


শিল্প-সাহিত্য-সংবাদ-এ দেখা যাবে পরবাস-এ প্রকাশিত লেখা কীভাবে অন্যত্র প্রচার পাচ্ছে। অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ভুবনডাঙার মানুষজন সাহিত্য একাদেমির ‘সমকালীন ভারতীয় সাহিত্য’ নামক পত্রিকায় হিন্দি অনুবাদে প্রকাশ করেছেন শ্রীমতী ইলা প্রসাদ। নন্দলাল মজুমদারের ‘চপ্পল’ গল্পের নন্দিনী গুপ্তের ইংরেজি অনুবাদ থেকে মরাঠী অনুবাদ করেছেন শ্রীমতী স্বাতিজা মনোরমা। পাক্ষিক পত্রিকাটির নাম 'পরিবর্তনাচা বাটসরু' (১লা এপ্রিল, ২০২৬)। এটা খুব সুখের কথা।
এ ছাড়াও, পরবাসে প্রকাশিত কিছু কিছু লেখা ভারতের পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এর আগে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ও কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস তাদের বইতে কয়েকটি লেখা প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি পিয়া সলটার-ঘোষের Gupi Gyne Bagha Byne: Dramatized and Retold in English নামক লেখাটি S. Chand & Co. অষ্টম শ্রেণীর ইংরেজি বইতে, এবং Orient BlackSwan নবনীতা দেব সেন-এর ‘ইয়াং সাহেবের গাড়ি’ গল্পের ছন্দা চট্টোপাধ্যায়-বিউট্রার অনুবাদ সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এই সংখ্যাতে অনিরুদ্ধ চক্রবর্তীর ছোট উপন্যাস আলোর প্রজাপতি শেষ হচ্ছে। পরের সংখ্যাতে শেষ হবে শিবানী ভট্টাচার্য দে-র ঐতিহাসিক উপন্যাস অপ্রতিহতা। কাজেই আমরা নতুন উপন্যাস পেতে আগ্রহী। অবশ্যই লেখা অপ্রকাশিত (তার মধ্যে আন্তর্জাল মাধ্যমকে গণ্য করতে হবে) হতে হবে। পরবাস-এ প্রকাশের সংক্ষিপ্ত নিয়মাবলীর সংযোগ পরবাস-এর ‘হোম্-পেজ’-এর নিচে দেয়া আছে।
AI সম্পৃক্ত কয়েকটি গল্প ইতিমধ্যেই পরবাসে প্রকাশিত হয়েছে। AI-এর প্রভাব সৃজনশীল শিল্প (তার মধ্যে কথাশিল্পও আছে) ও প্রকাশনার নীতিতে আমাদের কীরকম প্রশ্নের সম্মুখীন করবে এবং তার জন্য উপরে যে নিয়মাবলীর কথা বলা হয়েছে সেখানে এ-আই এর জন্য কীধরনের শর্ত যোগ করা উচিত ও সেটা বলবৎ করার জন্য কী প্রয়োজন এ ব্যাপারে আমি সবাইয়ের, বিশেষ করে পরবাসের বর্তমান লেখকদের, মতামত, ও আলোচনা আহ্বান করছি। বলা বাহুল্য, এর অনেক কিছু নির্ভর করবে পারস্পরিক trust-এর উপর।
আশা করছি এই সংক্রান্ত প্রবন্ধ, চিঠি ইত্যাদি প্রকাশ করতে পারব।
