• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ১০২ | এপ্রিল ২০২৬ | ভ্রমণকাহিনি, প্রকৃতি, বাকিসব
    Share
  • ভ্রমণের সুফল ও কুফল : ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা

    পরবাসের পাঠকেরা জানেন যে আমি বেড়াতে ভালবাসি। আমার পায়ের তলায় সরষে। এক জায়গায় কিছুদিন থাকলেই মনটা উশখুশ করে অন্য কোনোখানে যাবার জন্য। কাজ ও সংসার সামলে সময় হয়ে ওঠে না তাও কাজের ফাঁকে বাচ্চাদের নিয়েই বেড়িয়েছি। গত পঞ্চাশ বছরে সাতটি মহাদেশের প্রায় সত্তরটি দেশ ঘুরে এসেছি। প্রচুর লেখালেখি করেছি, একটা বই পর্যন্ত কীভাবে যেন বেরিয়ে গেছে। এখন বয়স আর স্বাস্থ্যের কারণে ছোটাছুটিতে রাশ টানতে হচ্ছে। তাই এখন একটু পিছন ফিরে দেখা আর সমস্ত অভিজ্ঞতার হিসেব নেওয়ার উপযুক্ত সময়।

    আমার পাঠকদের মধ্যে (এবং আমার নিজের পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যেও) অনেকেই কিন্তু দেশবিদেশে বেড়ানোয় একেবারেই ইচ্ছুক নন। তাঁরা নিজ গৃহবাসেই সন্তুষ্ট, ধন্যবাদ! স্বাস্থ্য, অর্থ বা সময়ের অভাব তো আছেই। তাছাড়াও, ভ্রমণ মানেই অনিশ্চয়তা, বিপদ-আপদ আর হাজার ঝামেলা। তাঁদের মতে পরবাসে ভ্রমণকাহিনী পড়াই যথেষ্ট। অনেকে হয়তো তাতেও গা করেন না। আমি তাঁদের সঙ্গে তর্ক করবো না।


    তাড়োবায় ব্যাঘ্রদর্শন, মহারাষ্ট্র, ২০১৩

    ভ্রমণের ভালো দিকটার মতো অনেক মন্দ ব্যাপারও আছে বৈকি। আমি নিজেও ভুক্তভোগীদের একজন। কিন্তু ব্যক্তিগত বা সামগ্রিকভাবে ভ্রমণ কি সত্যিই উপকারী না অপকারী? একটু খতিয়ে দেখা যাক।


    বোরনিও — ওরাং উটাং দর্শন, ২০০৭

    'ভ্রমণ সমগ্র ১'-এর ভূমিকায় নবনীতা দেবসেন বলেন— 'ভ্রমণের নেশা এক তীব্র নেশা, প্রায় কৃষ্ণপ্রেমের মতো, সে মাদকের সুখ যে একবার আস্বাদন করেছে, সে বারবার সেই স্বাদ ফিরে পেতে চায়।' ঠিক এই কথাই বলেছিলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আরণ্যক উপন্যাসের এক জায়গায়— 'একবার যদি ভ্রমণের নেশা পেয়ে বসে, অসম্ভব ঘরকন্না করা।' নবনীতা বলেন— 'কোনো দেশে গিয়ে আমার নিজেকে বাইরের লোক বলে মনে হয় না, মনে হয় না এখানে আমি একা, নিঃসঙ্গ।' এবং 'নতুন দেশে, নতুন পরিস্থিতিতে, অচেনা মানুষদের মাঝখানে, অনভ্যস্ত আবহাওয়ায় চলে যেতে একটুও ভয় করে না।'

    আমি নিজেও এই নেশার ভুক্তভোগী। কোনো ছুটির দিনেও বাড়ি বসে থাকতে পারি না। দূরে না হলেও, কাছে পিঠে কোথাও বেরিয়ে পড়লেই হল। আসলে বেরিয়ে পড়াটাই মুখ্য, কোথায় যাওয়া সেটা গৌণ। আমার পরিবারের সদস্যদের কিন্তু বাড়ি থেকে বেরোতে ভীষণ গাঁইগুই, সব জায়গাতেই ওদের জোর করে নিয়ে গেছি। একবার বেরিয়ে পড়লে অবশ্য সবাই বেশ আনন্দ করে। এখন স্বাস্থ্যের কারণে বেড়ানোয় ভাঁটা পড়েছে, তবু একজায়গায় বেশিক্ষণ থাকলেই পায়ের তলায় সরষে দানাটা নড়েচড়ে ওঠে।


    গ্যালাপাগোসের ইগুয়ানা

    ভ্রমণ সামাজিক বাধা, অজ্ঞতা ও অপরিচিতি দূর করে। ভ্রমণ বিদেশী, দূরদেশী অপরিচিত মানুষদের মধ্যে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে। অন্যদের জীবন, শিক্ষা, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভ্রমণ ছাড়া আর কোনওভাবে অর্জন করা যায় না, বই পড়ে, গল্প শুনে বা ছবি দেখেও না। নতুন জায়গা, নতুন পরিবেশ, নতুন প্রাণী ও মানুষ দেখার একটা অদম্য নেশা আছে। মানুষ জন্ম থেকেই ভ্রমণপিপাসু। এই প্রেরণাই আমাদের আদিম জন্মস্থান আফ্রিকা থেকে বের করে পাহাড় ডিঙিয়ে, সমুদ্র পার করে এশিয়া, ইয়োরোপ, আমেরিকার কোণে কোণে ছড়িয়ে দিয়েছে, এমনকি পৃথিবী ছেড়ে মহাকাশেও পাড়ি দিয়েছে।

    শুধু বাইরের নতুন জিনিশই নয়, ভ্রমণ আমাদের নিজেদের সম্বন্ধেও অনেক কিছু শেখায়। সেই যে বলে 'আত্মানং বিদ্ধি'। প্রতিকূল অবস্থায় নিজেকে সামলাবার চেষ্টা করি, দেখি কতটা সফল হতে পেরেছি। ভ্রমণের মাধ্যমে আমরা নিজেদের চরিত্র ও ধ্যান ধারণার সঙ্গে পরিচিত হই, অনেক দুর্বলতা, ভুলভ্রান্তি শুধরে নিই। ভ্রমণ ঔদ্ধত্য ও অহঙ্কার কমিয়ে দেয়, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর করে। শুধু শারীরিকই নয়, ভ্রমণ মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষেও বিশেষ উপকারী। আমেরিকান লেখক মার্ক টোয়েন ঠিকই বলেছেন, “Travel is fatal to prejudice, bigotry and narrowmindedness ...”


    চীনের 'গ্রেট ওয়াল', বেইজিং-এর কাছে, ১৯৯৪

    কিন্তু ভ্রমণের সবকিছুই অবশ্য সোনায় সোহাগা নয়। অনেক নেতিবাচক ব্যাপারও আছে বৈকি। আমার স্বামী বা মেয়েদের জিজ্ঞেস করলেই অভিযোগ আর নালিশের লম্বা লিস্ট ধরিয়ে দেবে। আরে বাবা, পরিচিত পরিবেশ থেকে বেরোতে হলে একটু ধাক্কা, দু-একটা আঁচড় তো লাগবেই। অবশ্য অনেক সময় একটু বাড়াবাড়ি হয়েই যায়। পরিবেশ বদল অনেকের কাছেই অস্বস্তির বা ভয়ের কারণ। তবু আসুন, আমার মেয়েদের মতো একটা লিস্ট বানাই। আগেকার যুগে ভ্রমণ তো খুবই বিপজ্জনক ছিল। এখন অবশ্য সেরকম নেই, তবুও ছোট বড়ো অনেক রকম বাধা বিপত্তি পদে পদে আছে। যে কোন ভ্রমণকারীই এসবে ভুক্তভোগী। হয়তো এতসব বাধাবিপদের জন্যই ভ্রমণ এত আকর্ষণীয়।

    —রোগ ব্যাধি সব যুগেই ছিল, এখনও আছে। নতুন জায়গায়, নতুন খাবার, পানীয়, নতুন জলবায়ু মানেই নতুন জীবাণুর সংক্রমণ। পেটখারাপ থেকে সর্দি কাশি, ম্যালেরিয়া থেকে কোভিড, কিছু না কিছুর পাল্লায় ঠিক পড়বেন। মেক্সিকোয় বিদেশী টুরিস্টদের পেটের অসুখের নামই 'মনটেজুমার প্রতিশোধ'। আমি যেখানেই যাই, দু'তিনদিন এক্সট্রা হাতে রাখি এইসব অসুখ সামলাতে। অনেক জায়গায় বিশেষ রোগের টিকা ও ওষুধ নেওয়ার দরকার পড়ে।


    গোবি মরুভূমি, মঙ্গোলিয়া ২০২২

    —এছাড়াও সাপখোপ, পোকামাকড় তো আছেই। বনেজঙ্গলে হাইকিং, ট্রেকিং করতে গেলে সাবধান থাকা দরকার। আমাজনের জঙ্গলে আমি তো এমন বাঘা পোকার কামড় খেয়েছিলাম যা সারতে দু'তিন মাস সময় নিয়েছিল।


    অ্যানটার্কটিকা ২০১০

    —প্রাকৃতিক ছাড়াও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্ঘটনা ও হামলা তো সব জায়গায় ছোট বড়ো সব শহরে, সব দেশেই ছিনতাই, ধর্ষণ, খুন খারাপি লেগেই আছে। আন্তর্জাতিক মহলে আজকাল ভারতের দুর্নাম ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের জন্য। ডেনমার্কে পকেটমারের হাতে অনেক টাকা খুইয়েছি। 'সভ্য' পাশ্চাত্য দেশ বলে কোনও 'ছাড়' পাইনি।

    —মনুষ্যসৃষ্ট দূষণ তো আছেই। উত্তর ভারতে শীতের সময় কোনও বড়ো শহরে যাওয়া মানেই দূষিত হাওয়ায় কাশি, হাঁপানি ইত্যাদির শিকার হওয়া।


    বৌদ্ধ ভিক্ষুর দল, মান্দালয়, বার্মা (মিয়ানমার)। ২০১৭

    —আরও বিপজ্জনক হল রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা। অসুখবিসুখের চেয়েও বেশি টুরিস্ট রাস্তায় গাড়ি অ্যাকসিডেন্টে আহত হন বা মারা পড়েন। ক্যানাডার বরফ ঢাকা রাস্তায় ট্রাকের সঙ্গে টক্কর খেয়ে ঘাড়ের হাড়গোড় ভেঙে আমি ছ' মাস শয্যাশায়ী ছিলাম। এখনও তার রেশ কাটেনি।

    —দূরপাল্লার যাত্রীদের জেট ল্যাগ, পাহাড়ে চড়তে গেলে অলটিচিউড সিকনেস, সমুদ্রের দুলুনিতে মোশন সিকনেস, অনেকক্ষণ প্লেনে বসে থাকায় ডীপ ভেন থ্রম্বসিস, ডিহাইড্রেশন ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলি ওষুধ, পথ্য, ব্যায়াম ইত্যাদি দিয়ে অবশ্য কিছুটা ম্যানেজ করা যায়।

    —একাকীত্ব, মন খারাপ, পরিবার ও বন্ধুদের ছেড়ে থাকা, চাকরিবাকরি, কাজকর্ম থেকে অনুপস্থিতি, সর্বোপরি নতুন জায়গায় কালচার শক।


    পার্সিপোলিস, ইরান ২০১৮

    —অপ্রত্যাশিত ঝামেলা — ফ্লাইট বিলম্ব, মালপত্র, টাকাকড়ি হারানো, গাড়ির গোলমাল, প্লেন, ট্রেন মিস করা। এসব তো যাত্রারই অঙ্গ। এর কোনও নিবারক নেই, (একমাত্র ভগবানের কাছে প্রার্থনা ছাড়া)।

    —বিপজ্জনক গন্তব্য-- যুদ্ধবিগ্রহ, রাজনৈতিক ঝুঁকি। সাবধান হওয়া সত্ত্বেও আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে কয়েক জায়গায় (পেরু, ভারত, চীন) এইরকম বিপদে পড়েছি।

    —সবশেষে (এবং বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ)— পয়সা খরচ! প্লেন টিকেট, গাড়ি ভাড়া, হোটেল খরচ, দৈনিক খাবারদাবারের খরচ, কেনাকাটা, ঘুষ, বকশিশ ইত্যাদি ইত্যাদি। সব যোগ দিলে বেশ বড়ো অঙ্ক হয়ে যায়। অনেকের পক্ষে সাধ থাকলেও সাধ্যে কুলোয় না। (এতসব সত্ত্বেও লোকে পয়সা খরচ করে দেশবিদেশে বেড়াতে যায়!) মেয়েদের লিস্টে আরও অনেক কিছু ছিল, সেগুলো না হয় বাদই দিলাম।


    প্রসাধনরত আদিবাসী, পাপুয়া নিউগিনি ২০০৯

    এসব ছাড়াও, ভ্রমণের, বিশেষ করে দূরপাল্লার, দূরদেশী ভ্রমণের কয়েকটি বিশেষ অপ-প্রভাব আছে। দুঃখের বিষয়, আজকাল ভ্রমণের জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রভাবগুলিও বেড়ে উঠছে। এক কথায় বলতে গেলে ভ্রমণ স্থানীয় সংস্কৃতি নষ্ট করে দেয়। টুরিস্টদের আমোদ বিনোদনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে জায়গাটার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্যটাই বদলে যায় এবং যেতে বাধ্য। একটা নির্জন সৈকতে হোটেল রেস্তরাঁ তৈরি করে রাতারাতি ঝাঁ চকমকে ডিজনীল্যান্ড বানিয়ে ফেলে, যেমন কান কুন-এর বিখ্যাত সমুদ্র তীর।। অনেক জায়গাতেই এরকম হচ্ছে। উপরি রোজগারের ফলে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিশেষ আপত্তি করেন না। কিন্তু ক্রমাগত টুরিস্টদের ভিড়ে প্রধান টুরিস্ট আকর্ষণটাই হারিয়ে যায়। অথচ স্থানীয় লোকেরা চান আধুনিক (পাশ্চাত্য) সুযোগসুবিধা, আমোদপ্রমোদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির উন্নতি। তাঁরাই বা কেন পিছিয়ে থাকবেন? এটা একটা বিরাট টানাপোড়েনের সমস্যা। অনেক জায়গায় প্রাকৃতিক পরিবেশ বজায় রাখতে টুরিস্টের সংখ্যা ইচ্ছা করেই কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যেমন গ্যালাপাগোস-এ ভ্রমণ, এভারেস্ট আরোহণ, অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ-এ সাঁতার বা ভুটানে বিদেশীদের প্রবেশাধিকার।

    যে কোন সুন্দর জায়গায় পাঁচ বছর পরে ফিরে গিয়ে দেখুন জায়গাটা কি রকম বদলে গেছে, আর সে পরিবর্তন কখনোই ভালোর দিকে হয় না। দেশীয় লোকদের দোষ দেওয়া যায় না। সবাই চায় তাদের অবস্থার উন্নতি করতে। আদিবাসীদের নাচগান এখন টুরিস্টদের মনোরঞ্জনের জন্য উপরি উপার্জন।

    থাইল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, শ্রীলঙ্কা, সলোমন দ্বীপ সব জায়গাতে আমি এই পরিবর্তন বাড়তে দেখেছি। মন খারাপ হয়ে যায় কিন্তু এর সমাধানই বা কোথায়? এসব জায়গায় না গেলে তো এঁদের সম্বন্ধে কিছুই জানা যায় না, অথচ গেলে ঐ সংস্কৃতিটাই নষ্ট হয়ে যায়।

    আরও সমস্যা আছে। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতই আছে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন আর কার্বন ফুটপ্রিন্ট। একটা জেট প্লেন উড়ানের নাকি বিরাট কার্বন ফুট প্রিন্ট! শুনেই ভ্রমণের অপরাধবোধটা আরও বেড়ে যায়। হাজার হাজার উড়ন্ত প্লেনগুলি সারা পৃথিবীর কার্বন এমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমাদের সবার উচিত প্লেনে যাতায়াত কম করা, কিন্তু আজকের ছুটন্ত দুনিয়ায় সেটা আর কি করে সম্ভব?


    টিমবাকটু-র সদর রাস্তা ২০০৮

    আসলে জীবনের অন্য সবকিছুর মতই ভ্রমণেরও ভালো ও মন্দ দুই দিকই আছে। সব দিক দিয়ে দেখতে হলে বোঝা যায় ভ্রমণের শুভ প্রভাবগুলি কতটা উপকারী। ভ্রমণকারীদের পক্ষে তো বটেই, সেইসঙ্গে দেশীয় লোকেদের পক্ষেও। অপ প্রভাবগুলির একমাত্র সমাধান—যে কোন জায়গায় বেড়ানোর সময় উপরোক্ত সমস্যাগুলি মনে রাখা, সাবধানে চলাফেরা করা, যথাসম্ভব পরিবেশ দূষণ না বাড়ানো, যতটা সম্ভব স্থানীয় লোকেদের সাহায্য করা, আর আপ্ত বাক্যটি মনে রাখা— 'শুধু ফোটো নিয়ে এস আর পায়ের ছাপ ছাড়া কিছুই রেখে এস না'। এইভাবেই পরিবেশের ক্ষতিটা যত সম্ভব কম করে আমরা ভ্রমণের সুখটা উপভোগ করতে পারি।

    —ছবিগুলি আমার এলোমেলো ভ্রমণের কিছু মুহূর্ত।

  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  • (?)
  • মন্তব্য পড়ুন / Read comments