




জীবন ঈশ্বরী
তোমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছি,
কিভাবে ভুলবে আমায়?
বৃষ্টি ভেজা আকাশের মতো রয়েছি
তোমার সবটা জড়িয়ে।
বাসন্তী পূর্ণিমার জ্যোৎস্না আমি
দৌড়চ্ছি তোমার শিরা ধমনীতে।
দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা শক্ত
কিছুর মতো জানান দিচ্ছি
অস্তিত্বব্যাপী।
গা শিউরোনো আবেগে কেঁপে উঠছো বারবার।
ভাবছো, হয়তো পোকামাকড় হবে।
আতস কাঁচ তাই নিয়ে এলে।
অন্ধপ্রায় চোখকে আলো দেবার চেষ্টা
করছো এবার কৌতূহলে, প্রাণপণে।
চোখ ফুটতেই দেখলে আমায়--
দেখতে পেলে শরীর জুড়ে, উথাল বুকে ঘর বেঁধেছি
শুধুই আমি--
তোমার প্রলয়।
তোমার জীবন ঈশ্বরী।
মঞ্জুশ্রীর তরবারি
চেতন আকুল হয়ে খুঁজছে চেতনকে কবে থেকে!
রক্তবর্ণ যেমন গোলাপকে খুঁজে খুঁজে ফেরে।
চেতনার হাত ধরে দুইটি বিবিক্ত হৃদয় উল্কার মতো আসে ধ্বংসের আনন্দ পেতে সম্বন্ধ ভেলায়।
মঞ্জুশ্রীর দুই ধারী তরবারি পথ আটকায়।
রঙকে,
গোলাপকেও একসাথে কেটে কেটে যায়।
তথাপি চেতনা মিশে যায় চেতনায়। মধু বিষে মাখামাখি হয়ে;
চেতনার স্নিগ্ধ আলো দুজনকে এক করে দিলে,
মঞ্জুশ্রীর তরবারি মৃদু গান গায়।
যাত্রা শেষে ভালোবাসা হাসি হয়ে মঞ্জুশ্রীর মুখে ফুটে ওঠে,
শান্ত তৃপ্ত ধ্যানের মুদ্রায়।।