• পরবাস : মন্তব্য / Comments
  • এই সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য জমা দিন / Make a comment about this issue
  • (?)
  • Older Comments - পুরোনো মন্তব্য/চিঠি
  • পথের বাঁকে | সেমিমা হাকিম | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Reza : USA : 2022-11-06
    ভিন্ন স্বাদ এর গল্প। আমি যে পরিবেশে আঙ্গিকে বড় হয়েছি তার থেকে একে বারেই আলাদা। তবুও লেখার স্টাইল মননশীলতা মনে দাগ কেটে যায়। অনেক ধন্যবাদ ।
  • Reliving through Letters: A bit of time again with Buddhadeva Bose | Clinton B. Seely | সংখ্যা : Buddhadeva Bose | June 2004
    Ramnik Mohan : Rohtak : 2022-10-19
    Two queries, if they can be responded to:

    1. The book is now available with the title 'It Rained all Night' published by Penguin Books - An imprint of Penguin Random House. Would like to know if it is also available in its original form with the title 'Rain Through the Night' - my search on the internet somehow leads me nowhere.
    2. One of the letters towards the end refers to the fact that a Hindi translation by Bharat Bhushan Aggarwal was on the cards by a Delhi publisher. My search for this translation has also been futile. Any idea if it is available - and if yes, do please provide the details and way to get the book (i.e the Hindi translation which, if I am correct, was titled "Raat Bhar Varsha".
  • মল্লিকার্জুন | ভবভূতি ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Ayanjyoti Samanta : দিল্লী : 2022-10-16
    বেশ সুন্দর গল্প, ছোটসবেলায় ছুটিতে সিনেমা দেখলাম মনে হলো।
  • ছবির খাতা থেকে | শর্মিলা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    সাদিয়া আক্তার : সিরাজগঞ্জ : 2022-10-13
    অনেক অনেক সুন্দর এঁকেছেন ভাইয়া । আমার অনেক পছন্দ হইছে । ছবি যখন কথা বলে ।
  • আওয়াজ | পরন্তপ বসু | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    অনিরুদ্ধ দাশ : কলকাতা : 2022-10-12
    ভালো লাগলো। বাস্তবতা আছে।
  • বিনুর মা | চিন্ময় বসু | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Shubh Dutta : Melbourne : 2022-10-12
    খুব ভালো লাগলো. আজকাল ছোট্ট গল্প পড়তে বেশী ভালো লাগে. লেখাটা গতানুগতিক কিন্তু শেষটা একটা মোড় আছে. Binur কান্না আমিও শুনতে পাচ্ছি.
  • বিনুর মা | চিন্ময় বসু | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Shankar Chatterjee : Hyderabad : 2022-10-12
    I read the story, very nice. In lucid Bengali, the author has presented many cases - the death of a kid's mother and the subsequent marriage of his father to his mother's sister. Also, the author has described different types of sumptuous food items. Good story.
  • কিম্বারলাইট | অচিন্ত্য দাস | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Nupur raychaudhuri : ANN ARBOR, Michigan : 2022-10-11
    Wonderful. You have dealt a critical problem but it is narrated so simply. I am very inspired by your narrating style. It is crisp and subtle. Best wishes.
  • তারাপদ রায় : ছায়া ও মায়া | অনমিত্র রায় | সংখ্যা : ৮৮ | October 2022
    Dilip Som : Maryland, USA : 2022-10-11
    Very nice.. Informative too. Got to know Tarapada Roy's another side.
  • বীতংস | শ্রাবণী দাশগুপ্ত | সংখ্যা : ৫৪ | June 2013
    সাদিয়া : সিরাজগঞ্জ : 2022-10-04
    এই গল্পটা ভালই লাগলো । বনলতার ক্যারেক্টার আমার বেশি ভালো লাগছে । আসলে মানুষ এখন গল্প আর প্রতেই চায় না, সবাই সুধু মোবাইল আর মোবাইল, তবে আমার কাছে সিনেমা দেখার চাইতে গল্প পড়তে ভালই লাগে।
  • ভয় | হীরক সেনগুপ্ত | সংখ্যা : ৭৯ | July 2020
    নন্দন সেনগুপ্ত : সে অনেক জায়গা : 2022-09-23
    শক্তিশালী লেখা । গল্পটা ভয়েরও আবার কোথাও যেন নয়ও । পূরবী এবার কি তাহলে নামবে বাস থেকে নাকি অন্য কিছু করবে ? লেখক তা বলেন নি, হয়ত ছোটোগল্পের চরিত্র বজায় রাখতেই পাঠকের দিকে ঠেলে দিলেন কল্পনার কন্দুক :) ।বেশ ভালো লাগল।
  • মাসারিকোভা হোটেল: প্রাগ | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    শৌভ চট্টোপাধ্যায় : দিল্লি, ভারত : 2022-08-31
    খুব আশ্চর্য এই কবিতাটি। একটি আখ্যানের ঢঙে শুরু হওয়ায় খানিকটা নিরাশ হয়েছিলাম প্রথমটায়। কিন্তু ক্রমশ আখ্যানের ভেতর থেকে প্রতীকগুলো উঁকি দিতে শুরু করে। ওই লাল রঙ, এবং সেই লাল রঙ দেখে-দেখে একটা ঠিকানার খোঁজে বেরিয়ে পড়া; এমন এক রহস্যময় হোটেল, যা এক নাট্যকারের নাটকের স্টেজও হতে পারে, বা একটা গোটা বিশ্ব/ইউনিভার্স (অল দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ আ স্টেজ); একটা চাবি হাতে সেই রহস্যময় বিশ্বের দরজা খোলার প্রয়াস—এই প্রায় স্যুররিয়াল প্রতীকগুলো কবিতাটিকে ক্রমশ এক ভিন্ন স্তরে উন্নীত করে। যেন মানুষ বেরিয়ে পড়েছে তার অস্তিত্বের এবং এই বিশ্বের রহস্যভেদ করতে, তার বন্ধদুয়ার খোলার চাবি হাতে নিয়ে, কিন্তু সেই পথ যেন বা রক্তে লাল, এবং শেষ অবধি মানুষ এক বৃত্তাকার পথে এসে পৌঁছয় তার যাত্রাশুরুর বিন্দুতেই, যদিও ঈষৎ অন্যভাবে (শুরুর স্বর্ণকেশী মেয়েটি যখন কেবলই একটি ছবি)। একটা আশ্চর্য গথিক আবহও জড়িয়ে আছে লেখার ভেতর, যা কোঁৎ দে লত্রিয়ামোঁর দুঃস্বপ্নকাব্য মালদোরোর-এর কথা মনে পড়ায়।
  • চেক গবেষক ভি. লেসনি লিখিত রবীন্দ্রজীবনী: এক বিদেশি অনুরাগীর রবীন্দ্র-শ্রদ্ধার্ঘ | সুমিতা চক্রবর্তী | সংখ্যা : Rabindranath Tagore | September 2015
    নিরুপম চক্রবর্তী : প্রাগ : 2022-08-30
    চেক গবেষক ভি. লেসনি লিখিত রবীন্দ্রজীবনী: এক বিদেশি অনুরাগীর রবীন্দ্র-শ্রদ্ধার্ঘ : সুমিতা চক্রবর্তী এই রচনাটি প্রসঙ্গে আমার আগের চিঠিটি প্রকাশযোগ্য মনে করার জন্য সম্পাদক মহাশয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই দ্বিতীয় চিঠিটি লিখছি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনের জন্য যা ইতোপূর্বে আমার দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছিলো। শ্রীযুক্তা সুমিতা চক্রবর্তীর এই তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি রবীন্দ্র চর্চার প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ভবিষ্যতের গবেষকদের সাহায্য করবে বলে আমার ব্যক্তিগত ধারণা। এই প্রবন্ধটিতে প্রদত্ত তথ্যসমূহ তাই সম্পূর্ণ সঠিক হওয়া বিশেষভাবে প্রয়োজন। শ্রীযুক্তা চক্রবর্তী লিখেছেন: “নতুন চেক প্রজাতন্ত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বতন্ত্র চেক বিশ্ববিদ্যালয়। আগে থেকেই সেখানে ছিল জার্মানদের প্রতিষ্ঠিত স্টেট ইউনিভার্সিটি” এই তথ্যটিতে কিঞ্চিৎ বিচ্যুতি আছে। ১৮৮২ সালে চার্লস বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালে তার নাম ছিলো চার্লস-ফার্দিনান্দ বিশ্ববিদ্যালয় এবং যার প্রতিষ্ঠাকাল ১৩৪৮ খ্রিষ্টাব্দ) দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়, একটিকে চেক ও দ্বিতীয়টিকে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বিভাজনের ঘটনায় অজস্র বিতণ্ডার ইতিহাস আছে সে প্রসঙ্গ এই মুহূর্তে উহ্য রাখছি। মূল কথাটা এই যে “আগে থেকেই সেখানে ছিল জার্মানদের প্রতিষ্ঠিত স্টেট ইউনিভার্সিটি” এই বক্তব্যটি সঠিক নয়। প্রসঙ্গক্রমে, চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মান অংশটির পদার্থবিদ্যার এক যুবক অধ্যাপকের নাম ছিলো অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, সেখানে সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন ফ্রান্জ় কাফকা। পরবর্তীকালে চেকোস্লোভাকিয়া নাৎসি কবলিত হয়। ১৯৪৫ সালে লাল ফৌজের হাতে ওদেশে নাৎসিদের পরাজয়ের পরে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন চেক বিশ্ববিদ্যালয়টিই এখনও সগৌরবে বিদ্যমান।
  • চেক গবেষক ভি. লেসনি লিখিত রবীন্দ্রজীবনী: এক বিদেশি অনুরাগীর রবীন্দ্র-শ্রদ্ধার্ঘ | সুমিতা চক্রবর্তী | সংখ্যা : Rabindranath Tagore | September 2015
    নিরুপম চক্রবর্তী : প্রাগ : 2022-08-21
    চেক গবেষক ভি. লেসনি লিখিত রবীন্দ্রজীবনী: এক বিদেশি অনুরাগীর রবীন্দ্র-শ্রদ্ধার্ঘ : সুমিতা চক্রবর্তী প্রাগ শহরে বসে শ্রীযুক্তা সুমিতা চক্রবর্তীর এই তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি আবার পড়লাম। আলোচনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সংযোজন: এই নিবন্ধে উল্লিখিত 'প্রাগ' বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ৰকৃত নাম চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়, চেক ভাষায় Univerzita Karlova। ১৩৪৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত, ইউরোপের অতি প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অন্যতম, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও পূর্ণ গরিমায় বিদ্যমান: অতি সম্প্রতি, বিগত ১৫ই আগস্ট, ২০২২ তে প্রকাশিত সাংহাই তালিকাতেও চার্লস বিশ্ববিদ্যালয় চেক প্রজাতন্ত্রের সর্বোত্তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উল্লিখিত হয়েছে।
  • গান নিয়ে : নিরানব্বই শতাংশ বাঙালির হেমন্ত (৩) | সম্বিৎ বসু | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    ছন্দা চক্রবর্তী : IIT Jodhpur : 2022-07-20
    ভালো লাগল তথ্যসমৃদ্ধ বিশ্লেষণ । অনেক কথা জানা হল। ধন্যবাদ । আমার নিজের যেন মনে হ্য় গায়ক হেমন্তর থেকেও সুরকার হেমন্ত যেন আরো মুগ্ধকর। রবীন্দ্রধর্মী হয়েও রবীন্দ্র সঙ্গীতের অনুকরণ নয়। একের পর এক কাব্যময়, সুরে মগ্ন আদ্যন্ত বাঙালি সৃষ্টি ।
  • মাসারিকোভা হোটেল: প্রাগ | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    দেবব্রত শ্যাম রায় : পানিহাটি : 2022-07-19
    একাধিকবার পড়লাম। পড়েই মনে হল পাদ্রি উইলিয়ামের কথা, যাকে এক প্রাচীন দুর্গে হত্যা রহস্যের সামনে বিমূঢ দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন উমবের্তো একো। একটা লেখা ভালো লাগল, তবে মন ভরলো না। একটা সিরিজ চাই।
  • মাসারিকোভা হোটেল: প্রাগ | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    ছন্দা : IIT Jodhpur : 2022-07-17
    দুর্ধর্ষ! হাভেলের হাভেলিতে surreal নাটক চলতেই থাকে। নট পাল্টে যায়, স্টেজ একই থাকে।
  • ফেয়ার-ওয়েদার ব্রিজ | রঞ্জন ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    শতদ্রু মজুমদার : চন্দননগর : 2022-07-15
    মানুষের জীবনের সঙ্গে নদী একাকার। একথা বাংলা সাহিত্যের মহান সাহিত্যিকরা বলে গিয়েছেন। রঞ্জনের এই লেখাটি স্মৃতি চয়ন। গল্পের ছোঁয়া এখানে থাকলেও শেষমেশ ব্যক্তিগত পর্যায়ে থেকে যায় আবেগ তাড়িত হওয়ার কারণে। তবুও আমাকে প্রাণিত করে। মানবিকবোধ এই লেখাকে করে তোলে নৈর্ব্যক্তিক। এখানেই লেখকের জয় !!
  • মাসারিকোভা হোটেল: প্রাগ | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    অজন্তা রায় : কোলকাতা : 2022-07-15
    লেখকের এই লেখাটি বেশ অন্যরকম। ছায়াঘেরা, রহস্যময়। বেশ গা ছমছমে ভালোলাগা। সঙ্গের ছবিটির ভয়ার্ত চোখদুটি আরো কৌতুহল বাড়িয়ে দেয়।
  • খিদে | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    স্বপন ভট্টাচার্য : কলকাতা : 2022-07-15
    ভারি সুন্দর। স্পষ্ট উচ্চারণ। নির্মেদ।
  • সম্পাদকীয় | | সংখ্যা : ৮৭ | July 2022
    Chhanda Bewtra : Omaha, NE. USA : 2022-07-15
    'পরবাস'কে পঁচিশ বছরের শুভ জন্মদিন জানাই। সেই সঙ্গে সম্পাদক মশাই ও লেখকদেরও অভিনন্দন এবং অনেক ধন্যবাদ।
  • Tagore song, Grief. Death. The pain of parting. | Rabindranath Tagore | translated by Nandini Gupta | সংখ্যা : Rabindranath Tagore | May 2022
    শ্রীতমা : মেদিনীপুর : 2022-07-11
    অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীল অনুবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ। অনুবাদিকার করা অন্য অনুবাদগুলিও এমনই সতেজ ও স্বচ্ছ। নীলাঞ্জনা বসুর অলংকরণগুলি সত্যিই অপূর্ব, শুধু এটি নয় - তাঁর প্রতিটি ছবিতেই রঙের ব্যবহার আর ভাবের প্রকাশ দেখে মুগ্ধ হই।
  • সংখ্যা : ৮৬
    ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত : ইউএসএ : 2022-06-28
    সংখ্যা ৮৬ র লেখাগুলোর বিষয়ে এক সঙ্গে মতামত জানাব ঠিক করেছিলাম। শুধু দারুণ লেগেছে বলে আর ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সম্পাদকের অনুরোধ মন্তব্য দায়সারা না হোক। অতি বিস্তার এড়িয়ে তাকে দৃঢ করমর্দনের মতো হ্রস্ব কিন্তু আন্তরিক একটা রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা যাক।

    সমরেন্দ্র রায়-এর লেখায় রস ও রসিকতার চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকে বিষাদ। এবারের সে নামের লেখাটাতে নাম চরিত্রটির পরিচয় খুব সামান্যই পাওয়া যায়। সে মেয়ে না ছেলে এটাও খুলে বলা হয়নি। কিন্তু পাঠক তার মধ্যে নিজের ছেলেবেলার একটি হারানো সুখের অনুভূতি খুঁজে পেয়ে যায়। প্রবাসে যারা বড়ো হয়েছে তাদের কাছে এই গল্পের আবহ ও চরিত্ররা গালিবের সেই নকশ্‌-এ-কদম-এর মতোই দামী, যার উল্লেখ এই লেখার প্রথম পাতায় রয়েছে। গত পঞ্চাশ বছরে আমাদের স্বদেশ পালটেছে প্রচুর, কিন্তু আমাদের প্রবাসের আশ্রয়গুলো শুধু মিলিয়ে যায়নি, ইতিহাসের পাতা থেকেও মুছে গিয়েছে প্রায়। এই কয়েকটা গল্প সেই বিলুপ্ত সভ্যতার অমূল্য নিদর্শন। স্থান, কাল, পাত্র, আঙ্গিক সব মিলিয়ে দেখলে সমরেন্দ্র রায়ের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অদ্বিতীয়, স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা।

    বাংলা সাহিত্যের প্রধান উপহারগুলি সমস্যা ও দুর্দশার প্রতিষেধকামী প্রতিবাদী শিল্প, যা এই চিরদুস্থ মাটির স্বাভাবিক ফসল। একটি দুটি পরশুরাম কী শিব্রাম শতবার পাঠ করার পরেও এটা বলা যায় যে বাংলায় হাসির গল্প বিরল, কমিক উপন্যাস অতিশয় বিরল। সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় এই স্রোতের উলটোদিকে হেঁটে যে গল্পটি সৃষ্টি করেছেন তা প্রহসন হয়েও বাস্তবনিষ্ঠ। শোকসভা একটি সুলিখিত, বুদ্ধিদীপ্ত, সম্পূর্ণ কল্পিত মজার গল্প যা বাঙালি লেখকরা সাধারণত এড়িয়ে চললেও পাঠকরা পড়তে অসম্ভব ভালোবাসে। এই গল্পের চরিত্রগুলি নিপুণভাবে আঁকা, কিন্তু গল্পের মূল উদ্দেশ্য মনোরঞ্জন। হাসির কাল্পনিক গল্প বা ফিকশন বাংলায় লেখা এখনো সহজ নয়, নইলে তা এত দুর্লভ হত না। এরকম গল্প পরবাসের প্রতি সংখ্যায় অন্তত একটি কি দেখতে পাব বলে আশা করা যায়?

    রঞ্জন রায়ের ধারাবাহিক আত্মজৈবনিক রম্যরচনার অনুরাগী পাঠক আমি। এর পনেরোতম অধ্যায়টি ফুটবল, ক্রিকেট, গান, কবিতা, দুষ্টুমি, ফাজলামি, সব নিয়ে পঞ্চাশের দশকের বোর্ডিং স্কুলের এক স্মরণীয় প্যানোরামিক ছবি। রাহুল মজুমদারের অলঙ্করণ এই লেখাটাকে আরো আকর্ষণীয় করেছে।

    অলঙ্করণের প্রসঙ্গে ফাল্গুনের গান উপন্যাসের জন্য করা অনন্যা দাশের ছবি, এবং সে রচনার জন্য দীপঙ্কর ঘোষের করা ছবির উল্লেখ অনিবার্য। দেখার মতো ছবি এ দুটি। নিজের গুণেই স্বয়ংসিদ্ধ।

    পরবাসের পুরোনো সদস্য সম্বিত বসু এক যুগ পরে ফিরে এসেছেন একের পর এক রমণীয় প্রবন্ধ নিয়ে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের উপর সম্বিতের রচনা পড়ে অনেক মজার ঘটনা জানতে পারলাম। সাহিত্যের যে নতুন দিকটা আমি আন্তর্জালের মাধ্যমে গত তিন দশক ধরে উপভোগ করি সেটাকে তথ্য সাহিত্য বলা যায়। তথ্য সাহিত্যের একনিষ্ঠ পাঠকদের তথ্যকীট, সংবাদ-নেশুড়ে যাই বলা হোক না কেন, সঙ্খ্যায় তারা কবিতা বা গল্পের পাঠকদের চেয়ে অনেক বেশি বলে আমার ধারণা। হেমন্তের উপর লেখা প্রবন্ধ আমি একাধিক পরিচিতকে পাঠিয়েছি। পরবাসের এই ধরণের রম্য নিবন্ধ আরেকটু প্রচার, আরেকটু দৃষ্টিগোচরতার দাবী করে।

    সব শেষে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়াকানন গল্পের উল্লেখ করব। পরবাসের নতুন গল্পকারদের মধ্যে পীযূষ বা গোগোল মুখোপাধ্যায়ের লেখা সহজ নয়। পরিশ্রমের ফসল এই সব গল্প। প্রায় সমপরিমাণ শ্রম ও মনোযোগ নিয়োগ না করলে শব্দের ব্যুহের ভিতর সুরক্ষিত এই কাহিনীর মর্মে পৌঁছোনো যাবে না। বাংলা সাহিত্যের পাঠক সঙ্খ্যা এমনিতেই কম। কঠিন গল্পের পাঠক তো মুষ্টিমেয়। তা সত্ত্বেও প্রতিটি প্রজন্মের লেখক নিজেদের ও নিজেদের পাঠকদের মাঝে মাঝে চ্যালেঞ্জ করেন নতুন ভাবে দেখতে ও ভাবতে। মায়াকানন গল্পের প্রথম কয়েকটা অনুচ্ছেদ পড়লেই তার সাবলীল ভাষা এবং স্পষ্টভাবে আঁকা চরিত্রগুলো থেকে পীযূষের ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যাবে। আশা করি অন্তত কিছু পাঠক ধৈর্য ধরে শেষ পর্যন্ত পড়ে এই শক্তিশালী কিন্তু খানিকটা বিষাদগ্রস্ত আখ্যানের রস গ্রহণ করবেন।
  • সম্পাদকীয় | | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    স্বপন ভট্টাচার্য : কলকাতা : 2022-06-26
    সব ওয়েবজিনের ক্ষেত্রে এটা বলা যাচ্ছে না। লেখকগোষ্ঠীর লোক পড়েন কম, মন্তব্য করেন আরো কম। নিজেকে ধরেই একথা বলতে পারি। বিশেষ লেখার খবর অবশ্য স্বতই পৌঁছে যায় এ সূত্র ও সূত্র মারফৎ । আমিও চিঠিপত্রে লোরকা নিয়ে প্রতিক্রিয়া কিছু আছে কিনা খুঁজেছিলাম। তার মানে কাজটা পরিচিতির বেড়া অতিক্রম করতে পারছে না, এটা ভাবায়, কিন্তু বিচলিত করে না। কাজটা করাই আমার কাজ, তাই প্রতিক্রিয়া পেলে ভাল, না পেলে কি আর করা! এখানে বড় পাঠকগোষ্ঠী যে সব ব্লগ বা ওয়েব্জিনের, তারা কিন্তু পাঠক ধরে রাখতে পারছেন, বাড়াতে পারছেন। প্রতিক্রিয়া অবশ্য নিরপেক্ষ সূত্র থেকে কমই আসে। নামকরা ওয়েব পত্রিকার সম্পাদকের সংগে কথা বলে জানতে চেয়েছি পড়ছে কারা? পড়ছে কি? উত্তরে তিনি তার algorithm ব্যবহার করা ডেটা ফেলে জানালেন হিট হচ্ছে প্রচুর, কিন্তু ৮০-৮৫ শতাংশ ৫ মিনিটে বেরিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং, এই ফেবু হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির মত ধরে রাখার রসদ নেই ওয়েবজিনে। আমার মতে সেটাই পত্রিকার পক্ষে সুবার্তা। যাঁরা এর পরেও পড়ছেন পত্রিকার কাজ তাঁদের ধরে রাখা এবং তাদের সংখ্যা বাড়ানো। এর জন্য personalised কিছু করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন। যেমন,লেখাগুলি স্বতন্ত্র লিংক হিসেবে পাঠকদের মেইলে পৌঁছে যেতে পারে প্রতিটি একক লেখারূপে। সেখান থেকে গোটা পত্রিকায় যাবার অপশন তো রইলোই,চাইলে পাঠক কেবল বেছে বেছে লেখায় রইলেন।
  • প্রসঙ্গ : অভিশাপ | উদয় চট্টোপাধ্যায় | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    ছন্দা বিউট্রা : ওমাহা, নেব্রাস্কা : 2022-06-22
    অভিশাপের ইতিহাসটা বেশ উপভোগ্য, কিন্তু লেখার প্রথমেই একটু তথ্যগত ভুল চোখে পড়লো। এটা ঠিক যে বাসস্থান ছোটো হয়ে যাবার জন্য পৃথিবীর অনেক প্রাণীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, শকুনরাও এর ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু এদের মৃত্যুর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল গরু-ছাগলদের ওপর যথেচ্ছভাবে diclofenac নামক ওষুধের ব্যবহার। এই ওষুধটি শকুনদের প্রাণনাশক। শকুনরা এই প্রাণীদের লাশ খাওয়ার ফলে ব্যাপকহারে মরতে শুরু করে। এখন diclofenac-এর ব্যবহার কমানোর চেষ্টা চলছে, শকুনদের সংখ্যাও আস্তে আস্তে বাড়ছে।
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    কৌশিক সেন : র‍্যালে, নর্থ ক্যারোলিনা : 2022-06-10
    প্রথমেই বলে রাখি যে লেখিকা আর্যা ভট্টাচার্যর লেখাটি সময়োপযোগী এবং খুবই প্রাসঙ্গিক। আমি লেখিকার মূল বক্তব্য ও বিশ্লেষণের সাথে পুরোপুরি একমত। সামান্য হলেও এই পত্রলেখক গত ২৫ বছর যাবৎ প্রবাসী বাঙালির মননচর্চার সঙ্গে নানান ভাবে জড়িত। পরবাস, কৌরব, বাংলালাইভ, ঊড়ালপুল এবং অন্যান্য আরো অনেক ওয়েব ম্যাগাজিনের পাশাপাশি বাংলাদেশী ওয়েব পত্রিকাগুলিতেও যাতায়াত ছিল অনেকদিন যাবৎ। অতঃপর নানান তালেগোলে, কলকাতার প্রতিষ্ঠিত বাংলা প্রকাশনী জগতে প্রবেশ করার ভাগ্যও আমার হয়েছে। তার সঙ্গে থেকে গেছে বিদেশে বাংলা নাটক লেখা এবং পরিচালনা করার উদ্ভট আসক্তি। সেই বাবদে জমা হওয়া অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে দু-চারটি বক্তব্য রাখলাম। লেখিকা যেমন করেছেন ঠিক সেইভাবেই আমরা আলোচনার বিষয়গুলি ভাগ করে নেবো-

    ১) পাঠকের দিক থেকে- প্রজন্মগত ফারাক থাকলেও বৃহত্তর পাঠক সমাজের অধিকাংশই এখন প্রিন্ট এবং ডিজিট্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সমান দক্ষ। সমস্যা রয়েছে আমাদের পাঠকসত্ত্বার এক মূলগত পরিবর্তনে। প্রাদেশিক ভাষায় সাহিত্য কিংবা মননশীল প্রবন্ধলেখকরা পাঠকের অভাবে অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন, এই সত্যটি স্বীকার করে নেওয়াই বোধহয় ভালো। যেসব পত্রপত্রিকারা তথাকথিত লাইফস্টাইল বা আধুনিক জীবনচর্চার সঙ্গী, তাদের বাজার ভালোই চলছে, তা সে প্রিন্ট মিডিয়া হোক কিংবা ডিজিট্যাল। তার ওপরে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্তহীন চুটকি, অজস্র ব্লগ এবং সবার ওপরে টেলিভিশন সিরিয়ালের মহামিছিল। এই জমজমাট বাজারে বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীলতা, সবাই যে যার বিপন্ন অস্তিত্বটুকু নিয়ে কানামাছি খেলতে লেগেছে। কিন্তু সব সত্ত্বেও সিরিয়াস পাঠক সমাজ বলে যদি কিছু থাকে তার মৌলিক পরিবর্তন সম্ভবতঃ হয়নি এবং কখনোই তা মিডিয়ার ওপরে নির্ভরশীল নয়।

    ২) লেখকের দিক থেকে- কবি, লেখক বা শিল্পীর অভিপ্রায় যে কি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিস্তর চর্চা হয়ে গেছে। লেখিকা ঠিকই বলেছেন যে ছাপার অক্ষরে নিজের নামটি দেখে আনন্দ পাওয়া মানুষের এক প্রাচীন ছেলেমানুষি। তার সঙ্গে রয়েছে আরো একটা ভুল বিশ্বাস যে দুই মলাটের মধ্যে যে স্থায়িত্ব এবং প্রামাণিকতা রয়েছে আন্তর্জালের হিজিবিজির মধ্যে তা নেই। অতিশয় দুঃখের সঙ্গে কবুল করতেই হয় যে আসলে এর উল্টোটাই সত্যি। বাংলা সাহিত্য পত্রিকা একদা ঠোঙা হয়ে যেত, এখন রিসাইকল হয়ে সে যে কোথায় যায়, মা সরস্বতীই জানেন। কিন্তু পাশে পাশে এটাও মনে রাখতে হবে যে দেশে প্রতিষ্ঠিত লেখকরা গপ্পো লিখে ভালোই রোজগার করেন, বিশেষত সেই গপ্পো থেকে সিরিয়াল বা সিনেমা হয়। দক্ষিণার উৎস বিজ্ঞাপন এবং বিজ্ঞাপনের উৎস জনগণের স্বভাব ও সংস্কৃতি। ব্লগার এবং ইউটিউবারবৃন্দ সেই স্বভাব-সংস্কৃতির অনেকটাই দখল করে বসে আছেন, তাই লেখকের স্বভাবও আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে। অর্থের পরেই শিল্পী চান পরিচিতি। বাংলা সাহিত্যকীর্তি ভাইরাল হবার সম্ভাবনা কম, কিন্তু যদি বা হয় তা নেটমাধ্যম থেকেই হবে হয়তো। লেখক যদি শুধু ভালো লেখা লিখে আনন্দ পান, তবে তাঁর কাছে কাগজ কিংবা পর্দা, দুই মাধ্যমই সমান চিত্তাকর্ষক হওয়া উচিৎ।

    ৩) প্রকাশকের দিক থেকে- সাবেক যুগ থেকে প্রকাশকের মূল কাজ ছিল লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মধ্যে সেতুবন্ধন কিন্তু অন্যরকম প্রকাশকও আছেন, ব্যবসার বদলে সাহিত্যের পরীক্ষানিরীক্ষাই যাঁদের উদ্দেশ্য। নেটমাধ্যম চালু হবার আগে তাঁরা লিটল ম্যাগাজিনের অনবদ্য লেখাগুলি প্রকাশ করতেন, কিন্তু অর্থাভাবে মাত্র কয়েকটিই টিঁকে থাকতে পেরেছিল। বলাবাহুল্য সেদিক থেকে নেটমাধ্যমের বিরাট সুবিধা আছে। কৌরব ম্যাগাজিন এই জাতীয় প্রকাশনার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ কিন্তু তাঁরাও শুধুমাত্র বাংলায় আটকে থাকতে পারেননি, পর্যাপ্ত পাঠক জোটানোর জন্য অন্যান্য ভাষায় কবিতাচর্চা তাঁদের করতে হয়েছে। অনেকে মধ্যপথ ধরেছেন অর্থাৎ সাহিত্য পত্রিকার সঙ্গে একটি অনলাইন বিপণি জুড়ে দিয়েছেন, যার উদাহরণ বাংলালাইভ। এখানে সমস্যা হচ্ছে যে জিনিসপত্র বিক্রি করতে হলে শুধু সাহিত্যে পেট ভরবে না, লোক টানতে চুটকি, মশলার্ব আমদানি করতে হবে। পরবাসের সঙ্গে কাজ করার সুখ এই যে লেখক, পাঠক আর শিল্পী বাদে এই এলাকায় বিশেষ কারো যাতায়াত নেই এবং আমাদের প্রিয় বইয়ের দোকানটিও একই জায়গায় মজুদ আছে।

    শেষের কথাটি চুপি চুপি বলি। আমরা যারা কালি-কাগজের গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে আমাদের অতি সাধারণ শৈশব-যৌবনের দিনগুলো কাটিয়েছি, তাদের পক্ষে অভ্যাস পালটানো মুশকিল। কিন্তু দিন অবশ্যই বদলেছে এবং ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত বাঙালি প্রকাশক সংস্থাগুলি তাঁদের প্রকাশিত বইপত্রের ইলেকট্রনিক এবং অডিবল অবতার তৈরি করার কাজে ব্যস্ত আছেন। ডিজিট্যাল মিডিয়ার প্রতাপ বাড়তেই থাকবে এবিষয়ে সন্দেহ নেই কিন্তু পুরনো ছবি আর গানের মতন পুরনো বইও হয়তো থেকে যাবে পাশাপাশি, আমাদের স্মৃতি, সত্ত্বা, ভবিষ্যতের সঙ্গী হয়ে
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    গান্ধর্বিকা ভট্টাচার্য : কলকাতা : 2022-05-24
    আর্যা ভট্টাচার্যের 'প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন' নামক প্রবন্ধটি পড়লাম। খুবই ইন্টারেস্টিং বিষয় এবং তথ্যবহুল আলোচনা। পড়ে ভালো লাগল। লেখিকার কিছু বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত।

    তবে ব্যক্তিগত ভাবে বলতে গেলে আমি কাগজের ম্যাগাজিন আর ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিনের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য পাই না। ভালো লেখা যে কোন মাধ্যমে পড়েই সমান আনন্দ পাই। লেখার সময়েও এটা ভেবে লিখি না যে কাগজের ম্যাগাজিনের জন্য লিখছি না ওয়েব-জিনের জন্য।

    তবে হ্যাঁ, দুয়ের মধ্যে একটা পার্থক্য নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য। কাগজের ম্যাগাজিনে লেখা জমা দেওয়ার ঝামেলা অনেক। লেখার প্রিন্ট আউট বার করে পত্রিকার অফিসে নিয়ে যাওয়া, প্রায় দেড় দু’বছর উত্তরের অপেক্ষা করা, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'চেনা মুখ' না হলে লেখা ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তুলনায় ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিন অনেক বেশী নিরপেক্ষ বলে আমার মনে হয়। ই-মেইলে লেখা জমা দেওয়ার পদ্ধতিও অনেক বেশী ঝাড়া ঝাপটা। যাঁরা অন্য পেশায় আছেন, কিন্তু লেখালেখির শখ আছে, তাঁদের পক্ষে ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিনই বেশী সুবিধাজনক মাধ্যম বলে আমার মনে হয়।
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    শুভময় রায় : কলকাতা : 2022-05-20
    আর্যা ভট্টাচার্যের ‘প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন’ পড়তে পড়তে দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত মার্কিন ঔপন্যাসিক ফিলিপ রথ এর একটি সাক্ষাৎকারের কথা মনে পড়ে গেল। লেখক লিখবেন, পাঠক পড়বেন এটা ধরে নিয়েই আমাদের এই ‘প্রিন্টেড না ডিজিটাল’ এই আলোচনা তো?কিন্তু আশপাশের পরিবেশ দেখে অনেক দিন ধরেই কেন মনে হচ্ছে যে লেখালেখি কিছু হলেও পড়ার ইচ্ছে, হয়তবা অবকাশও, মানুষের ক্রমশই কমে আসছে? শিল্প-সাহিত্য-ইতিহাস-দর্শন কি পণ্ডিতদের গণ্ডির বাইরে ভুলক্রমেও সাধারণ মানুষের কথোপকথনের বিষয় হয়ে উঠছে? তেমনটা তো কই চোখে পড়ছে না। আমার অভিজ্ঞতা বলছে পঞ্চাশ বছর আগেও কিন্তু সেটা হত। প্রায়শই না হলেও ক্বচ্চিৎ-কদাচিৎ তো হতই। এখন কি সেই স্থান দখল করল গাড়ি-বাড়ি (পরিভাষায় ‘রিয়েল এস্টেট’, তাতে ‘রিয়েল’ এর ভাগ যতই কম থাকুক না কেন), খাওয়া-দাওয়া, ভ্রমণ-পর্যটন আর ছবি তোলা? মূল বিষয়টি বোধহয় পড়ার আগ্রহ ধরে রাখা। আরপাঠকসুলভ জিজ্ঞাসু মন ও মনননির্ভর জীবন। সাহিত্যপিপাসু পাঠকের কাছে কোন্‌ মাধ্যমে ভর করে সাহিত্য এসে পৌঁছল তা বোধহয় ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুসন্ধিৎসু পাঠক মালমশলা জোগাড়ে পিছিয়ে থাকবেন না। ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকান থেকে অনলাইন লাইব্রেরি, ছাপা পত্রপত্রিকা থেকে আমাদের এই ওয়েবজিন – সর্বত্রই রইবে তাঁর অবাধ বিচরণ।বৃহত্তর পাঠক সমাজ একটা পিরামিডের মত যার নিচের অংশটার ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পিরামিডের চূড়াটি। আমার আশঙ্কা পিরামিডের নিচের ভিতটি ক্রমশই ক্ষয়ে আসছে। ওপরে থেকে যাচ্ছেন মুষ্টিমেয় জ্ঞানীগুণী মানুষ।

    ভুল ভাবছি মনে করে চিন্তাটা উড়িয়ে দিতেই পারতাম। যদি না ফিলিপ রথের মত নামকরা এক লেখক সহমর্মী হতেন। যদি না তিনি এই পূর্বাভাস দিয়ে ফেলতেন যে আর বছর পঁচিশের মধ্যেই উপন্যাসের মত একটি জ়ঁর মুষ্টিমেয় সংখ্যালঘু পাঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে যাবে। যাঁদের হয়ত সিরিয়াস সাহিত্য পড়ার প্রবল ঝোঁক, শুধু সেই ‘কাল্টিক মাইনরিটি’-র সদস্যরা ছাড়া আর খুব বেশি মানুষ বই পড়া নিয়ে মাথা ঘামাবেন না, যদি না তা তাঁদের পেশাগত উন্নতিতে কাজে লাগে! রথের আশঙ্কা সাহিত্য পাঠের জন্য যে নিবিড় মনোযোগের প্রয়োজন, তা এই স্ক্রিন-সর্বস্ব জীবনের চাপে গড়পড়তা মানুষ ক্রমশই হারিয়ে ফেলবেন। পঞ্চাশ বছর আগের পাড়ার লাইব্রেরিগুলোর সঙ্গে বর্তমানের বিস্মৃতপ্রায় স্থানীয় গ্রন্থাগারগুলোর তুলনা করলেই (বিদেশে পরিস্থিতি হয়তবা অন্যরকম) ফিলিপ রথের যুক্তিকে অকাট্য বলে মনে হয়, বইমেলায় হুজুগে দর্শক যতই ভিড় করুন না কেন।

    রথ বলছেন, ‘যদি একটা উপন্যাস পড়ে ফেলতে পনের দিনের বেশি সময় লাগে, তা হলে আপনি কিন্তু সেটা পড়েননি।’ অর্থাৎ আপনি যা পড়ছেন তা নিরবচ্ছিন্নভাবে আপনার মনঃসংযোগ আকৃষ্ট করতে পেরেছে তো? নাকি এদিক-ওদিক ছুটে বেড়ানোর অবসরে খুঁটে খাওয়ার মত কখনও-সখনও কোনও বইয়ের দুয়েক পাতা উল্টে দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্যা জাহির করেই আপনার দায়িত্ব শেষ হয়? স্ক্রিনের সঙ্গে বইয়ের প্রতিযোগিতায় বই ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে। সিনেমার পর্দা, টেলিভিশনের পর্দা, কমপিউটার এবং অধুনা মোবাইল ফোনের দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমের জনপ্রিয়তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ছাপার অক্ষর, তা কাগজে ছাপা বই অথবা ই-বুক যাই হোক না কেন, গোহারান হেরেই চলেছে।

    বুলেট ট্রেনের যুগে আমি কি ঘোড়ার গাড়ির যাত্রী হতে বলছি? বেশ কয়েক বছর আগে এই দ্রুতগতির যুগে শ্লথগতির লেখাপড়া নিয়ে সুলিখিত একটি বই (Slow Reading in a Hurried Age – David Mikics) পড়েছিলাম মনে পড়ে| সে বইতে পাশে অভিধান খুলে রেখে ধ্রুপদী সাহিত্য পড়ার পরামর্শ (বোকা-বোকা লাগছে কি?) দেওয়া ছিল। কী আশ্চর্য ফিলিপ রথের উপন্যাস পড়ার কথাও বলা হয়েছিল! সাহিত্য পাঠ এক ধরনের মানসিক ভ্রমণ যার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। ট্যুরে বেরোনোর আগেলেখকের জীবন, তাঁর সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের খবরাখবর রাখতে হয়, অনেকটা পুরোনো প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক তারকনাথ সেন অথবা তাঁর সুযোগ্য শিষ্য আমাদের অধ্যাপক অরুণ কুমার দাশগুপ্ত যেভাবে ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্য পাঠের জন্য প্রস্তুত হতে বলতেন, তেমনি আর কী।

    মাননীয় সম্পাদক মহোদয় বেশ কিছুদিন ধরেই পত্রিকার ‘চিঠিপত্র’ বিভাগটির গুণগত মান নিয়ে মর্মবেদনা প্রকাশ করে আসছেন। তিনি হয়ত ভাবছেন ছাপা পত্রিকায় এই দৈন্য তেমন প্রকট নয়। এই একটি ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। এই দীনতা ইতিমধ্যেই গেড়ে-বসা একটি সামাজিক প্রবণতার প্রতিফলন।এই দৈন্য দ্রুতগতির, বাণিজ্য-নির্ভর, স্বার্থান্বেষী এক সমাজের চিন্তার দৈন্য। ব্যতিক্রমী লেখক-পাঠক অবশ্যই আছেন। তাঁরা হয়ত নিরালা পরিবেশের আকাঙ্ক্ষায় মার্সেল প্রুস্তের মত ঘরের দরজা-জানলায় কর্ক সেঁটে আশা করছেন বাইরের আওয়াজ একেবারেই ভেতরে প্রবেশ করবে না। কিন্তু মনে রাখতে হবে সেই প্রখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিকও বারংবার তাঁর প্রতিবেশিনীকে চিঠি লিখে মনে করাতেন যে ওপরের ফ্ল্যাট থেকে আসা শব্দ তাঁর কাজে কেমন বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এ পৃথিবীতে সাহিত্যচর্চার জন্য প্রুস্তের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। তবেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব হারানো সময়ের সন্ধানে, আ লা মার্সেল প্রুস্ত।
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    Rumjhum Bhattacharya : pune : 2022-05-17
    খুব প্রাসঙ্গিক বিষয়। আরও আলোচনা ও গবেষণা প্রয়োজন।
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন | আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    Chhanda Bewtra : Omaha, USA : 2022-05-04
    (Apology for not being able to work Avro due to some technical glich) Another big advantage of digital media is saving millions of trees. It is important for the environmentally conscious current generation. Except for some sentimental and nostalgic values, digital will always win over printed media. As the alien Borg said in Star Trek, "You will be assimilated. Resistance is Futile."
  • বাদাম জমি | অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    Kankana Mayur : Howrah : 2022-04-25
    Excellent story and very much realistic. The characters are sketched pretty well.
  • স্বর্ণ জয়ন্তীতে ফিরে দেখা – ‘ওডেসা ফাইল’ | ভাস্কর বসু | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    Aniruddha Ganguly : Bengaluru : 2022-04-23
    সুন্দর, সুঠাম, নিপুণভাবে গবেষণা ভিত্তিক ও দক্ষ বিশ্লেষণাত্মক রচনা।
  • স্বর্ণ জয়ন্তীতে ফিরে দেখা – ‘ওডেসা ফাইল’ | ভাস্কর বসু | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    শিবাংশু দে : কলকাতা : 2022-04-19
    বিন্যস্ত রচনা। চেনা তথ্যগুলি সাজানোর গুণে সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে।
  • অল কোয়ায়েট : মার্চ ২০২২ | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    স্বপন রায় : ব্যাঙ্গালোর : 2022-04-18
    এই সময়ের কবিতা।যুদ্ধ নীরবতা নিয়ে আসে,মৃত্যুর নীরবতা।কবি নিরুপম চক্রবর্তী এই নীরবতার শব্দগুলোই লিখেছেন।
  • স্বর্ণ জয়ন্তীতে ফিরে দেখা – ‘ওডেসা ফাইল’ | ভাস্কর বসু | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় : সোনারপুর : 2022-04-17
    চমৎকার লাগল এই প্রতিবেদন। আমি প্রথমে ছায়াছবিটা দেখে পরে উপন্যাসটা পড়েছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিতে লেখা এই উপন্যাসের আলো আঁধারি ন্যারেটিভের পথচলায় ঠান্ডা যুদ্ধের আমলের এক থ্রিলারের নান্দীমুখ প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এই প্রতিবেদনের অলিন্দে সেই প্রেক্ষাপটের চুলচেরা বিশ্লেষণ উঠে এসেছে। এই ধারার সাহিত্যে চরিত্রের গ্রে-শ্যেড যেভাবে জ্যান্ত ইতিহাসের গ্রিনরুম থেকে উঠে আসে, রাজনীতির আবর্তে যেভাবে রহস্য দানা বাঁধে সেই দিকটা যথাযথভাবে প্রাণ পেয়েছে এই প্রবন্ধের বিন্যাসে।
  • রুমি যে অন্য রকম | অনন্যা দাশ | সংখ্যা : ৭৮ | April 2020
    koyel : kolkata : 2022-04-17
    খুব ভালো লাগলো। সত্যি তো, সবার এক রকম হওয়ার দরকার নেই, আর নিজের পথ নিজেই বেছে নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়।
  • সাইরাস | অনিন্দ্য বসু | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    chhanda bewtra : omaha USA : 2022-04-16
    বাঃ বেশ চমৎকার sci-fi লেখা। শেষের মোড়টা গল্পটাকে অন্য সারিতে তুলে দেয়।
  • অশোকযাত্রা | দিবাকর ভট্টাচার্য | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    পাঠক : কলকাতা : 2022-04-15
    অনুগ্রহ করে লেখকের অন্যান্য রচনার সাথে এটিকেও যোগ করার লেখকনামের হাইপারলিংকটি আপডেট করে দিন।

    সম্পাদকের উত্তর: অনেক ধন্যবাদ ত্রুটিটি জানানোর জন্যে। এখন ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
  • সম্পাদকীয় | | সংখ্যা : ৮৬ | April 2022
    দীপঙ্কর চৌধুরী : কলকাতা : 2022-04-15
    একটি সত্যিকারের চিন্তাউদ্রেককারী সম্পাদকীয়!
  • ফাল্গুনের গান (৩) | যশোধরা রায়চৌধুরী | সংখ্যা : ৮৫ | February 2022
    রূপসা মন্ডল দাশগুপ্ত : ফ্লোরিডা : 2022-04-05
    আমার ছেলে রে ব্র্যাডবেরি-র "ফারেনহাইট ৪৫১" বইটা পড়ে আমাকে পড়ানোর জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, কদিন থেকে চেষ্টা করছি সেটা পড়তে। এই লেখায় ওঁর উল্লেখ দেখে মনে হল বেশ কাকতালীয় ব্যপার হল। লেখাটা অসাধারণ হচ্ছে।
  • পরবাস শব্দছক | অংশুমান গুহ | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    সঙ্গীতা রায় : কলকাতা : 2022-03-29
    কিচ্ছু বুঝিনি। সব মাথার অনেক ওপর দিয়ে গেছে। এতকাল ধারণা ছিল, আমি শুধু বাংলা ভাষাটুকু পড়তে পারি, সে ভুলও ভাঙল আজ!
  • ভূগোল স্যার | অচিন্ত্য দাস | সংখ্যা : ৮৪ | October 2021
    বলাই চন্দ্র দাশ : কৃষ্ণনগর, নদীয়া, প।ব। ৭৪১১০১ : 2022-03-23
    খুব সুন্দর গল্প। ভীষণ ভালো লেগেছে। মনে হল আমিও নবকিশোরবাবুকে চিনি। আবার চিনিয়ে দেওয়ার জন্য অচিন্ত্য দাসকে অশেষ ধন্যবাদ।
  • চিঠিপত্র | Parabaas | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Rupa Mondal : Dakshineswar, Kolkata - 700057 : 2022-03-03
    অচিন্ত্য দাস-এর ছোটোদের গল্প ভূগোল স্যার অতি অসাধারণ গল্প। কাহিনির বিন্যাসে, উপস্থাপনায় অতি চমৎকার। ekjon prokrito sikkhoker mullo oporisim se ta aaro ekbar promanito holo. বিমানভ্রমণের বর্ণনাও খুব সুন্দর।
  • সম্পাদকীয় | | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    স্বরূপ মণ্ডল : কান্দি, মুর্শিদাবাদ : 2022-01-28
    সম্পাদকীয় পড়লাম। ভাল লাগল। নবরূপে পরবাস পড়তে খুব ভাল লাগছে। ফেসবুকীয় পরিবেশ থেকে পরবাসকে মুক্ত রাখা বাঞ্ছনীয়।
  • বালি: অন্য হিন্দু | ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Dr. Tilak Purkayastha : আসানসোল : 2022-01-28
    ভীষণ ভালো লাগলো।
  • আত্মজৈবনিক সেস্টিনা | নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Sunandan Chakraborty : Kolkata : 2022-01-28
    এ আমাদের একটা গোটা প্রজন্মের আত্মজীবনী। সোজা মর্মে এসে বেজেছে। জটিল ছাঁদ বজায় আছে সেসটিনার অথচ সুরেলা।
  • ``হেলা’’ কোষের পাদপ্রদীপে হারিয়ে গেলেন কি হেনরিয়েটা ল্যাকস? | নূপুর রায়চৌধুরি | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Arnab Chaudhuri : Simi Valley, CA : 2022-01-28
    This article is extremely informative and exciting! Many thanks to the author for summarizing the history of HeLa cells and the use of it in modern medical Science. Thank you!
  • ত্রাণ ট্যুরিজ়ম | সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Mayukh Datta : sharjah : 2022-01-28
    খুব ভাল লাগল!! ত্রাণ ট্যুরিজম - ব্যাপারটা এক্কেবারে oxymoron টাইপের। খুব সুন্দর বর্ণনা। এক রাতের মধ্যে ঘটে যাওয়া শেষটা হয়ত আর একটু মনোযোগ পেতে পারত!
  • খোল দো کھول دو | সাদাত হাসান মাণ্টো | translated by শুভময় রায় | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    koyel : kolkata : 2022-01-28
    অমানবিকতা, দেশ ভাগের যন্ত্রণা, আর কিছু মানুষের নির্মমতা, মান্টোর গল্পে যা সহজ ভাবে ফুটে ওঠে, তাই ই এই অনুবাদ গল্পে প্রতিফলিত হয়েছে। চুপ করে বসে নৃশংস সেই সময়ের কথা ভাবা ছাড়া আর কিছু করার নেই।
  • রস | সংগ্রামী লাহিড়ী | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    subin das : Kolkata, West Bengal, India. : 2022-01-28
    এই ভাবেই তো তথকথিত সভ্য মানুষের দল আকাশের মতন উদার, সাগরের মতন বিশাল হৃদয়ের বনমালাদের থেকে এই ধরনের বহু ব্যবহার শিখে নিয়ে বাজার থেকে কোটি-কোটি টাকা মুনাফা করে; কিন্তু এর থেকে ক্ষুদ্র অংশ সভ্য মানুষেরা ভাগ করে নেয়নি। উল্টে তাদের যুগ যুগ ধরে থাকা বাসস্থান থেকে বলপূর্বক উৎখাত করে পাঠিয়ে দেয় নিজেদের পছন্দ করা কোন জায়গায়।
  • বিধুবাবুর স্বপ্ন | প্রসূন দত্ত | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Apurba Kar : Kolkata : 2022-01-26
    খুব ভালো লাগলো। বিশেষত বর্ণনা পড়ে মনে হয় চোখে দেখছি। আরও চাই এরকম লেখা।
  • চিরন্তনী | কোয়েল মিত্র মজুমদার | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    শুচিস্মিতা : কলকাতা : 2022-01-26
    অসাধারণ এক চিরকালীন গল্প ।
  • শব্দ | উস্রি দে | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Rumjhum Bhattacharya : Pune : 2022-01-25
    দুর্দান্ত।
  • সম্পাদকীয় | | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Dipankar Chowdhury : Kolkata : 2022-01-22
    পরবাসের যে রূপটার সঙ্গে এতোদিন পরিচিত ছিলাম আমরা সেটা যেন অনেক বেশি interface friendly ছিল, অনেক অনেক ফিচার সটান দেখা যেত, যেমন "সম্পূর্ণ লেখকসূচি", লেখার প্রথম পৃষ্ঠার ছবি ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন সেগুলি অন্তরালে চলে গেল।

    আগে পরবাস খুললেই পত্রিকার একটা overall ছবি সামনে ভেসে আসত যেটা বিশেষ আকর্ষণীয় ছিল। সেটা আর রইল না।


    সম্পাদকের উত্তর:

    আপনার মন্তব্যের জন্যে অনেক ধন্যবাদ। এখন যদি আরেকবার দেখেন, তো আশা করি দেখতে পাবেন যে আপনার অনুযোগের ভিত্তিতে আমরা নতুন ডিজাইনেও পরবাসের আর্কাইভ-এ অনায়াসে বিচরণের ব্যবস্থা করেছি। সবকিছু ঠিকমতো আগের ডিজাইন থেকে নতুন ডিজাইনে নিয়ে আসার কাজ এখনো চলছে। তবে এইরকম ধরনের আরো মন্তব্য পেলে ভালো হয়।
  • গজু’স এন’ শ্রীপতি’স | নিবেদিতা দত্ত | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Prasun Chakraborty : কলকাতা : 2022-01-22
    অনেকদিন পর অসাধারণ লেখার মত একটা লেখা পেলাম। ভালো থাকবেন।
  • খোল দো کھول دو | সাদাত হাসান মাণ্টো | translated by শুভময় রায় | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Arup Bandyopadhyay : New Delhi : 2022-01-21
    চমৎকার অনুবাদ। মান্টোর লেখনী ম্লান হয়নি।
  • মহাশ্বেতার গোড়ার কথা: সিপাহী বিদ্রোহের সমাজ সচেতন ইতিহাস | অংকুর সাহা | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    দীপঙ্কর চৌধুরী : Kolkata : 2022-01-20
    অসাধারণ গ্রন্থের অনবদ্য সমালোচনা! গ্রন্থ-সমালোচনা কীভাবে লিখতে হয়, অংকুরবাবুর কাছ থেকে শিখতে হয় তা! সাধু! সাধু!
  • ত্রাণ ট্যুরিজ়ম | সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    গৌতম বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় : মধ‍্যমগ্রাম : 2022-01-20
    বাদাবনের মাটির মত এ গল্প ভিতরে টেনে নেয়; একটু এগোবার পর পাঠকের ফেরার আর কোনো উপায় থাকে না।
  • চিঠিপত্র | Parabaas | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Swapan Bhattacharyya : Kolkata : 2022-01-20
    পরবাস ৮৫ তে দত্তাত্রেয়বাবু ফ্রস্টের কবিতার অনুবাদ নিয়ে যে আলোচনা করেছেন তাতে সমৃদ্ধ হলাম। ঠিক কথা, iambic টেট্রামিটার বলাটা উচিত ছিল। অনুবাদের ক্ষেত্রে ছন্দে অবিকল্পভাবে মূলানুগ থেকে মূলের চলনটি ধরে রাখতে পারার জন্য যে অনুশীলন দরকার, স্বীকার করতে লজ্জা নেই, তা আমার নেই। তাই, আমি চলন ও ভাব অক্ষুন্ন রেখে যেটার মধ্যে আমার ভাষার স্বাভাবিকতা আহত না হয়, সেটা বেছে নিই। জানি, এই আপোষ অমার্জনীয় নয়, তবু আমি অনুবাদকে মৌলিক কাজ হিসেবেই দেখতে চাই। অনেক ধন্যবাদ দত্তাত্রেয়বাবুকে এই জরুরী বিষয়টি নজরে আানার জন্য এবং তাঁর অনুমোদন পেয়েছি বলে।
  • অনুপ্রবেশ | রূপা মণ্ডল | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    হীরক সেনগুপ্ত : ভারত : 2022-01-16
    অনেক দুঃখ, জল হয়ে গেল। চমৎকার লিখেছেন। জয় হোক।
  • চিরন্তনী | কোয়েল মিত্র মজুমদার | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Paromeeta Ray : Kolkata : 2022-01-16
    Osadharon. Iillustration tio jothajatho.
  • অনুপ্রবেশ | রূপা মণ্ডল | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Rumjhum Bhattacharya : pune : 2022-01-15
    গল্পের বিষয়টি খুব মনোগ্রাহী।
  • পায়রা | হীরক সেনগুপ্ত | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    Rumjhum Bhattacharya : Pune : 2022-01-14
    বেশ লাগল।
  • দুটি কবিতা | ঈশিতা ভাদুড়ী | সংখ্যা : ৮৫ | January 2022
    অর্ঘ্য দত্ত : মুম্বাই : 2022-01-13
    রাত্রি নিদ্রাহীন হলে.... জানি। তাই রিলেট করতে পারলাম। জিন্দেগী ভালো লাগলো। মধুর ও মেদুর।
  • Older Comments - পুরোনো মন্তব্য/চিঠি