বললেন,

    -আঃ, গোলি মারো। তুই তাহলে বলতে চাস ৬ এর চালের মাত্রাবৃত্ত আর স্বরবৃত্ত বস্তুতঃ একই?

    ভাবলাম বলি ,খানিকটা তাই। যদি বলি আসলো শরৎ, হিমেল পরশ...

    কিন্তু কিছুই বললাম না, দাদা অন্যদিকে তাকিয়ে ছিলেন। দৃষ্টি অনুসরণ করে দেখলাম বিরিয়ানির ডেগ ভরে উঠছে।

    সেদিকে যেতে যেতে দাদা বললেন, আটা দিয়ে কিন্তু শুধু রাবিশ না, অনেক ভাল ভাল জিনিষও তৈরি হয়। যেমন সত্যনারায়ণের শিন্নি। আহা, অনেকদিন খাইনি। তুই বাড়িতে একটা সত্যনারান দে না, বেশি কিছু না, আমাদের স্বরচিত কবিতাপাঠ আর শিন্নি।

    তবে স্বরচিত কবিতা ছন্দে বাঁধা হতে হবে।

    আর, মোটেও ভাবিস না, আমি শুধু বিরিয়ানি দেখে এত উৎফুল্ল। একটা পুরনো ধাঁধার মনে হয় সমাধান হয়ে গেল এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গী থেকে...

    —কী রকম?

    —বাবুদের তালপুকুরে হাবুদের ডালকুকুরে...

    —মানে?

    -মানে ওই তালপুকুরে, ডালকুকুরে ইত্যাদি পর্বগুলো স্বরবৃত্তের চারের চালে ব্যাখ্যা করা গেলেও আগের বাবুদের, হাবুদের ৩ মাত্রা করে হওয়ায় মুশকিল হচ্ছিল। পুরোপুরি স্বরবৃত্তের চাল বলা নিয়ে সংশয় ছিল। ভাঙা পর্ব বলে চালাতে হচ্ছিল।

    তোর ছড়ানো কোবতের পদ্ধতিতে জরীপ করে দেখছি এই রকম দাঁড়াচ্ছে...

    আমি বললাম হয়ত এইজন্যই গুরুদেব সর্বদা গানের ভিতর দিয়ে ভুবনখানি দেখতে বলেছিলেন।

    কোকিলা বলল, হক কথা, লক্ষ্য করিনি, হাড়-সর্বস্ব মাটন দিয়ে দিয়েছে। তখনি বলা উচিৎ ছিল, এমনি হাড় আমায় নাহি সাজে।

    দাদা হতাশ হয়ে বললেন, নাঃ তোরা সিরিয়াস নোস। বুঝবি, বুঝবি যখন ছান্দসিক তোদের থিওরি কচুকাটা করবে।

    -করলে করবে। সেইজন্যই তো উসকানি দেওয়া। কেউ অন্যভাবে একটু ভেবে বলুক। যেমন পেস মেকার যন্তর যখন বানায় তা কি সাহেবদের জন্য বা কালা আদমীর জন্য আলাদা ডিজ়াইনের হয়?

    আর আমরাই কি "সর্বাইজ্ঞ"?

    পরিশিষ্ট

    ডিজিটাল প্রযুক্তির আলোয় ব্যপারটা দেখার কথাটা মনে ধরেছিল। কিন্তু স্টুডিও ভাড়া করার রেস্ত আসবে কোত্থেকে? তাছাড়া ব্যপারটা ঠিক স্টুডিও শব্দযন্ত্রীর কাজ নয়। যাকেই বলি, বাঙালির তৃতীয় হাত, অজু- দেখিয়ে কেটে পড়ে। শেষে ঘরের নবাবপুত্তুরটিকে চেপে ধরলাম। সে ছুটি কাটাতে বাড়ি এসেছিল।

    চেয়ে-চিন্তে নেট থেকে একটি সফটওয়্যার যোগাড় হল। তাতে অডিও যোগালে সে সময়ের প্রেক্ষিতে শব্দতরঙ্গ এঁকে দেয়। তাকে বাজিয়ে দেখা যায়, যে ধ্বনি যখন উচ্চারিত হচ্ছে, কার্সার তার উপর দিয়ে যায়। অডিও মানে "কবিতার ক্লাস" বইয়ের দেওয়া উদাহরণের দুই লাইন।

    "পথের মধ্যে হঠাৎ দেখা, ট্রেনের মধ্যে আলাপচারি।"

    বাস, আর কী! এবার স্রেফ ধৈর্যের পরীক্ষা। কার্সার অত্যন্ত ধীরগতিতে চালিয়ে শব্দখণ্ডগুলিকে ছবি হিসেবে, দল হিসেবে চিনে নেওয়া। প্রত্যেকটি দলের সময়সীমা যথাসাধ্য নির্ণয় করা, এই তো। তবে সব মিলিয়ে আট লাইন এভাবে পড়তে অনেকখানি সময় লেগেছে।

    NLP/PHONEME নিয়ে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা হয়তো আরো সহজে, আরো নিখুঁতভাবে ব্যপারটা বিশ্লেষণ করতে পারেন। আমরা যা দেখলাম তা বলি।

    আমরা দেখলাম, মুক্তদল ও রুদ্ধদলের সময়সীমা এক নয়, কাছাকাছিও নয়, অনুপাত ১:২ প্রায়। (সারণী দ্রষ্টব্য।)

    তবে সব মুক্তদল এক রকম, ও সব রুদ্ধদল তার ঠিক দ্বিগুণ, তাও হয়তো নয়। আমাদের উদাহরণে মুক্তদল ০.১৫ সেকেন্ড থেকে ০.১৮ সেকেন্ডের মধ্যে ওঠানামা করেছে। তাছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে পদান্তের মুক্তদল প্রসারিত হয়ে গেছে প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি। সারণীতে দেখা-র খা, আলাপচারি-র রি এই দুই মু্ক্তদল সম্প্রসারিত হয়ে যথাক্রমে ০.৩৫ ও ০.৩৯ সেকেন্ডে দাঁড়িয়েছে। কেন, একটু পরে আন্দাজ করছি।

    আমাদের মনে হয়েছে, চারের চাল বলা হলেও এটা আসলে ছয় মাত্রার চাল। এক মাত্রা একটি মু্ক্তদলের সময়সীমা অর্থাৎ ০.১৫-০.১৬ সেকেন্ড ধরলে ৬ গুণিত ০.১৫ সমান ০.৯ সেকেন্ড প্রতিটি পর্বের সময়সীমা দাঁড়ায়। তাই হয়েছে। কম-বেশি।

    তাছাড়া, যে পর্বে মুক্ত-রুদ্ধ মিলিয়ে ৬ মাত্রা হচ্ছে না, অথচ পদের শেষে রয়েছে একটি মুক্তদল, সেখানে সেই মুক্তদলটি প্রসারিত হচ্ছে আরো একমাত্রা প্রায়। হঠাৎ দেখা-র খা আর আলাপচারি-র রি সেই জাতের মুক্তদল।

    চারের চাল হলে, পর্বগুলির সময়সীমা ০.১৫ গুণিত ৪ অর্থাৎ ০.৬ সেকেন্ড হত। কম বেশি। চারটি পর্বের কোথাও তা হয়নি।

    চারের চাল হয়তো বলা যেত, যদি রুদ্ধদলগুলির সমমাপের সময় নিয়ে মুক্তদলগুলিও উচ্চারিত হত। সেটা অবশ্য করাই যায়, মুক্তদলের সম্প্রসারিত উচ্চারণ সম্ভব। সেটাও করে দেখা হল।

    কিন্তু তাতে ছড়াটার দফারফা হল। অতটা স্বেচ্ছাচারিতা স্বরবৃত্তেরও বৃত্তের বাইরে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

    কৃতজ্ঞতা-স্বীকার

    "কবিতার ক্লাস"
    শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়
    শ্রী বেদবিৎ নাগ
    শ্রীমান অর্পণ গঙ্গোপাধ্যায়



    অলংকরণ (Artwork) : অনন্যা দাশ
  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  • (?)
  • মন্তব্য পড়ুন / Read comments