• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ৬৮ | সেপ্টেম্বর ২০১৭ | চিঠি
    Share
  • চিঠিপত্র :

    Click below to read comments on other sections:

    Translation Section
    Rabindranath section
    Buddhadeva Bose section
    Satyajit section
    Shakti section
    Jibanananda section

    Feedbacks on the Rabindranath Section

    Feedbacks on Ketaki Kushari Dyson's and Sandhya Bhattacharya's memoirs

    Feedback on Bhaswati Ghosh's translation in Shakti Chattopadhyay Section


    মলয় সরকারের গল্প শিল্পীর মৃত্যু

    জুন ২০১৭ তে প্রকাশিত 'শিল্পীর মৃত্যু' গল্পটা পড়লাম। এটা কি সত্যি ঘটনা না বানানো গল্প? সত্যি ঘটনা হলে লেখককে জিজ্ঞাসা করার ইচ্ছে রইলো ভানুদার স্ত্রী ও মেয়ের কি হলো পরবর্তী সময়ে। এদের সম্পর্কে বিশেষ কিছু লেখা নেই রচনায়। কিন্তু ঘটনা সত্যি হলে অনুমান করতে অসুবিধা হয় না যে এদের আর্থিক দুর্গতি আরো বেড়েছে ভানুদার মারা যাওয়ার পরে। ওদের সাহায্য করার কিছু উপায় জানা আছে - লেখক যদি চান উপরোক্ত ই-মেলে যোগাযোগ করতে পারেন।

    স্বপ্নজিৎ (ডিসেম্বর ২০১৭; mitt...@jun...)


    সুব্রত ঘোষের গল্প অধিকারের লড়াই লালজলে

    লেখাটা কোনভাবে নজর এড়িয়ে গিয়েছিলো। এটাকে গল্প বলা হচ্ছে কেন? এ তো ঝাড়গ্রাম চৌহদ্দির গ্রামীণ যাপনের প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ! এইসব হস্তি অধ্যুষিত এলাকার সঙ্গে যৎসামান্য পরিচয় আমার আছে; এই বিবরণটি তাই আরও বিশেষভাবে দাগ-কেটে গেল, রচনাটিতে ভাষাগত কিছু রুক্ষতা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও।

    এই লেখকের আরও লেখা পড়তে চাই।

    নিরুপম চক্রবর্তী (ডিসেম্বর ২০১৭; nchak...@gma...)


    অপূর্ব মায়াময় কলমখানি তো এই নতুন লেখকের! বড্ড ভাল লেগে গেল পড়ে।

    দীপঙ্কর চৌধুরী (ডিসেম্বর ২০১৭; cdp...@rediffm...)


    বিবিধ

    রঞ্জাবতী চট্টোপাধ্যায়ের অনুবাদে 'পোষা পাখির উঠোন':

    রঞ্জাবতী কতো ছোটো জানি না, তবে ঝরঝরে বাংলায় পাখির গল্প খুব ভালো লেগেছে। আমি ও আমার মেয়ে অনন্যা বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়ানো বিড়াল, ময়না ও কাকদের নাম দিতে ভালোবাসি। আমার অভিবাদন রইল রঞ্জাবতীর প্রতি।

    (রঞ্জাবতী এখন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে।-- সম্পাদক)

    সুব্রত সরকারের গল্প 'শ্যুটিংয়ের বন্ধুরা':

    এই গল্পের বিষয়বস্তু নতুন লাগল। ছোটোদের ছড়া দিয়ে বাংলা মাসের নাম শেখানোর পদ্ধতিটি বেশ। লেখককে স্বাগত জানাই।

    ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রার গল্প 'গঁদখালির হাত':

    'গঁদখালির হাত' আমাকে ও আমার বান্ধবীদের ছোটোবেলা মনে এনে দিলঃ লম্বা হাতের গল্প শুনে মুখ আপনিই হাঁ হয়ে যেত, আর ওই ফাঁকে খাবারও চালান হয়ে যেত।

    ওরিজিন্যাল গল্পটা পেয়েছিঃ খোঁজার ভারটা আমার নব্বই ছুঁই-ছুঁই মাকে দিয়েছিলাম। আমার ছোটোবেলার বই ঘেঁটে উনি জানিয়েছেন দেব সাহিত্য কুটিরের একটি পুজোসংখ্যা, যার নাম 'শারদীয়া', তাতে একটি গল্প আছে -- গল্পটির নাম 'জামাই', লেখক মনোজ বসু। আমাদের বাড়ি ধানবাদ--যখন যাব তখন নাহয় গল্পটি এনে জেরক্স করে পরবাস-কে পাঠাব। গল্পের সারাংশ যা মনে আছে জানাচ্ছিঃ এক গ্রামে মড়ক লেগে সবাই মারা যায়। সে গ্রামের জামাই শ্বশুরবাড়ি গিয়ে দেখে শাশুড়ি-মা লম্বা হাতে পাতিলেবু পাড়ছেন, শ্বশুরমশাই পাড়ছেন ওই একইভাবে ডাব। পুরোনো স্মৃতি জাগিয়ে লেখিকা আনন্দ দিলেন।


    অতনু দে-র (myat...@gma...) মন্তব্যঃ

    নিবেদিতা দেবী যে গল্পটার কথা বলেছেন, সেটির নাম "জামাই শ্বশুরবাড়ি গেলেন", শুধু "জামাই" নয়। মনোজ বসুর লেখা।


    ভবভূতি ভট্টাচার্যের গল্প 'কড্ডাশিনি':

    কড্ডাশিনি কি নিশির ডাক-এর উলটো?

    লেখক কি বলতে চেয়েছেন নিশির ডাকে ভৌতিক কিছু নেই, বৈজ্ঞানিক কারণ আছে? ভৌতিক নয়, তার উলটোটাই, শব্দ উলটে সেটাই জানাতে চেয়েছেন কি? লেখক যদি সে-ব্যাপারে কিছু বলেন--

    নিবেদিতা দত্ত (অক্টোবর ২০১৭; dutta_n...@yahoo.c...)


    ভবভূতি ভট্টাচার্যের মন্তব্যঃ

    শব্দ নিয়ে খেলায় 'কড্ডাশিনি' অবশ্যই 'নিশিড্ডাক' (মানে, 'নিশির ডাক')-এর উল্টো শব্দ (প্রশ্নের উত্তর রয়েছে গল্পটির এক্কেবারে শেষ প্যারাগ্রাফে), তবে, "নিশির ডাকে ভৌতিক কিছু নেই, বৈজ্ঞানিক কারণ আছে" এটা কক্ষনোই গল্পটির বক্তব্য নয়।

    গল্পের প্রধান বা logically ending কাহিনী ঐ বন্ধুপিতার 'নিশির ডাক' শুনে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চাওয়ার কাণ্ডটির পিছনে বরং ওহেন কোনো অদ্ভুতুড়ে বিষয় নেই, আছে directional sound wave machine এর গবেষণাধীন বিজ্ঞান, এটাই বলতে চাওয়া হয়েছে।

    এতো মনোযোগ দিয়ে সামান্য গল্পখানি পড়ার জন্যে পাঠককে অনেক ধন্যবাদ জানাই।


    দেবাশিস দাসের গল্প উলুখাগড়া

    সাবলীল লেখার স্টাইল। ছোটোগল্পের যা একান্ত জরুরী, রয়েছে সেই চুম্বকের আকর্ষণ। প্রথম অংশে সত্যি পৌঁছে গিয়েছিলাম সোনারপুরের প্রত্যন্ত গ্রামে। পরিষ্কার দেখছিলাম সেই আলো-আঁধারের পরিবেশে বিভিন্ন চরিত্রের সমাবেশ...

    বিশ্বনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (অক্টোবর ২০১৭; gango20...@yahoo.c...)


    শ্রীময়ী চক্রবর্তীর গল্প জংলী জামাই

    Being born and brought up in Assam and having spent most of my professional life there (Assam Oil Co., Digboi and Oil India Ltd., Duliajan) I have been a keen lover of nature. I had been to Kaziranga innumerable times and know that place very well. I can tell that the author has intimate and deep knowledge of Kaziranga. It will be nice to see her use her creative style to tell us more stories about the denizens of Kaziranga--perhaps about the herds of elephants with the leader in front and the 'deputy leader' bringing up the rear guard (with kids under the bellies of their moms); or about the dare devil one-horned rhinos and so on.

    As a 92 year old, I feel I have the right to bless the author and wish her many more success.

    Ratish Ranjan Bhattacharjee (অক্টোবর ২০১৭; rrbhattac...@gmai...)


    রাহুল মজুমদারের ছবি ও স্কেচ নিশ্চিন্তে চিন্তা ফু

    অসাধারাণ সুন্দর লাগল পড়ে...

    অশোক রায় (অক্টোবর ২০১৭; iamashok...@gmai...)


    অনুষ্টুপ শেঠের রম্যরচনা আপিশের গপ্পো - যাত্রাপালা

    সার্থক রস রচনা।

    সুচরিতা (অক্টোবর ২০১৭; bisuc...@yahoo.c...)


    দারুণ অনুষ্টুপ।

    আমার একা একা ঘুরে বেড়িয়ে বোম্বে এ্যাডভেঞ্চারের দিনগুলো মনে পড়ে গেল।

    ইন্দ্রাণী (অক্টোবর ২০১৭; 28indr...@gmai...)


    শবনম দত্তর প্রবন্ধ ছবিপ্রেম

    ছবি একেবারেই কিছুই বুঝি না। আকর্ষণ বোধ করি, আশপাশ দিয়ে যাই, আর ভয় পেয়ে ফিরে আসি। এই লেখা উপস্থাপনার গুণে এত স্বাদু হয়েছে, যে মনে হচ্ছে যে আমিও আবার ছবি নিয়ে গুগল্ করা শুরু করি। আশা করি এইরকম আরো লেখা পাব।

    পিউ দাশ (অক্টোবর ২০১৭)


    শবনম দত্ত ম্যাডাম, আমি নিজেকে একটুও গুণীজন ভাবিনা তাই মন্তব্য করা হয়তো ঠিক হল না। আর আমার এই পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই বয়সে এখনো ওইদেশে গিয়ে ঐসব চিরকালীন সৃষ্টি দেখার মত সুযোগ হয় নি আর মনে হয় হবেও না। যাইহোক আপনার লেখার বিষয়ে বলি-- আপনি শুধু সরল স্বাভাবিক গদ্যে মানসভ্রমণ করালেন। আরো অনেক তথাকথিত 'ফেবু' ঘ্যাম সেলেব লিখেছেন (অতি সম্প্রতি পড়েওছি) কিন্তু এইরকম অহংশূন্য হয়ে ঘরোয়া মেয়ে সেজে লেখা, এ অভূতপূর্ব। ভালো থাকবেন আর এইরকম লেখা আরো দেবেন।

    শুভেচ্ছান্তে,

    অংশুজিৎ ভট্টাচার্য (অক্টোবর ২০১৭; angsuji...@gmai...)


    মন ছুঁয়ে গেল। ছবির বিশ্লেষণে মনের সুপ্ত অনুভূতিগুলোকে নাড়া দিয়ে গেল। বহু পরিচিত ছবিগুলোকে নতুন ভাবে চিনলাম।

    সন্দীপ ব্যানার্জী (অক্টোবর ২০১৭; sndpbn...@gmai...)


    চিরন্তন কুন্ডুর কবিতা দেশঘর

    'দেশঘর' বড়ো মোহময় কবিতা, প্রায় কবির সেই প্রথম পড়া '...রোদ্দুর দৌড়চ্ছে আজ....' আলোকবার্তা-র মতো। বড়ো ভালো লাগলো।

    দীপঙ্কর চৌধুরী (অক্টোবর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    সন্দীপ মিত্রের কবিতা উপেক্ষার জাল ছিঁড়ে

    যদিও বড়ই ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ যেন কবিতাটির অঙ্গ জুড়ে, তবুও বলার ভঙ্গীতে ও প্রচ্ছন্ন ছন্দে মন ছুঁয়ে গেল এ' 'নতুন' কবির কবিতা। 'নতুন', কারণ ওঁর লেখা আগে বিশেষ পড়িনি।

    চলুক।

    দীপঙ্কর চৌধুরী (অক্টোবর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    সিক্তা দাসের কবিতা নার্সিসিজম

    চমৎকার কবিতা। খুব, খুব ভালো লাগল। শুভেচ্ছা...

    সুবীর বোস (অক্টোবর ২০১৭, subirbo...@gmai...)


    পিউ দাশের গল্প অমৃতস্য পুত্রী

    ভালো লাগলো গল্পটি। পরিসমাপ্তি নাটকীয়, কিন্তু অতিনাটকীয় নয়।

    অতনু দে (অক্টোবর ২০১৭; myata...@gmai...)


    ক্লাইম্যাক্সটা!

    ...অসাধারণ। আমার কাছে মনে হয়েছে এই লেখা পড়ে ঠিক এই জায়গায় এসে পাঠকরা যে ধাক্কাটা খাবে . . . পিউয়ের লেখনিগুলো সত্যিই আকর্ষণীয়। ..... আর আমি আসলেই গতানুগতিক কথাগুলো ছাড়া প্রকাশ করার কোন ভাষাই খুঁজে পাচ্ছি না ... চাচ্ছি কিন্তু পাচ্ছি না। তবে এটুকুই বলছি...অদ্ভুতরকমের সুন্দর হয়েছে ।

    পিউকে আমার অনেক শুভেচ্ছা। Bestest of best luck.

    শামীমা কামার (অক্টোবর ২০১৭; shameema31...@gmai...)


    দারুণ হয়েছে দিদি! সত্যিই অপূর্ব! স্পেশালি তিষ্যার সুপ্ত মাতৃত্ব আমাকে কাঁদিয়ে ফেলেছে। চালিয়ে যাও!

    Misty (অক্টোবর ২০১৭; mistyqueen1...@gmai...)


    সাক্ষাৎকার—বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

    আগের সংখ্যার মতোই মনোগ্রাহী। চলচ্চিত্র নিয়ে এবার অনেক কথা। ভালো লাগলো পড়তে। ঋত্বিক সম্পর্কে চমৎকার analysis - ভক্তিতে গদ্গদ না হয়ে। এক লাইনে ঋত্বিক আর সত্যজিতের তুলনা করেছেন "শৈলী একটা নৈপুণ্যের কথাই বলে। যেমন আমার ঠাকুমা বা তোমার ঠাকুমা দিদিমার সুতোর কাজ করা। একটা শৈলী ছিল, নৈপুণ্য ছিল। সত্যজিৎ রায়ের তেমন অসম্ভব নৈপুণ্য ছিল, শৈলী ছিল। কিন্তু সাহস, উদ্দম অন্য জিনিস। সে সাহস ছিল ঋত্বিকের। যাতে কোন কিছু উনি মানেননি। সত্যজিৎ রায় ফিল্মের গ্রামারকে মেনে ছবি করেছিলেন। এবং গ্রামারকে মেনেই অসামান্য সমস্ত কাজ করেছেন।"

    এই দুজনের ক্ষেত্রে এটাই বোধহয় শ্রেষ্ঠ বিশ্লেষণ।

    অতনু দে (সেপ্টেম্বর ২০১৭; myata...@gmai...)


    সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের গল্প মণি ও ডাইনি

    খুব ভাল লাগল গল্পটা। অসাধারণ তো বটেই, কিন্তু ওই শব্দটা বহুল ব্যবহারে জীর্ণ বলে তার বদলে বলব, 'ইনট্রিগিং'।

    মণির চরিত্রটা খুবই ইন্টারেস্টিং, আর নিখুঁতভাবে আঁকা। কালোমণির চরিত্র আর একটু পরিস্ফুট হলে ভাল হত। কিন্তু মনে হল, ওর চরিত্রের ধোঁয়াশাটুকু লেখকের ইচ্ছাকৃত। তথাকথিত সভ্য সমাজের মানুষের পক্ষে কালোমণিকে যেটুকু বোঝা সম্ভব সেটুকুই তিনি স্পষ্ট করেছেন, অনেকটাই একটু অস্পষ্ট রয়ে গেছে। সেটা গল্পের দিক দিয়ে হয়তো ভাল, কিন্তু পাঠকের কৌতূহলের নিবৃত্তি হয় না, এই দুঃখ।

    গল্পের যিনি কথক তাঁর চরিত্র ভাল লাগেনি। অনেকটা কথার ভারে নিজেই নিজেকে ফুলিয়ে তোলা পুরুষ।

    লেখককে অভিনন্দন জানাই এই সুন্দর সাহিত্যসৃষ্টির জন্য। আরো এমন লেখার অপেক্ষায় থাকব।

    পিউ দাশ (অক্টোবর ২০১৭)


    "কবিতার হাত" গল্পেও ক্রমশ জমজমাট। হ্যাঁ, আপনার কলম যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে - এ কথা সত্যি। তবু আমার মনে হয়েছে "মূল" জায়গাটা আর একটা- দুটো লাইন বেশি পেলে "নরম" ব্যাপারটা আরেকটু প্রাঞ্জল হত। বুঝতে পারছি কলমের এই সংযমী চলন আসলে "কবিতা দোষ"। নিশ্চিত জানবেন, খুব খুঁটিয়ে পড়েছি বলে, এই লেখাকে বুকপকেটের খুব কাছাকাছি রেখেছি বলেই এটুকু বলা/ লেখা। খুব ভালো লাগছে আপনার এই "উত্তরণ"এর সাক্ষী থাকতে পেরে। শুভেচ্ছা।

    সুবীর বোস (অক্টোবর ২০১৭, subirbo...@gmai...)


    সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় সুদক্ষ গল্পকার| এই নবতম কথকতাটিও অত্যন্ত নিপুণ হাতে নির্মিত| পড়তে ভালো লাগে|

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    অসাধারণ সংযমের পরিচয় দিয়েছেন লেখক এই গল্পে :না বলেও বলা কতো কথা। আবহটি অদ্ভুত, গল্পটির। কোন্ গোত্রে ফেলবো গল্পটিকে? পড়ে থেকে ভাবছি, ভাবছি। যে গোত্রেরই হোক্, এটি এক writer's story, নিছক reader's story নয়। পরবাস পত্রিকার মান বাড়ায় এমন গল্প। বধাঈ লেখক মহাশয়কে।

    দীপঙ্কর চৌধুরী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    সুবীর বোসের গল্প উত্তরবাহিনী

    সুবীর বোস পরবাসে অনেকদিন বাদে গল্প লিখলেন; যথারীতি তাঁর স্বাভাবিক দক্ষতায়। চমৎকার ফুটিয়েছেন মূল চরিত্রদুটিকে। ভালো লাগলো।

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    প্রকৃত আধুনিক গল্প। এমন গল্প পড়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকি। গল্পটি পড়তে পড়তে মনে হয় গল্পের মূল চরিত্রটি ক্রাইসিস আর অ্যাস্যুরেন্সের রোলার কোস্টার রাইডে চড়েছে। পাঠক বেচারা যায় কোথায়? সেও বাধ্য হয়ে সঙ্গী হয়। কোনটা যে সত্যিকারের ক্রাইসিস, কোনটা নয়, বুঝতে বুঝতে গল্প ফুরোয়... শেষের মোক্ষম মোচড়টি দিয়ে। শেষ করার পরও গল্পের শীর্ষনামটি নিয়ে ভাবতে বসি। হ্যাটস অফ সুবীর বোস!

    সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় (সেপ্টেম্বর ২০১৭; smukho...@gmai...)


    পরবাস

    পুজোসংখ্যা পরবাস হাতে পেয়ে এতো আনন্দ হচ্ছে কেন? পরবাসে প্রকাশিত লেখা-ছবির মান চিরকালই অত্যুচ্চ, ইদানিং অবয়বেও বেশ পুষ্ট। তবে? আনন্দের বিশেষ কারণটি হচ্ছে, সাতাশ থেকে সাতচল্লিশ: iTexBeng এ লেখা যে সংখ্যাগুলি এদ্দিন মুঠোফোন বা ট্যাবে পড়া যেত না, এখন থেকে সে অসুবিধা বিদূরিত হলো। মাভৈঃ! পরবাসের যাত্রাপথে এ এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক, সন্দেহ নেই। সুন্দর হোক্ পথ শুভ ও নিরাপদ দূর সুদুর্গম নিকট হোক্...

    দীপঙ্কর চৌধুরী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; dip84...@gmai...)

    সব লেখা ঠিকমতো মেরামত করা গেছে কিনা জানি না--কোনো ভুল নজরে পড়লে তার লিংক-সহ খবর দিলে আমাদের খুব সুবিধা হয়। তার জন্যে অগ্রিম ধন্যবাদ। --সম্পাদক


    নিরুপম চক্রবর্তীর কবিতা বাল্টিক সমুদ্র ২০১৭

    অনবদ্য!! নিরুপমবাবুর অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখা এটা। অসামান্য চিত্রকল্পতা।

    অতনু দে (নভেম্বর ২০১৭; myat...@gma....)


    শ্রদ্ধেয় নিরুপম চক্রবর্তীর কবিতা আমার বরাবর ভালো লাগে। খুব বলিষ্ঠ লেখা। এ কবিতাটিও খুব ভালো লাগল।

    মালা সেন (অক্টোবর ২০১৭; Malasen_k...@yahoo....)


    গভীর জীবনদর্শনে সমৃদ্ধ নিটোল কবিতা। মুগ্ধতা জানাই।

    সরদার ফারুক (অক্টোবর ২০১৭; khokakabir...@gmai...)


    লৌকিক জাহাজে বসে লেখা অলৌকিক কবিতাঃ মোহময়, ভালো লাগা! [বাল্টিক সমুদ্রদেশে গেলেই দেখি ওঁর থেকে চমৎকার চমৎকার কবিতা পড়তে পাওয়া যায়, আগেও যেমন।]

    উঁহু, 'ফিরবো না আর' বললে ছাড়ছে কে?

    আগামী আগামী সংখ্যায় নিরুপম চক্রবর্তীর আরও আরও কবিতা চাই। ওঁর কবিতা ছাড়া 'পরবাস'-এর নবসংখ্যা হয় নাকি?

    দীপঙ্কর চৌধুরী (অক্টোবর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    Nirupam Chakraborty has done it again. The poem, Baltic Samudra 2017, published in Parabaas 68, is a masterpiece. Nirupam is a globe trotter. The poem is a gift to us from his recent visit to Sweden. The magic of words, rich imagery, and flip flop of reality and imagination, take the readers to a world of dreams. The poem is 'chitraroopamoy', to quote Rabindranath Tagore.

    Partha Sarathi Ghoshdastidar (অক্টোবর ২০১৭, ps...@iitk.a...)


    কবির পূর্বে প্রকাশিত কবিতার মত এই কবিতাটিও অসাধারণ।

    অশোক ঘোড়ই (অক্টোবর ২০১৭, asokghor...@gmai...)


    আমার মনে হল বাল্টিক সমুদ্রে ভেসে থাকা এম এস মারিয়েলা নিছকই একটি প্রপ। কখনও কখনও একটি মুহূর্ত আসে যখন মানুষ ছদ্মবেশ খুলে নিজের মুখোমুখি হয়। ভোররাতে অলৌকিক আর্কিপেলাগোতে ফিরে আসে। খণ্ড মুহূর্তটি স্থায়ী হয়ে বাল্টিক সমুদ্রে ভেসে থাকে।

    সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় (অক্টোবর ২০১৭, smukho...@gmai...)


    অপূর্ব "পক্ষীমানব", অপূর্ব। অক্ষরবৃত্তের নিপুণ বাঁধন মুগ্ধ করল। শুভেচ্ছা।

    সুবীর বোস (অক্টোবর ২০১৭, subirbo...@gmai...)


    কবিতাটি উড়িয়ে নিয়ে গেল নির্জন দ্বীপে।

    আমার পাখীসত্তা জেগে উঠল। আজন্ম ওড়ার সুপ্ত বাসনা!

    সুচরিতা (অক্টোবর ২০১৭, bisuchar...@yaho...)


    দারুণ লাগল। বাল্টিক সাগরে মগ্ন এক কবি, কী স্বপ্ন দেখে? সে কি পাখিদের সঙ্গে কথা বলে?

    কঙ্কন ভট্টাচার্য (অক্টোবর ২০১৭, kankan.bhatta...@gmai..)


    ওহ, অসামান্য! আপনার পাশে, একসঙ্গে যেন দাঁড়ালাম। অলৌকিক দৃশ্যটির মধ্যে যেন প্রবেশ করলাম।

    এই অনুভূতির অনেকটা একবার পেয়েছিলাম দার্জিলিং থেকে মিরিক যাবার পথে, মেঘের মধ্যে ডুবতে ডুবতে, ভাসতে ভাসতে। একদিকে আইসক্রিম কাঠি সরলবর্গীয় গাছ খাদজোড়া, অন্য দিকে পাকদণ্ডী, আমি রাস্তায়। হিমেল, ভেজা ভেজা সাদা মেঘ আর 'এই আছে, এই নেই পিচ্ছিল অজগর পথ' নিয়ে যাবে যেন মৃত্যুর শান্ত উপত্যকায়। সেখানে আর কেউ নেই। পরিজন, প্রেম, দ্বেষ, সমস্ত ক্লেশ, ইর্ষা, রোষ, মুখোশ খসে খসে যাবে এক এক করে। বিন্দু আমি মিশে যাব থেকে মহাসিন্ধুতে।

    আপনার সাথে আগে কেন দেখা হয়নি?

    প্রদীপ রায় (সেপ্টেম্বর ২০১৭; pradeep.ray.her...@gmai...)


    চমৎকার লাগলো এই কবিতা। শুধু 'হয়ে' বানানটা বোধহয় ভুলক্রমে 'হোয়ে' হয়ে গেছে। সেটা একটু চোখে লাগছে। তবে তার জন্য কবিতার কোনো রসহানি ঘটছে না।

    সন্দীপন চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; sandipan.chakraba...@gmai...)


    মুগ্ধ। সুন্দর লেখা, খুব আনন্দ পেলাম পড়ে।

    মণি বিশ্বাস (সেপ্টেম্বর ২০১৭; manibis...@gmai...)


    খুব সুন্দর লেখা। শব্দের অপ্রয়োজনীয় ভার নেই। অথচ, বিপুল এই বিশ্ব, এই প্রকৃতির মাঝখানে মানুষেক লৌকিক যাত্রার (সত্যিই কি যাত্রা?) ছবিটি ফুটে ওঠে অব্যর্থভাবে। বিষ্ণু দে'র প্রাজ্ঞ ভঙ্গিমার আভাস পাই। অথবা সুধীন দত্ত, যদিও ভাষার জটিলতা এখানে নেই। আসলে, বাংলাদেশের গন্ডীর বাইরে বেরিয়ে, বৃহত্তর বিশ্বকে কবিতায় আত্মস্থ করার কৌশলটি এঁদের কাছেই শেখা!

    Souva (সেপ্টেম্বর ২০১৭; souva.chattopad...@gmai...)


    অসাধারণ লাগলো। আগেও পড়েছি আপনার কবিতা, আবার মুগ্ধ হলাম। আপনার কলম অমর হোক। আরও অনেক লেখা উপহার পাবো এই আশা রাখি। ধন্যবাদ।

    সায়ন বসু (সেপ্টেম্বর ২০১৭; sayanbasu41...@gmai...)


    ভবভূতি ভট্টাচার্যের 'বিজুদা সিরিজ'-এর গল্প কড্ডাশিনি

    বঙ্গসাহিত্যভাণ্ডারে প্রবাদপ্রতিম গল্প-বলিয়ে চরিত্রের অভাব বড় একটা নেইঃ ব্রজদার ‘গুল্প’ শুনে থ হয়ে যায়নি, বা নীললোহিতের সঙ্গে সঙ্গে সে-ও ‘আকাশ-পাতাল’ তোলপাড় করে ফেলেনি, এমন বাঙালী পাঠক খুঁজে পাওয়া ভার। বাহাত্তর নম্বর বনমালী নস্কর লেনের মেসবাড়ির তেতলার ছাদের ঘরে তাঁর ইজিচেয়ারে আধশোয়া হয়ে কো-বোর্ডার শিবুর কাছ থেকে ন’ হাজার ন’শো পনের নম্বর সিগারেটখানি ‘ধার’ নিতে নিতে নমস্য ঘনাদা খুলে গেছেন অবাস্তব-কিন্তু-বিশ্বাসযোগ্য গল্পের অপরূপ ডালি ! সেখানেই শেষ? না; তারিণীখুড়ো নেই বুঝি, যিনি তাঁর এক্সপোর্ট কোয়ালিটি বিড়িটি ধরিয়ে মজলিশি ঢঙে শুনিয়ে গেছেন নিজ কীর্তিকলাপ? আর সত্যজিতীয় গল্পের তোড়ে হর-পাঠকের মনে হয়েছে সে-ও যেন ঐ ঐ গল্পের চরিত্র, কিন্তু, হায়, হওয়া আর তার হয়ে ওঠেনি সেটা।

    এঁদের উত্তরসূরী হলেন একমেবদ্বিতীয়ম্‌ ‘বিজুদা’, গ্রাসাচ্ছাদনের জন্যে যিনি দিনমানে দিল্লির মস্ত এক কোম্পানির সেজকর্তা, কিন্তু যত্তো অদ্ভুতুড়ে আর আধাভুতুড়ে অভিজ্ঞতার ডিপো, আদারওয়াইজ। আর, গালে হাত দিয়ে তাঁর গল্প (‘গুল্প’?)মালা শোনার ভিড়ে যেমন সহকর্মী- বন্ধুরা আছে, তেমনি মহিলার দল এবং প্রায়-দুধের শিশু স্কুলগোয়িং বালখিল্যেরা । সকল বয়সীর কাছে সমান উপাদেয় বিজুদার গল্প। বয়ঃজ্যেষ্ঠতার কারণে বিজুদা কি কিছুটা দূরের মানুষ? কৈ, না তো! তিনি শ্রোতা-পাঠকের মুড বুঝে নিতে ওস্তাদ, আর কক্ষনো কোনো বিরক্তি নেই তাঁর। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন মানুষী অভিজ্ঞতার সীমিত পরিধি---সেই আলো-আঁধারির জগৎই বিজুদার গল্পের উপজীব্য। বিজুদার বলা সব গল্পগুলোই আমরা ‘পরবাস’-এর পৃষ্ঠায় পড়ে নিয়েছি আগে, যেগুলি পরে ‘ডাইনি ও অন্যান্য গল্প’ নামে ছেপে বেরোয়।

    সেই ধারাতেই এসেছে বর্তমান গল্পখানিঃ ‘কড্ডাশিনি’---শেষ শব্দ পর্যন্ত ধরে রাখা টানটান সাসপেন্স যে-গল্পের প্রাণভোমরা (না, কিচ্ছুটি বলে দেব না)। একাধারে বিজ্ঞান ও কুসংস্কারের অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন লেখক, প্লটখানি তাই অনবদ্য। পাঠকের পাঠ-অভিজ্ঞতাকে ভারাক্রান্ত না করেও যত যত বৈজ্ঞানিক তথ্যাদির সন্নিবেশ ঘটেছে এই বাংলা গল্পটিতে, শুধু তা দিয়েই এক নিটোল গল্প বনে যায়, কিন্তু দক্ষ বুনোটে লেখক সেসব তথ্য দিয়ে গল্পধারাটিকেই পুষ্ট করে তুলেছেন, ভারাক্রান্ত করেননি। হ্যাঁ, শীর্ষনামটিকে বুঝে নিতে গল্পের শেষ শব্দ পর্যন্ত চলে যেতে হবে পাঠককে---ততদূর তাঁকে নিয়ে চলাই এক মাস্টার স্টোরিটেলারের কাজ, যাতে একশো ভাগ সফল ভবভূতিবাবু। এবং এতে পাঠ-গতি সদা সর্বদাই থেকেছে অবাধ ও সাবলীল, এটাই বড়ো আনন্দের।

    বর্ষীয়ান চাকুরিজীবি বিজুদার রিটায়ারমেন্ট কবে? চাকুরি থেকে করুন গে যান, কিন্তু গল্প বলা থেকে যেন না করেন। আজকের শিশু-কিশোরদের , মানে ‘ইয়ং এডাল্ট’-দের বিশেষণটুকু খসে পড়া পর্যন্ত যেন চলতেই থাকে তাঁর গল্প বলার আসরঃ এই কামনা করি, এই আশা রাখি।

    দীপঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (অক্টোবর ২০১৭, লণ্ডন, dipankarb...@yaho...)


    প্রথম দিকে একটু ধীরে চললেও - গল্প গতি পেয়েছে শেষ পর্বের আগে। প্রজ্ঞা, কলমের দ্যুতি, শব্দচয়ন - সব মিলিয়ে অসাধারণ। শুভেচ্ছা...

    সুবীর বোস (অক্টোবর ২০১৭, subirbo...@gmai...)


    কড্ডাশিনি, মানে কী? না জেনেই ঢুকে পড়লাম গল্পে । তাতে অবশ্য কোনো অসুবিধা নেই । যাই হোক, নিশির ডাকের অদ্ভুতুড়ে আষাঢ়ে গল্প যে কীভাবে শব্দতরঙ্গ, অ্যামপ্লিচ্যুড মডিউলেশন, ডিরেকশনাল সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদির মতন আধুনিক শব্দবিজ্ঞানের তত্ত্বীয় প্রযুক্তি ও প্রয়োগের মধ্যে এসে পৌঁছাবে, তা প্রথমে মালুমই হয়নি! সত্যি কথা কী, নিশির ডাক রহস্যের ভাঁজে ভাঁজে যে এমন চমৎকার শব্দবিজ্ঞানের কাহিনি রয়েছে তা কল্পনা আর সত্যির মিশেলে বোনা এই দারুণ জমাট গল্পটি না পড়লে জানতে পারতাম না ! ... তবে শুধু ছোটোদের জন্যে-ই নয়, বড়োদের, বুড়োদের সবার ভালোলাগার মতন একটি টানটান গল্প ...

    সিদ্ধার্থ মজুমদার (অক্টোবর ২০১৭, siddharthamajumdari...@gmai...)


    কোথায় কল্পনা শেষ হয়ে কল্পবিজ্ঞান শুরু হয়, জানতে পারার আগেই ঘায়েল.....অসম্ভব সুন্দর

    অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় (সেপ্টেম্বর ২০১৭; probasi.ar...@gmai...)


    কীভাবে লেখক জমিয়ে তুলেছেন বাদলা দিনে আড্ডার পরিবেশ, চমৎকার। প্রথম দিকে বিজুদার গল্প শুনতে শুনতে যেই ভাবি --নিশির ডাক কই, অমনি দেখি লেখক ধুয়ো ধরিয়ে দিচ্ছেন। মানে এই সুন্দর কায়দাটা উনি সচেতন ভাবেই ব্যবহার করছেন।

    আমার বিজ্ঞানের প্রাথমিক পাঠও নেওয়া নেই। তবে কথা বলা পুতুলের শো বেশ কয়েকবার দেখেছি। লেখক নিশ্চয়ই ফিজিক্সের যে সব তথ্য দিচ্ছেন, সম্ভবতঃ শব্দবিজ্ঞানের স্বীকৃত তথ্যই দিচ্ছেন--এতে কিশোরমনের জন্যে রথ দেখা কলা বেচা দুটোই হচ্ছে। পড়ে মনে হল উনি বিজ্ঞানের এই তথ্যগুলো দেবেন বলেই বেশ লম্বা করে জাল বিছিয়ে ছিলেন। কিন্তু পাঠকের কৌতূহল আগা গোড়া ধরে রাখতে পেরেছেন-- এটাই কথকতা শিল্পের সিদ্ধি।

    আমি ছোটদের জন্যে লিখতে সাহস করিনে। অনেক বেশি কব্জির জোর লাগে। ভবভূতি ভটচাজ মশায়ের সেটি আছে; আমার নেই। তবু এই লেখাগুলো (বিজুদা সিরিজ) পড়লে কিশোর সাহিত্যের কাঠামো কেমন হওয়া উচিত তার আভাস পাই। এটা আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি।

    ভাবছি, ওনাকে গুরু মেনে একবার ছোটদের জন্যে লেখার হাতমকশো করলে কেমন হয়!

    রঞ্জন রায় (সেপ্টেম্বর ২০১৭; ranjanr5...@gmai...)


    ভবভূতি ভট্টাচার্য মশায়ের বিজুদার গল্প পড়তে পড়তে ইচ্ছা হয় আবার ছোটবেলায় ফিরে যাই। আমার ধারণা বিজুদা সিরিজের গল্পগুলিতে অ্যাডভেঞ্চার আর কল্পবিজ্ঞানের দক্ষ মিশেল ছোটদের মনকে যথার্থই অনুসন্ধিৎসু করে তুলবে, প্রসারিত করবে। বিজুদা মাঝেমধ্যে ঘনাদার স্মৃতি ফিরিয়ে আনে বটে কিন্তু মেজাজে একেবারে আলাদা এবং অনন্য।

    সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় (সেপ্টেম্বর ২০১৭; smukho...@gmai...)


    ফির বিজুদা কি এক দিলচসপ কহানি! ওয়েলকাম ব্যাক জনাব ভবভূতি ভটচাজ! বিজুদা সিরিজ চালু থাকুক!

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    উদয় চট্টোপাধ্যায়ের ফিরে পড়া: রাজনারায়ণ বসুর ‘সে কাল আর এ কাল’

    খুব ভালো লাগলো উদয় চট্টোপাধ্যায়ের 'ফিরে পড়া'| এইসব অমূল্য ধ্রুপদী গ্রন্থগুলির পুনর্মূল্যায়ন হওয়ার আশু প্রয়োজন| আশা করছি এই বিদগ্ধ লেখক সক্রিয় হবেন সে ব্যাপারে, এবং আরো কিছু এই ধরনের আলোচনা পরবাসের আগামী সংখ্যাগুলিতেও দেখতে পাবো|

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    অতনু দের দু'টি গল্প কবিতার জন্ম ও মৃত্যু এবং দুই পৃথিবী

    'Dui Prithibi': Atanu - typical twist is becoming your trade mark. But making the twist along with paying regard to another brilliant concept of Nillohit is brilliant. Darun...keep on writing and entertaining us...

    'Kabitar Jabnmo o Mrityu': ভালো লাগল...tribute to Bangla kobita appreciated.. but ending was somehow expected... Missed the usual twist...

    Dipankar Basu (সেপ্টেম্বর ২০১৭; dipankar.b...@ymai...)


    'Dui Prithibi' has a very interesting storyline.. loved the idea.

    'কবিতার জন্ম ও মৃত্যু'ও ভালো লাগল...ম্যাচিওর্‌ড লেখা...ক্রিয়েটিভ লোকেদের বোঝা দায় :-)

    Sharmi(সেপ্টেম্বর ২০১৭; sharmir...@yaho...)


    বেশ ভালো লাগলো অতনু দের 'দুই পৃথিবী'| একটা স্বকীয় ভঙ্গি গড়ে উঠছে গল্প বলার, বিগত সংখ্যার ক্যাম্পে গল্পটিতে যেমন|

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    কবিতা জন্মায়..মৃত্যু হয় না...যদিও বা না জানি কতো অনির হাতে আহত হয়.. হতে হয়ে রক্তাক্ত... তবুও প্রতিবার সে বলে ওঠে আমি এখনো জীবিত।

    'দুই পৃথিবী' একটি ভিন্ন স্বাদের সুন্দর গল্প।

    অন্তরা (সেপ্টেম্বর ২০১৭; sethi.tut...@gmai...)


    অমিতাভ প্রামাণিকের রম্য-ইতিহাস মহাসিন্ধুর ওপার হতে

    Excellent; enriched with information and fatless oration.

    Tridib Chakraborty (ডিসেম্বর ২০১৭; chakraborty.t...@gmai...)


    প্রথম পড়াতে অতিরিক্ত ভালো লাগলো। আর একবার পড়ে সমালোচনা করা যেতে পারে।

    দোদুল (ডিসেম্বর ২০১৭; rajsha...@gmai...)


    সমগ্র বিশ্বের নবজাগরণের ইতিহাসকে একত্রে মেলাবার বা একসূত্রে গাঁথার এই প্রচেষ্টাকে অকুণ্ঠ স্বাগত জানাই। সবার বোঝার উপযোগী ঝরঝরে ভাষা- কোথাও কখনও বোঝা মনে হয়নি।

    সামান্য ত্রুটি পেলাম, জিব্রাল্টার থেকে বিষুবরেখা যত কাছে বলা হয়েছে, আদতে তা নয়। বস্তুতঃ, ওটা মনে হয় গিনি উপসাগর হবে, ভ্রমবশতঃ জিব্রাল্টার লেখা হয়ে গেছে।

    পল্লব চ্যাটার্জী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)

    লেখকের উত্তর : একদম ঠিক। আসলে প্রথমে লিখেছিলাম জিব্রাল্টার প্রণালীর সরু গলাটাই ইওরোপ-আফ্রিকার মূল-ভূখণ্ডের ব্যবধান। তারপর সেটা অপ্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় এডিট করতে গিয়ে জিব্রাল্টার প্রণালীটা থেকে গেছে আর ভুলে অন্য জায়গায় গিনি উপসাগরের বদলে জিব্রাল্টার প্রণালী লিখে ফেলেছি। কোথায় গিনি উপসাগর, কোথায় জিব্রাল্টার প্রণালী! একদম ঠিক ধরেছেন পল্লবদা।

    এটা ঠিক করে নেওয়া হয়েছে--সম্পাদক


    এই সুবিশাল ক্যানভাসে কাজ করতে গেলে লাগে প্রখর প্রস্তুতি আর বিপুল দুঃসাহস! অমিতাভ প্রামাণিক অক্লেশে তার অজস্র নিদর্শন দেখিয়েছেন এই প্রথম পর্বেই| তাঁর রচনার স্বতঃস্ফূর্ত নান্দনিকতা পাঠককে টেনে ধরে রাখে| লেখাটির পরবর্তী অধ্যায়গুলির জন্য প্রতীক্ষায় থাকতে হবে |

    নিরুপম চক্রবর্তী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; nchakr...@gmai...)


    প্রথম কিস্তিতেই জমিয়ে দিয়েছেন অমিতাভ। ব্রেভো। অধীর আগ্রহ পরের পরের এপিসোডে...

    দীপঙ্কর চৌধুরী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    অতি উপাদেয়। একই সঙ্গে ইতিহাসের প্রস্থচ্ছেদ ব্যাপারটা আকর্ষণীয়।

    অরুণাচল দত্তচৌধুরী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; arunachal.duttac...@gmai...)


    অমিতাভদার সব লেখাই এক একটা 'শিল্প'।

    রাজদীপ সেন (সেপ্টেম্বর ২০১৭; raj.ingr...@gmai...)


    দ্যুতি কুন্ডুর আমার বিষ্ণুপুর ভ্রমণ

    কী চমৎকার লেখা! পুজোসংখ্যার প্রথম লেখা। প্রথমেই পড়লাম আর ভালো লেগে গেল।

    দীপঙ্কর চৌধুরী (সেপ্টেম্বর ২০১৭; dip84...@gmai...)


    মলয় সরকারের গল্প শিল্পীর মৃত্যু

    জুন ২০১৭ তে প্রকাশিত 'শিল্পীর মৃত্যু' গল্পটা পড়লাম। এটা কি সত্যি ঘটনা না বানানো গল্প? সত্যি ঘটনা হলে লেখককে জিজ্ঞাসা করার ইচ্ছে রইলো ভানুদার স্ত্রী ও মেয়ের কি হলো পরবর্তী সময়ে। এদের সম্পর্কে বিশেষ কিছু লেখা নেই রচনায়। কিন্তু ঘটনা সত্যি হলে অনুমান করতে অসুবিধা হয় না যে এদের আর্থিক দুর্গতি আরো বেড়েছে ভানুদা মারা যাওয়ার পরে। ওদের সাহায্য করার কিছু উপায় জানা আছে - লেখক যদি চান উপরোক্ত ই-মেলে যোগাযোগ করতে পারেন।

    স্বপ্নজিৎ ( সেপ্টেম্বর ২০১৭; mitt...@juno.c)


    (আগের চিঠিপত্র)

  • এই লেখাটি পুরোনো ফরম্যাটে দেখুন
  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  • (?)